ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

কুয়াকাটা উপজেলা” বাস্তবায়নের দাবিতে তিন দিনব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

কুয়াকাটা উপজেলা” বাস্তবায়নের দাবিতে তিন দিনব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র ‘সাগরকন্যা’ কুয়াকাটাকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা এবং টেকসই পর্যটন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘উপজেলা’ বাস্তবায়নের দাবিতে জোরালো জনমত গড়ে উঠছে। পর্যটনের বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে কুয়াকাটাকে একক প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় আনার দাবিতে স্থানীয় ‘কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরাম’ তিন দিনব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু করেছে। আগামী বুধবার পর্যন্ত এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ১০ হাজার মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে কুয়াকাটা চৌরাস্তায় আয়োজিত এই গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে স্থানীয় বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। বক্তারা বলেন, কুয়াকাটা এখন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত। এখানে তিন শতাধিক আবাসিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। এছাড়া আধুনিক নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি, ট্যুরিস্ট পুলিশ জোন, সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন এবং মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থাকা সত্ত্বেও সঠিক প্রশাসনিক সমন্বয়ের অভাবে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরাম -এর আহবায়ক আহবায়ক ও কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আঃ আজিজ মুসুল্লী বক্তব্যে দাবি করে বলেন, কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে একক প্রশাসনিক কাঠামো অপরিহার্য। পর্যটনকে অকার্যকর করতে থাকা বিভিন্ন ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে উপজেলা গঠনের কোনো বিকল্প নেই।

ফোরামের মহাসচিব ও হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ বলেন, পর্যটনবান্ধব অবকাঠামো বিবেচনায় কুয়াকাটা উপজেলা হওয়ার পূর্ণ দাবি রাখে। রাজনৈতিক বিবেচনায় মহিপুরে থানা স্থাপন করা হলেও, পর্যটন সুরক্ষায় কুয়াকাটার গুরুত্বই সর্বাধিক।

ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘোষিত এই পর্যটন নগরীকে বাঁচাতে উপজেলা ঘোষণা সময়ের দাবি। যথাযথ প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ না হলে পর্যটন খাতে বিনিয়োগকারী ও পর্যটকরা নিরুৎসাহিত হবে।

 

ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মান্নান উল্লেখ করেন, মহিপুর একটি মৎস্য বন্দর হলেও সেখানে পর্যটনের মতো বড় পরিসরের অবকাঠামো নেই। ফলে প্রশাসনিক অকার্যকারিতা নিরসনে কুয়াকাটাকেই উপজেলা ঘোষণা করা উচিত।

কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরাম -এর নেতৃবৃন্দরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কুয়াকাটা উপজেলা বাস্তবায়নের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা পর্যায়ক্রমে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবেন। দেশের পর্যটন অর্থনীতিকে সচল রাখতে এবং উপকূলীয় ঝুঁকি মোকাবিলায় নীতিনির্ধারকদের কাছে দ্রুত এই দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান স্থানীয় সচেতন মহল।

এই কর্মসূচিতে কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


কুয়াকাটা উপজেলা” বাস্তবায়নের দাবিতে তিন দিনব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image

দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র ‘সাগরকন্যা’ কুয়াকাটাকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা এবং টেকসই পর্যটন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘উপজেলা’ বাস্তবায়নের দাবিতে জোরালো জনমত গড়ে উঠছে। পর্যটনের বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে কুয়াকাটাকে একক প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় আনার দাবিতে স্থানীয় ‘কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরাম’ তিন দিনব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু করেছে। আগামী বুধবার পর্যন্ত এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ১০ হাজার মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


সোমবার বিকেলে কুয়াকাটা চৌরাস্তায় আয়োজিত এই গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে স্থানীয় বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। বক্তারা বলেন, কুয়াকাটা এখন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত। এখানে তিন শতাধিক আবাসিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। এছাড়া আধুনিক নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি, ট্যুরিস্ট পুলিশ জোন, সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন এবং মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থাকা সত্ত্বেও সঠিক প্রশাসনিক সমন্বয়ের অভাবে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।


কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরাম -এর আহবায়ক আহবায়ক ও কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আঃ আজিজ মুসুল্লী বক্তব্যে দাবি করে বলেন, কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে একক প্রশাসনিক কাঠামো অপরিহার্য। পর্যটনকে অকার্যকর করতে থাকা বিভিন্ন ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে উপজেলা গঠনের কোনো বিকল্প নেই।


ফোরামের মহাসচিব ও হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ বলেন, পর্যটনবান্ধব অবকাঠামো বিবেচনায় কুয়াকাটা উপজেলা হওয়ার পূর্ণ দাবি রাখে। রাজনৈতিক বিবেচনায় মহিপুরে থানা স্থাপন করা হলেও, পর্যটন সুরক্ষায় কুয়াকাটার গুরুত্বই সর্বাধিক।


ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘোষিত এই পর্যটন নগরীকে বাঁচাতে উপজেলা ঘোষণা সময়ের দাবি। যথাযথ প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ না হলে পর্যটন খাতে বিনিয়োগকারী ও পর্যটকরা নিরুৎসাহিত হবে।

 

ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মান্নান উল্লেখ করেন, মহিপুর একটি মৎস্য বন্দর হলেও সেখানে পর্যটনের মতো বড় পরিসরের অবকাঠামো নেই। ফলে প্রশাসনিক অকার্যকারিতা নিরসনে কুয়াকাটাকেই উপজেলা ঘোষণা করা উচিত।


কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরাম -এর নেতৃবৃন্দরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কুয়াকাটা উপজেলা বাস্তবায়নের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা পর্যায়ক্রমে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবেন। দেশের পর্যটন অর্থনীতিকে সচল রাখতে এবং উপকূলীয় ঝুঁকি মোকাবিলায় নীতিনির্ধারকদের কাছে দ্রুত এই দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান স্থানীয় সচেতন মহল।


এই কর্মসূচিতে কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত