মানিকগঞ্জের সিংগাইর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি মিষ্টির দোকান ও দুটি কনফেকশনারি দোকান পুড়ে গেছে। এতে দোকানগুলোর মালামাল ও আসবাবপত্রসহ প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন— কালাচাঁন মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক রাজিব, নিমাইচাঁন মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক জয়ন্ত ঘোষ (দিব), কনফেকশনারি ব্যবসায়ী তৌহিদুর রহমান তুহিন ও বাবুল হোসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ১১টার দিকে কালাচাঁন মিষ্টান্ন ভান্ডার থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সিংগাইর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তার আগেই চারটি দোকান পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই ছিল পরিবারের আয়ের একমাত্র অবলম্বন। অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু হারিয়ে তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। তারা পুনর্বাসনের জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
সিংগাইর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মো. মহিবুর রহমান বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকানের মালামাল ও আসবাবপত্র পুড়ে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খারুন্নাহার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের সরকারি সহায়তা প্রদানের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
মানিকগঞ্জের সিংগাইর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি মিষ্টির দোকান ও দুটি কনফেকশনারি দোকান পুড়ে গেছে। এতে দোকানগুলোর মালামাল ও আসবাবপত্রসহ প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন— কালাচাঁন মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক রাজিব, নিমাইচাঁন মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক জয়ন্ত ঘোষ (দিব), কনফেকশনারি ব্যবসায়ী তৌহিদুর রহমান তুহিন ও বাবুল হোসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ১১টার দিকে কালাচাঁন মিষ্টান্ন ভান্ডার থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সিংগাইর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তার আগেই চারটি দোকান পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই ছিল পরিবারের আয়ের একমাত্র অবলম্বন। অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু হারিয়ে তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। তারা পুনর্বাসনের জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
সিংগাইর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মো. মহিবুর রহমান বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকানের মালামাল ও আসবাবপত্র পুড়ে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খারুন্নাহার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের সরকারি সহায়তা প্রদানের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”

আপনার মতামত লিখুন