দেশের অন্যান্য স্থানের মতো ঢাকার আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় জেঁকে বসেছে তীব্র দাবদাহ। দোহার, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, সাভার ও ধামরাই এলাকায় সকাল গড়াতেই মাথার ওপর চড়তে থাকা সূর্য আর তপ্ত রোদে জনজীবন একেবারে ওষ্ঠাগত হয়ে পড়েছে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করছে সর্বস্তরের মানুষ।
তীব্র গরম ও তীব্র রোদের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে দুপুরে রাস্তাঘাটে টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রিকশাচালক, দিনমজুর ও ভ্যানচালকদের কষ্ট চরমে পৌঁছেছে।
মাঠে কর্মরত কয়েকজন দিনমজুর ও রিকশাচালকের সাথে কথা বলে জানা যায়, তীব্র গরমের কারণে তারা বেশিক্ষণ কাজ করতে পারছেন না। একটু পরিশ্রম করলেই শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ছে এবং দেখা দিচ্ছে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা। ক্লান্তি দূর করতে ও একটু স্বস্তির আশায় অনেকেই রাস্তার পাশে গাছের ছায়ায় আশ্রয় নিচ্ছেন কিংবা ক্ষণিকের জন্য ঠান্ডা শরবতের দোকানে ভিড় করছেন।
তীব্র এই গরমের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্ম ও স্থানীয় ব্যাবসা-বাণিজ্যেও। দুপুরের দিকে রোদের তীব্রতা ও তাপমাত্রা এতই বেশি থাকে যে, রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেকটাই কমে যাচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। ফলে দুপুরের দিকে স্থানীয় বাজার ও সড়কগুলোতে এক ধরনের স্থবিরতা নেমে আসছে, যা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কেই বিপাকে ফেলেছে।
স্থানীয় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এমন তীব্র গরমে হিট স্ট্রোক ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি এড়াতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে বাইরে বের হলে ছাতা ব্যবহার করা এবং প্রচুর পরিমাণে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পান করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
দেশের অন্যান্য স্থানের মতো ঢাকার আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় জেঁকে বসেছে তীব্র দাবদাহ। দোহার, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, সাভার ও ধামরাই এলাকায় সকাল গড়াতেই মাথার ওপর চড়তে থাকা সূর্য আর তপ্ত রোদে জনজীবন একেবারে ওষ্ঠাগত হয়ে পড়েছে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করছে সর্বস্তরের মানুষ।
তীব্র গরম ও তীব্র রোদের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে দুপুরে রাস্তাঘাটে টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রিকশাচালক, দিনমজুর ও ভ্যানচালকদের কষ্ট চরমে পৌঁছেছে।
মাঠে কর্মরত কয়েকজন দিনমজুর ও রিকশাচালকের সাথে কথা বলে জানা যায়, তীব্র গরমের কারণে তারা বেশিক্ষণ কাজ করতে পারছেন না। একটু পরিশ্রম করলেই শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ছে এবং দেখা দিচ্ছে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা। ক্লান্তি দূর করতে ও একটু স্বস্তির আশায় অনেকেই রাস্তার পাশে গাছের ছায়ায় আশ্রয় নিচ্ছেন কিংবা ক্ষণিকের জন্য ঠান্ডা শরবতের দোকানে ভিড় করছেন।
তীব্র এই গরমের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্ম ও স্থানীয় ব্যাবসা-বাণিজ্যেও। দুপুরের দিকে রোদের তীব্রতা ও তাপমাত্রা এতই বেশি থাকে যে, রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেকটাই কমে যাচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। ফলে দুপুরের দিকে স্থানীয় বাজার ও সড়কগুলোতে এক ধরনের স্থবিরতা নেমে আসছে, যা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কেই বিপাকে ফেলেছে।
স্থানীয় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এমন তীব্র গরমে হিট স্ট্রোক ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি এড়াতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে বাইরে বের হলে ছাতা ব্যবহার করা এবং প্রচুর পরিমাণে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পান করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন