প্রচণ্ড গরম ও তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ জনজীবনে স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে মৌসুমি ফল তালের শাঁস। প্রাকৃতিক, সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফলকে ঘিরে বদলগাছী উপজেলায় এখন জমে উঠেছে মৌসুমি ব্যবসা। উপজেলার গোবর চাপা বাজার, ভান্ডার পুর,মিঠাপুর হাট-বাজার,সহ সড়কের মোড় ও জনবহুল এলাকায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তালের শাঁস বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন বিক্রেতাকে।
স্থানীয় রতন এর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর তালগাছ থাকায় সহজেই পাওয়া যাচ্ছে কাঁচা তাল। এসব তাল থেকে সংগ্রহ করা শাঁস বাজারে আকারভেদে প্রতি হালি (চারটি) ২০ টাকা থেকে ২৪ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে বদলগাছী বাজার, গোবরচাপা, ভান্ডারপুর, মিঠাপুর, বাজার সহ তালের শাঁসের চাহিদা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বিক্রেতারা রতন,ও জাকির জানান, গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তালের শাঁসের চাহিদাও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এ মৌসুমি ব্যবসায় যুক্ত হয়ে অনেক তরুণ ও নিম্নআয়ের মানুষ বাড়তি আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন। বাজারের শাঁস বিক্রেতা রতন বলেন, “প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভালো বিক্রি হচ্ছে। গরমে মানুষ ঠাণ্ডা ও প্রাকৃতিক খাবারের দিকে ঝুঁকছে। তাই তালের শাঁসের চাহিদা অনেক বেড়েছে।”
চিকিৎসকের মতে, রাসায়নিকযুক্ত কোমল পানীয় বা কৃত্রিম শরবতের তুলনায় তালের শাঁস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর ও উপকারী। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পানি, খনিজ লবণ ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, যা শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে এবং পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে। ফলে তৃষ্ণা মেটাতে ও গরমের ক্লান্তি দূর করতে অনেকেই তালের শাঁসকে পছন্দ হিসেবে বেছে নিচ্ছেন।
স্থানীয় শিক্ষিকা শারমিনও সচেতন মহল বলছে, তালের শাঁস শুধু একটি সুস্বাদু মৌসুমি ফলই নয়, এটি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। একদিকে যেমন সাধারণ মানুষ গরমে স্বস্তি পাচ্ছেন, অন্যদিকে মৌসুমি এই ব্যবসার মাধ্যমে বহু পরিবার অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
প্রচণ্ড গরম ও তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ জনজীবনে স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে মৌসুমি ফল তালের শাঁস। প্রাকৃতিক, সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফলকে ঘিরে বদলগাছী উপজেলায় এখন জমে উঠেছে মৌসুমি ব্যবসা। উপজেলার গোবর চাপা বাজার, ভান্ডার পুর,মিঠাপুর হাট-বাজার,সহ সড়কের মোড় ও জনবহুল এলাকায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তালের শাঁস বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন বিক্রেতাকে।
স্থানীয় রতন এর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর তালগাছ থাকায় সহজেই পাওয়া যাচ্ছে কাঁচা তাল। এসব তাল থেকে সংগ্রহ করা শাঁস বাজারে আকারভেদে প্রতি হালি (চারটি) ২০ টাকা থেকে ২৪ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে বদলগাছী বাজার, গোবরচাপা, ভান্ডারপুর, মিঠাপুর, বাজার সহ তালের শাঁসের চাহিদা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বিক্রেতারা রতন,ও জাকির জানান, গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তালের শাঁসের চাহিদাও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এ মৌসুমি ব্যবসায় যুক্ত হয়ে অনেক তরুণ ও নিম্নআয়ের মানুষ বাড়তি আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন। বাজারের শাঁস বিক্রেতা রতন বলেন, “প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভালো বিক্রি হচ্ছে। গরমে মানুষ ঠাণ্ডা ও প্রাকৃতিক খাবারের দিকে ঝুঁকছে। তাই তালের শাঁসের চাহিদা অনেক বেড়েছে।”
চিকিৎসকের মতে, রাসায়নিকযুক্ত কোমল পানীয় বা কৃত্রিম শরবতের তুলনায় তালের শাঁস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর ও উপকারী। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পানি, খনিজ লবণ ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, যা শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে এবং পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে। ফলে তৃষ্ণা মেটাতে ও গরমের ক্লান্তি দূর করতে অনেকেই তালের শাঁসকে পছন্দ হিসেবে বেছে নিচ্ছেন।
স্থানীয় শিক্ষিকা শারমিনও সচেতন মহল বলছে, তালের শাঁস শুধু একটি সুস্বাদু মৌসুমি ফলই নয়, এটি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। একদিকে যেমন সাধারণ মানুষ গরমে স্বস্তি পাচ্ছেন, অন্যদিকে মৌসুমি এই ব্যবসার মাধ্যমে বহু পরিবার অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারছে।

আপনার মতামত লিখুন