রেলের একটি ইঞ্জিন শুধু ইস্পাত, চাকা আর যন্ত্রাংশের সমষ্টি নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে হাজারো মানুষের যাত্রা, অপেক্ষা, স্বপ্ন আর গন্তব্যে পৌঁছানোর গল্প। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর রেলপথে ছুটতে ছুটতে একসময় ক্লান্ত হয়ে পড়ে লোকোমোটিভগুলো। তখন তাদের নতুন জীবন দেওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় পার্বতীপুরের কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা—কেলোকা।
নানা সংকটেও চলতি অর্থবছরে সংস্কারের জন্য নির্ধারিত ২১টি লোকোমোটিভের মধ্যে ১৮টিকে নতুন জীবন দিয়ে রেলওয়ের কাছে হস্তান্তর করেছে কেলোকা। বাকি তিনটিও এ মাসেই আবার রেললাইনে ফিরবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ ১১১ একর জায়গাজুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা কেলোকা বাংলাদেশের রেলওয়ের এক নীরব প্রাণকেন্দ্র। ১৯৯২ সালের ১৪ মে প্রায় ২০৩ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানাটি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের মিটারগেজ ও ব্রডগেজ লোকোমোটিভের জীবনরেখা হয়ে কাজ করছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে বর্তমানে ২৯৬টি লোকোমোটিভ রয়েছে। এর মধ্যে ১২৮টি ব্রডগেজ এবং ১৬৮টি মিটারগেজ। এসব ইঞ্জিনের অধিকাংশই কোনো না কোনো সময় কেলোকার স্পর্শে নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে। রেলপথে দীর্ঘদিন ছুটে চলতে চলতে যখন কোনো ইঞ্জিনের শক্তি ক্ষয় হয়ে যায়, তখন তাকে আবার চলার শক্তি জোগায় এই কারখানা।
কেলোকার ভেতরে ঢুকলেই চোখে পড়ে এক অন্যরকম পৃথিবী। কোথাও খোলা অবস্থায় শুয়ে আছে বিশালাকার ইঞ্জিন, কোথাও খুলে রাখা হয়েছে চাকা, কোথাও চলছে ট্র্যাকশন মোটরের পরীক্ষা। ঝালাইয়ের আগুন, লোহার শব্দ আর কর্মব্যস্ত মানুষের পদচারণায় মুখরিত পুরো এলাকা। মনে হয়, এখানে প্রতিদিন ইস্পাতের শরীরে নতুন প্রাণ সঞ্চারের আয়োজন চলছে।
কারখানার অভিজ্ঞ কারিগররা জানান, একটি লোকোমোটিভকে ওভারহলিংয়ের জন্য সম্পূর্ণ খুলে ফেলা হয়। ইঞ্জিন, ব্রেকিং সিস্টেম, বৈদ্যুতিক সংযোগ, চাকা থেকে শুরু করে প্রতিটি যন্ত্রাংশ আলাদা করে পরীক্ষা করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো প্রতিস্থাপন করা হয় নতুন যন্ত্রাংশ দিয়ে। তারপর ধাপে ধাপে আবার জোড়া লাগানো হয় পুরো ইঞ্জিন।
তাদের ভাষায়, “এটা শুধু মেরামত নয়, যেন একটি অসুস্থ ইঞ্জিনকে আবার সুস্থ করে তোলা। অনেকটা নতুন জীবন ফিরিয়ে দেওয়ার মতো।”
রেলওয়ে সূত্র জানায়, একটি লোকোমোটিভ জেনারেল ওভারহলিংয়ের (জিওএইচ) পর গড়ে আরও ২০ বছর সচল থাকে। তবে কেলোকার দক্ষ কারিগরদের হাতে সংস্কার হওয়া অনেক ইঞ্জিন ৪০ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত রেলপথে ছুটে চলেছে। সময়ের কাছে হার না মানা এসব ইঞ্জিন যেন বাংলাদেশের রেল ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী।
তবে এই প্রাণ ফেরানোর কাজ মোটেও সহজ নয়। কেলোকার সবচেয়ে বড় সংকট জনবল ঘাটতি। অনুমোদিত ৭২৪টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৭৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। অর্থাৎ প্রায় তিন-চতুর্থাংশ পদই শূন্য।
এই ঘাটতি পূরণে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ১৩৮ জন এবং টিএলআর পদ্ধতিতে ৪৯০ জন শ্রমিক কাজ করলেও দক্ষ প্রকৌশলী ও অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ানের অভাব এখনো প্রকট।
প্রতিষ্ঠার সময় বছরে ৩০টি লোকোমোটিভ ওভারহলিংয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে বর্তমানে গড়ে ২০টির বেশি সংস্কার করা সম্ভব হয় না। তবুও থেমে নেই কেলোকার কর্মযজ্ঞ।
আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ যন্ত্রাংশ। রেলওয়ে সূত্র বলছে, কেলোকার প্রয়োজনীয় প্রায় ২৭ হাজার ধরনের যন্ত্রাংশের ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। ফলে অনেক সময় যন্ত্রাংশ সংগ্রহে বিলম্ব হলে সংস্কার কাজও ব্যাহত হয়।
এতসব প্রতিকূলতার মধ্যেও কেলোকা দেশের আন্তঃনগর ট্রেন পরিচালনার অন্যতম প্রধান ভরসা হয়ে রয়েছে। এখান থেকে সংস্কার হওয়া ব্রডগেজ ইঞ্জিন ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার এবং মিটারগেজ ইঞ্জিন ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে। এসব ইঞ্জিনের শক্তিতেই প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হাজারো যাত্রী ও পণ্যবাহী ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছে।
ওয়ার্কস ম্যানেজার (প্রোডাকশন) আশিষ কুমার মণ্ডল বলেন, “নানা সংকটের মধ্যেও আমরা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণের চেষ্টা করছি। সীমিত জনবল নিয়েও কর্মীরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, যাতে দেশের রেল চলাচল নির্বিঘ্ন থাকে।”
তিনি জানান, চলতি অর্থবছরে ২১টি লোকোমোটিভ সংস্কারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১৮টি ইতোমধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি তিনটির কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
কারখানার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ হাসানুজ্জামান বলেন, “সঠিক পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে দেশের চাহিদা পূরণে বিদেশ থেকে লোকোমোটিভ আমদানির প্রয়োজন অনেকাংশে কমে আসবে।”
তিনি আরও বলেন, দেশে যদি প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি করা যায়, তাহলে রেলওয়ের বিদেশ নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
রেল বিশেষজ্ঞদের মতে, কেলোকা শুধু একটি কারখানা নয়; এটি বাংলাদেশের রেল ব্যবস্থার নীরব হৃদস্পন্দন। এখানেই নতুন শ্বাস পায় ক্লান্ত ইঞ্জিন, এখান থেকেই আবার শুরু হয় তাদের নতুন যাত্রা।
তাই পার্বতীপুরের কেলোকা শুধু ইঞ্জিন সংস্কারের কেন্দ্র নয়—এটি রেলের এক আবেগময় পুনর্জন্মের গল্প। যেখানে প্রতিটি লোকোমোটিভের ভেতরে নতুন করে জ্বলে ওঠে চলার শক্তি, আর প্রতিটি সফল সংস্কারের সঙ্গে দেশের রেলপথ ফিরে পায় তার হারানো গতি। ইস্পাতের শরীরে প্রাণ ফেরানোর এই গল্পই আজ বাংলাদেশের রেলওয়ের সবচেয়ে বড় নির্ভরতার গল্প।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
রেলের একটি ইঞ্জিন শুধু ইস্পাত, চাকা আর যন্ত্রাংশের সমষ্টি নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে হাজারো মানুষের যাত্রা, অপেক্ষা, স্বপ্ন আর গন্তব্যে পৌঁছানোর গল্প। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর রেলপথে ছুটতে ছুটতে একসময় ক্লান্ত হয়ে পড়ে লোকোমোটিভগুলো। তখন তাদের নতুন জীবন দেওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় পার্বতীপুরের কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা—কেলোকা।
নানা সংকটেও চলতি অর্থবছরে সংস্কারের জন্য নির্ধারিত ২১টি লোকোমোটিভের মধ্যে ১৮টিকে নতুন জীবন দিয়ে রেলওয়ের কাছে হস্তান্তর করেছে কেলোকা। বাকি তিনটিও এ মাসেই আবার রেললাইনে ফিরবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ ১১১ একর জায়গাজুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা কেলোকা বাংলাদেশের রেলওয়ের এক নীরব প্রাণকেন্দ্র। ১৯৯২ সালের ১৪ মে প্রায় ২০৩ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানাটি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের মিটারগেজ ও ব্রডগেজ লোকোমোটিভের জীবনরেখা হয়ে কাজ করছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে বর্তমানে ২৯৬টি লোকোমোটিভ রয়েছে। এর মধ্যে ১২৮টি ব্রডগেজ এবং ১৬৮টি মিটারগেজ। এসব ইঞ্জিনের অধিকাংশই কোনো না কোনো সময় কেলোকার স্পর্শে নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে। রেলপথে দীর্ঘদিন ছুটে চলতে চলতে যখন কোনো ইঞ্জিনের শক্তি ক্ষয় হয়ে যায়, তখন তাকে আবার চলার শক্তি জোগায় এই কারখানা।
কেলোকার ভেতরে ঢুকলেই চোখে পড়ে এক অন্যরকম পৃথিবী। কোথাও খোলা অবস্থায় শুয়ে আছে বিশালাকার ইঞ্জিন, কোথাও খুলে রাখা হয়েছে চাকা, কোথাও চলছে ট্র্যাকশন মোটরের পরীক্ষা। ঝালাইয়ের আগুন, লোহার শব্দ আর কর্মব্যস্ত মানুষের পদচারণায় মুখরিত পুরো এলাকা। মনে হয়, এখানে প্রতিদিন ইস্পাতের শরীরে নতুন প্রাণ সঞ্চারের আয়োজন চলছে।
কারখানার অভিজ্ঞ কারিগররা জানান, একটি লোকোমোটিভকে ওভারহলিংয়ের জন্য সম্পূর্ণ খুলে ফেলা হয়। ইঞ্জিন, ব্রেকিং সিস্টেম, বৈদ্যুতিক সংযোগ, চাকা থেকে শুরু করে প্রতিটি যন্ত্রাংশ আলাদা করে পরীক্ষা করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো প্রতিস্থাপন করা হয় নতুন যন্ত্রাংশ দিয়ে। তারপর ধাপে ধাপে আবার জোড়া লাগানো হয় পুরো ইঞ্জিন।
তাদের ভাষায়, “এটা শুধু মেরামত নয়, যেন একটি অসুস্থ ইঞ্জিনকে আবার সুস্থ করে তোলা। অনেকটা নতুন জীবন ফিরিয়ে দেওয়ার মতো।”
রেলওয়ে সূত্র জানায়, একটি লোকোমোটিভ জেনারেল ওভারহলিংয়ের (জিওএইচ) পর গড়ে আরও ২০ বছর সচল থাকে। তবে কেলোকার দক্ষ কারিগরদের হাতে সংস্কার হওয়া অনেক ইঞ্জিন ৪০ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত রেলপথে ছুটে চলেছে। সময়ের কাছে হার না মানা এসব ইঞ্জিন যেন বাংলাদেশের রেল ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী।
তবে এই প্রাণ ফেরানোর কাজ মোটেও সহজ নয়। কেলোকার সবচেয়ে বড় সংকট জনবল ঘাটতি। অনুমোদিত ৭২৪টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৭৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। অর্থাৎ প্রায় তিন-চতুর্থাংশ পদই শূন্য।
এই ঘাটতি পূরণে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ১৩৮ জন এবং টিএলআর পদ্ধতিতে ৪৯০ জন শ্রমিক কাজ করলেও দক্ষ প্রকৌশলী ও অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ানের অভাব এখনো প্রকট।
প্রতিষ্ঠার সময় বছরে ৩০টি লোকোমোটিভ ওভারহলিংয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে বর্তমানে গড়ে ২০টির বেশি সংস্কার করা সম্ভব হয় না। তবুও থেমে নেই কেলোকার কর্মযজ্ঞ।
আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ যন্ত্রাংশ। রেলওয়ে সূত্র বলছে, কেলোকার প্রয়োজনীয় প্রায় ২৭ হাজার ধরনের যন্ত্রাংশের ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। ফলে অনেক সময় যন্ত্রাংশ সংগ্রহে বিলম্ব হলে সংস্কার কাজও ব্যাহত হয়।
এতসব প্রতিকূলতার মধ্যেও কেলোকা দেশের আন্তঃনগর ট্রেন পরিচালনার অন্যতম প্রধান ভরসা হয়ে রয়েছে। এখান থেকে সংস্কার হওয়া ব্রডগেজ ইঞ্জিন ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার এবং মিটারগেজ ইঞ্জিন ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে। এসব ইঞ্জিনের শক্তিতেই প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হাজারো যাত্রী ও পণ্যবাহী ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছে।
ওয়ার্কস ম্যানেজার (প্রোডাকশন) আশিষ কুমার মণ্ডল বলেন, “নানা সংকটের মধ্যেও আমরা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণের চেষ্টা করছি। সীমিত জনবল নিয়েও কর্মীরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, যাতে দেশের রেল চলাচল নির্বিঘ্ন থাকে।”
তিনি জানান, চলতি অর্থবছরে ২১টি লোকোমোটিভ সংস্কারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১৮টি ইতোমধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি তিনটির কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
কারখানার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ হাসানুজ্জামান বলেন, “সঠিক পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে দেশের চাহিদা পূরণে বিদেশ থেকে লোকোমোটিভ আমদানির প্রয়োজন অনেকাংশে কমে আসবে।”
তিনি আরও বলেন, দেশে যদি প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি করা যায়, তাহলে রেলওয়ের বিদেশ নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
রেল বিশেষজ্ঞদের মতে, কেলোকা শুধু একটি কারখানা নয়; এটি বাংলাদেশের রেল ব্যবস্থার নীরব হৃদস্পন্দন। এখানেই নতুন শ্বাস পায় ক্লান্ত ইঞ্জিন, এখান থেকেই আবার শুরু হয় তাদের নতুন যাত্রা।
তাই পার্বতীপুরের কেলোকা শুধু ইঞ্জিন সংস্কারের কেন্দ্র নয়—এটি রেলের এক আবেগময় পুনর্জন্মের গল্প। যেখানে প্রতিটি লোকোমোটিভের ভেতরে নতুন করে জ্বলে ওঠে চলার শক্তি, আর প্রতিটি সফল সংস্কারের সঙ্গে দেশের রেলপথ ফিরে পায় তার হারানো গতি। ইস্পাতের শরীরে প্রাণ ফেরানোর এই গল্পই আজ বাংলাদেশের রেলওয়ের সবচেয়ে বড় নির্ভরতার গল্প।

আপনার মতামত লিখুন