বেফাঁস মন্তব্যের জেরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) পুলিশ সদরদপ্তরে পার্সোনেট ম্যানেজমেন্ট শাখার ১ এর অতিরিক্ত ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খানের সই এক আদেশে এ প্রত্যাহার করা হয়।
আদেশে বলা হয়, আগামী (২১ জুন) আপনার বর্তমান কর্মস্থল থেকে পুলিশ সদরদপ্তরে রিপোর্ট করবেন।
এর আগে, গত ১৭ জুন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) লবণচরা থানা এলাকায় আয়োজিত এক সমাবেশে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান। সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অপরাধীদের সম্পর্কে তথ্য দেয়ার ক্ষেত্রে তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘কোনো ইনফরমেশন ইন্সপেক্টরকে বলার পর যদি ফাঁস হয়, তবে মুসলমান হিসেবে কথা দিচ্ছি, আমি নিজে ওই ইন্সপেক্টরকে এই গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেব, আপনারা নিজে পিটাইয়া মারবেন।’

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
বেফাঁস মন্তব্যের জেরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) পুলিশ সদরদপ্তরে পার্সোনেট ম্যানেজমেন্ট শাখার ১ এর অতিরিক্ত ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খানের সই এক আদেশে এ প্রত্যাহার করা হয়।
আদেশে বলা হয়, আগামী (২১ জুন) আপনার বর্তমান কর্মস্থল থেকে পুলিশ সদরদপ্তরে রিপোর্ট করবেন।
এর আগে, গত ১৭ জুন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) লবণচরা থানা এলাকায় আয়োজিত এক সমাবেশে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান। সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অপরাধীদের সম্পর্কে তথ্য দেয়ার ক্ষেত্রে তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘কোনো ইনফরমেশন ইন্সপেক্টরকে বলার পর যদি ফাঁস হয়, তবে মুসলমান হিসেবে কথা দিচ্ছি, আমি নিজে ওই ইন্সপেক্টরকে এই গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেব, আপনারা নিজে পিটাইয়া মারবেন।’

আপনার মতামত লিখুন