উত্তরাঞ্চলের আকাশে আবারও ভেসে উঠল নতুন সম্ভাবনার রঙ। বহুদিনের প্রত্যাশা, স্বপ্ন আর অপেক্ষার সঙ্গে মিশে থাকা সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতে আশার কথা শোনালেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।
সম্প্রতি সৈয়দপুর সফরে এসে সম্ভাবনার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনার কথা সাংবাদিকদের জানান।
এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন,, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিমানবন্দর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পথে এগোবে।
মন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের হিসাব শুধু ইট-পাথর বা অবকাঠামোর নয়— এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে মানুষের স্বপ্ন, অর্থনীতির গতি আর ভবিষ্যতের পথচলা। যে বিমানবন্দর দেশের মানুষের বেশি উপকারে আসবে, যেখানে যাত্রীসেবার প্রয়োজন বেশি, সেই জায়গাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে সৈয়দপুরের রয়েছে আলাদা গুরুত্ব। শিল্প, বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং সম্ভাবনার কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়ে থাকা এই জনপদের বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক রূপ দেওয়ার বিষয়টি সরকার গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আসন্ন ঈদুল আজহার পর ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম শুরুর কথাও জানান তিনি।
সৈয়দপুরের মানুষের কাছে এই ঘোষণা কেবল একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়; এটি যেন বহুদিনের অপেক্ষার জানালায় আলো এসে পড়ার মতো। হয়তো একদিন এই রানওয়ে থেকেই উড়বে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, দূরদেশে ছড়িয়ে পড়বে উত্তরাঞ্চলের সম্ভাবনা, আর আকাশপথে যুক্ত হবে নতুন অর্থনীতি, নতুন স্বপ্ন। বিমান প্রতিমন্ত্রীর এমন ঘোষণায় সৈয়দপুরের আকাশ আর শুধু আঞ্চলিক সীমায় আটকে থাকবে না, একদিন তা ছুঁয়ে যাবে আন্তর্জাতিক দিগন্ত।
এ সময় সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহিন আকতার শাহিন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন পাপ্পুসহ দলীয় নেতাকর্মী ও মন্ত্রীর সফরসঙ্গীগণ উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
উত্তরাঞ্চলের আকাশে আবারও ভেসে উঠল নতুন সম্ভাবনার রঙ। বহুদিনের প্রত্যাশা, স্বপ্ন আর অপেক্ষার সঙ্গে মিশে থাকা সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতে আশার কথা শোনালেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।
সম্প্রতি সৈয়দপুর সফরে এসে সম্ভাবনার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনার কথা সাংবাদিকদের জানান।
এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন,, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিমানবন্দর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পথে এগোবে।
মন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের হিসাব শুধু ইট-পাথর বা অবকাঠামোর নয়— এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে মানুষের স্বপ্ন, অর্থনীতির গতি আর ভবিষ্যতের পথচলা। যে বিমানবন্দর দেশের মানুষের বেশি উপকারে আসবে, যেখানে যাত্রীসেবার প্রয়োজন বেশি, সেই জায়গাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে সৈয়দপুরের রয়েছে আলাদা গুরুত্ব। শিল্প, বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং সম্ভাবনার কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়ে থাকা এই জনপদের বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক রূপ দেওয়ার বিষয়টি সরকার গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আসন্ন ঈদুল আজহার পর ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম শুরুর কথাও জানান তিনি।
সৈয়দপুরের মানুষের কাছে এই ঘোষণা কেবল একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়; এটি যেন বহুদিনের অপেক্ষার জানালায় আলো এসে পড়ার মতো। হয়তো একদিন এই রানওয়ে থেকেই উড়বে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, দূরদেশে ছড়িয়ে পড়বে উত্তরাঞ্চলের সম্ভাবনা, আর আকাশপথে যুক্ত হবে নতুন অর্থনীতি, নতুন স্বপ্ন। বিমান প্রতিমন্ত্রীর এমন ঘোষণায় সৈয়দপুরের আকাশ আর শুধু আঞ্চলিক সীমায় আটকে থাকবে না, একদিন তা ছুঁয়ে যাবে আন্তর্জাতিক দিগন্ত।
এ সময় সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহিন আকতার শাহিন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন পাপ্পুসহ দলীয় নেতাকর্মী ও মন্ত্রীর সফরসঙ্গীগণ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন