ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পলিথিন মেশানো ভেজাল সার বিতরণ

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পলিথিন মেশানো ভেজাল সার বিতরণ

সরকার ঘোষিত পাঁচ বছরের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে গাছের চারা ও সার বিতরণে জৈব সারের পরিবর্তে পলিথিন মেশানো মাটি, ময়লা-আবর্জনা বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চত্বরে গাছের চারা ও জৈব সার বিতরণকালে এমন অভিযোগ করেন কৃষকরা।

কৃষকরা জানান, জৈব সার দেওয়ার নামে পলিথিনসহ ময়লা আবর্জনায় ভরা মাটি দেওয়া হচ্ছিল। পরে কৃষকরা বিষয়টি বুঝতে পেরে অধিকাংশ কৃষক জৈব সার না নিয়ে শুধু গাছের চারা ও বাঁশের খুঁটি নিয়েছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ২০০ জন কৃষক ও ১০০ প্রতিষ্ঠানে আমের চারা ৫০০টি, জলপাইয়ের চারা ২০০টি, নিম, ঘোড়া নিম এবং মেহগনি গাছের ৮০০টি চারা বিতরণের উদ্বোধন করা হয় বুধবার। বৃহস্পতিবারও এসব চারা বিতরণ করা হবে। একই অর্থ বছরে লেবুর আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩০ জন কৃষকের মাঝে ১৫০টি লেবুর চারা বিতরণ করা হবে। ফল, কাঠ বৃক্ষ ও লেবুর চারা বিতরণের পাশাপাশি কৃষকের গাছ প্রতি ৩০ কেজি করে জৈব সার বিতরণ করা হচ্ছে। বুধবার বিকেলে চারা বিতরণের সময় জৈব সারের বদলে মাটি পলিথিন দেখে উপস্থিত কৃষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

উপজেলার বাড়াকান্দি গ্রামের আলতাফ হোসেন সহ কয়েকজন কৃষক জানান, জৈব সার দেওয়ার নামে পলিথিন, ময়লা, আবর্জনায় ভরা মাটি দেওয়া হচ্ছিল। পরে আমরা অনেকেই জৈব সার না নিয়ে শুধু গাছের চারা নিয়েছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মন জানান, যেসব বস্তায় ভেজাল জৈব সার রয়েছে সেসব বস্তা বাদে ভালো জৈব সার দেখে নিতে কৃষকদের বলা হয়েছে। যেখান থেকে জৈব সার নেওয়া হয়েছে। ভেজাল জৈব সার তাদের ফেরত পাঠানো হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড. বিপাশা হোসাইন জানান, ৫ বছরে প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে কৃষক ও প্রতিষ্ঠানে গাছের চারা বিতরণ করা হচ্ছে। বিতরণকালে জৈব সারের অভিযোগ পেয়ে যার কাছ থেকে জৈব সার নেওয়া হয়েছে তাকে এই সার ফেরত দিয়ে নতুন করে ভালো জৈব সার এনে পুনরায় কৃষকদের মাঝে বিতরণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পলিথিন মেশানো ভেজাল সার বিতরণ

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image

সরকার ঘোষিত পাঁচ বছরের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে গাছের চারা ও সার বিতরণে জৈব সারের পরিবর্তে পলিথিন মেশানো মাটি, ময়লা-আবর্জনা বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চত্বরে গাছের চারা ও জৈব সার বিতরণকালে এমন অভিযোগ করেন কৃষকরা।

কৃষকরা জানান, জৈব সার দেওয়ার নামে পলিথিনসহ ময়লা আবর্জনায় ভরা মাটি দেওয়া হচ্ছিল। পরে কৃষকরা বিষয়টি বুঝতে পেরে অধিকাংশ কৃষক জৈব সার না নিয়ে শুধু গাছের চারা ও বাঁশের খুঁটি নিয়েছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ২০০ জন কৃষক ও ১০০ প্রতিষ্ঠানে আমের চারা ৫০০টি, জলপাইয়ের চারা ২০০টি, নিম, ঘোড়া নিম এবং মেহগনি গাছের ৮০০টি চারা বিতরণের উদ্বোধন করা হয় বুধবার। বৃহস্পতিবারও এসব চারা বিতরণ করা হবে। একই অর্থ বছরে লেবুর আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩০ জন কৃষকের মাঝে ১৫০টি লেবুর চারা বিতরণ করা হবে। ফল, কাঠ বৃক্ষ ও লেবুর চারা বিতরণের পাশাপাশি কৃষকের গাছ প্রতি ৩০ কেজি করে জৈব সার বিতরণ করা হচ্ছে। বুধবার বিকেলে চারা বিতরণের সময় জৈব সারের বদলে মাটি পলিথিন দেখে উপস্থিত কৃষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

উপজেলার বাড়াকান্দি গ্রামের আলতাফ হোসেন সহ কয়েকজন কৃষক জানান, জৈব সার দেওয়ার নামে পলিথিন, ময়লা, আবর্জনায় ভরা মাটি দেওয়া হচ্ছিল। পরে আমরা অনেকেই জৈব সার না নিয়ে শুধু গাছের চারা নিয়েছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মন জানান, যেসব বস্তায় ভেজাল জৈব সার রয়েছে সেসব বস্তা বাদে ভালো জৈব সার দেখে নিতে কৃষকদের বলা হয়েছে। যেখান থেকে জৈব সার নেওয়া হয়েছে। ভেজাল জৈব সার তাদের ফেরত পাঠানো হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড. বিপাশা হোসাইন জানান, ৫ বছরে প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে কৃষক ও প্রতিষ্ঠানে গাছের চারা বিতরণ করা হচ্ছে। বিতরণকালে জৈব সারের অভিযোগ পেয়ে যার কাছ থেকে জৈব সার নেওয়া হয়েছে তাকে এই সার ফেরত দিয়ে নতুন করে ভালো জৈব সার এনে পুনরায় কৃষকদের মাঝে বিতরণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত