চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অপহরণ মামলার এক কিশোরী ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাটহাজারী মডেল থানায় দায়ের হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) এর ৭/৩০ ধারার একটি মামলায় অভিযুক্ত মো. নুরুল আলম (৩০) ও মো. শাহাদাত হোসেন (২২)কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৩ বছর বয়সী ভিকটিম সুমাইয়া হাসান ঈদের ছুটিতে নানার বাড়ি থেকে মায়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। গত ৮ জুন দুপুরে নিজ বাড়ির সামনে থেকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে পলাতক আসামি রবিউল আলম সহযোগীদের সহায়তায় মোটরসাইকেলে করে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে হাটহাজারী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত ১৩ জুন সীতাকুণ্ড উপজেলার ডাচ-বাংলা রোড এলাকায় ২ নম্বর আসামি নুরুল আলমের বাসা থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।
এ সময় মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকেও গ্রেফতার করা হয়। হাটহাজারী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুপন নাথের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযানটি পরিচালনা করে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং পলাতক প্রধান আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
উদ্ধার হওয়া কিশোরীকে প্রয়োজনীয় আইনগত ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অপহরণ মামলার এক কিশোরী ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাটহাজারী মডেল থানায় দায়ের হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) এর ৭/৩০ ধারার একটি মামলায় অভিযুক্ত মো. নুরুল আলম (৩০) ও মো. শাহাদাত হোসেন (২২)কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৩ বছর বয়সী ভিকটিম সুমাইয়া হাসান ঈদের ছুটিতে নানার বাড়ি থেকে মায়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। গত ৮ জুন দুপুরে নিজ বাড়ির সামনে থেকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে পলাতক আসামি রবিউল আলম সহযোগীদের সহায়তায় মোটরসাইকেলে করে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে হাটহাজারী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত ১৩ জুন সীতাকুণ্ড উপজেলার ডাচ-বাংলা রোড এলাকায় ২ নম্বর আসামি নুরুল আলমের বাসা থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।
এ সময় মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকেও গ্রেফতার করা হয়। হাটহাজারী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুপন নাথের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযানটি পরিচালনা করে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং পলাতক প্রধান আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
উদ্ধার হওয়া কিশোরীকে প্রয়োজনীয় আইনগত ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন