ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

ব্রিজের গোড়ায় ‘মরণফাঁদ’, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ

ব্রিজের গোড়ায় ‘মরণফাঁদ’, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ

কুমিল্লার তিতাসের মজিদপুর ইউনিয়নের মোহনপুর–কাকিয়াখালী সড়কের একটি ব্রিজের গোড়ায় প্রায় তিন বছর ধরে বিশাল একটি গর্ত সৃষ্টি হয়ে আছে। এতে অন্তত ১০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রিজটির এক প্রান্তে বড় আকারের গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। গর্তের পাশ ঘেঁষে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও পথচারীরা চলাচল করছেন।

মোহনপুর-কাকিয়াখালী ব্রিজটি এলাকার অন্যতম প্রধান যোগাযোগমাধ্যম। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করেন। কিন্তু প্রতি বর্ষা মৌসুমে কিংবা ভারী বৃষ্টিপাতের সময় ব্রিজসংলগ্ন মাটি ধসে গর্তের সৃষ্টি হয়। পরে সাময়িকভাবে মাটি ফেলে কিছুটা ঠিক করা হয়। স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় একই সমস্যা বারবার ফিরে আসে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে একই পরিস্থিতি বিরাজ করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। ফলে গর্তটি দিন দিন বড় হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। বিশেষ করে রাতের অন্ধকার ও বৃষ্টির সময় চলাচল অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

মোহনপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী বলেন, তিন বছর ধরে একই অবস্থা। বর্ষা এলেই ব্রিজের গোড়ায় গর্ত হয়। প্রতিদিন আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করতে হয়। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

আরেক বাসিন্দা আবদুল মালেক বলেন, এটি শুধু একটি গ্রামের সমস্যা নয়। অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষ এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু দীর্ঘদিনেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।

তিতাস উপজেলা প্রকৌশলী খেয়াজুর রহমান বলেন, আমাদের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেছে। ব্রিজটি নতুনভাবে নির্মাণের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। আপাতত নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


ব্রিজের গোড়ায় ‘মরণফাঁদ’, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার তিতাসের মজিদপুর ইউনিয়নের মোহনপুর–কাকিয়াখালী সড়কের একটি ব্রিজের গোড়ায় প্রায় তিন বছর ধরে বিশাল একটি গর্ত সৃষ্টি হয়ে আছে। এতে অন্তত ১০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রিজটির এক প্রান্তে বড় আকারের গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। গর্তের পাশ ঘেঁষে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও পথচারীরা চলাচল করছেন।

মোহনপুর-কাকিয়াখালী ব্রিজটি এলাকার অন্যতম প্রধান যোগাযোগমাধ্যম। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করেন। কিন্তু প্রতি বর্ষা মৌসুমে কিংবা ভারী বৃষ্টিপাতের সময় ব্রিজসংলগ্ন মাটি ধসে গর্তের সৃষ্টি হয়। পরে সাময়িকভাবে মাটি ফেলে কিছুটা ঠিক করা হয়। স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় একই সমস্যা বারবার ফিরে আসে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে একই পরিস্থিতি বিরাজ করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। ফলে গর্তটি দিন দিন বড় হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। বিশেষ করে রাতের অন্ধকার ও বৃষ্টির সময় চলাচল অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

মোহনপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী বলেন, তিন বছর ধরে একই অবস্থা। বর্ষা এলেই ব্রিজের গোড়ায় গর্ত হয়। প্রতিদিন আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করতে হয়। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

আরেক বাসিন্দা আবদুল মালেক বলেন, এটি শুধু একটি গ্রামের সমস্যা নয়। অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষ এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু দীর্ঘদিনেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।

তিতাস উপজেলা প্রকৌশলী খেয়াজুর রহমান বলেন, আমাদের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেছে। ব্রিজটি নতুনভাবে নির্মাণের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। আপাতত নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা দেখা হচ্ছে।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত