ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

৭০ ঘণ্টা পর সেই ১০ জনকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নিল বিএসএফ

৭০ ঘণ্টা পর সেই ১০ জনকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নিল বিএসএফ

পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রধানপাড়া সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে পুশ ইনের চেষ্টাকে ঘিরে জটিলতার অবসান হয়েছে। প্রায় ৭০ ঘণ্টা শূন্যরেখার ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থানের পর রোববার গভীর রাতে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

সোমবার (৮ জুন) সকালে সীমান্ত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, যেখানে গত কয়েক দিন ধরে ওই ১০ জন অবস্থান করছিলেন, সেখানে আর কাউকে দেখা যায়নি। আগের মতো বিজিবি ও বিএসএফের অতিরিক্ত সদস্যদের উপস্থিতিও ছিল না। উভয় বাহিনী নিজ নিজ অবস্থান থেকে সরে গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোর থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জন ব্যক্তি সীমান্তসংলগ্ন একটি কৃষিজমিতে অবস্থান করছিলেন। বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টাকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতিতে তারা দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটান। রোদ, বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তাদের জন্য কোনো ধরনের আশ্রয়ের ব্যবস্থা ছিল না।

স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ আলী বলেন, আমরা বিজিবির সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় পাহারা দিচ্ছিলাম। রাত ১২টার দিকে বিএসএফ তাদের লাইট বন্ধ করে দেয়। পরে রাত প্রায় আড়াইটার দিকে তারা ওই লোকজনকে সেখান থেকে নিয়ে যায়।

এর আগে রোববার দুপুরেও বিএসএফ ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি তা প্রতিহত করে। এ সময় সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে উভয় পক্ষ অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে সতর্ক অবস্থান নেয়।

নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিএসএফ আমাদের সঙ্গে কথা বলে রাত আড়াইটার দিকে তাদেরকে সেখান থেকে নিয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


৭০ ঘণ্টা পর সেই ১০ জনকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নিল বিএসএফ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬

featured Image

পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রধানপাড়া সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে পুশ ইনের চেষ্টাকে ঘিরে জটিলতার অবসান হয়েছে। প্রায় ৭০ ঘণ্টা শূন্যরেখার ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থানের পর রোববার গভীর রাতে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

সোমবার (৮ জুন) সকালে সীমান্ত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, যেখানে গত কয়েক দিন ধরে ওই ১০ জন অবস্থান করছিলেন, সেখানে আর কাউকে দেখা যায়নি। আগের মতো বিজিবি ও বিএসএফের অতিরিক্ত সদস্যদের উপস্থিতিও ছিল না। উভয় বাহিনী নিজ নিজ অবস্থান থেকে সরে গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোর থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জন ব্যক্তি সীমান্তসংলগ্ন একটি কৃষিজমিতে অবস্থান করছিলেন। বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টাকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতিতে তারা দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটান। রোদ, বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তাদের জন্য কোনো ধরনের আশ্রয়ের ব্যবস্থা ছিল না।

স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ আলী বলেন, আমরা বিজিবির সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় পাহারা দিচ্ছিলাম। রাত ১২টার দিকে বিএসএফ তাদের লাইট বন্ধ করে দেয়। পরে রাত প্রায় আড়াইটার দিকে তারা ওই লোকজনকে সেখান থেকে নিয়ে যায়।

এর আগে রোববার দুপুরেও বিএসএফ ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি তা প্রতিহত করে। এ সময় সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে উভয় পক্ষ অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে সতর্ক অবস্থান নেয়।

নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিএসএফ আমাদের সঙ্গে কথা বলে রাত আড়াইটার দিকে তাদেরকে সেখান থেকে নিয়ে গেছে।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত