ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

বিকাশ পেমেন্টে ইয়াবার হোম ডেলিভারি, ধংসের মুখে সীমান্ত জনপদ

বিকাশ পেমেন্টে ইয়াবার হোম ডেলিভারি, ধংসের মুখে সীমান্ত জনপদ
ইয়াবা সম্রাট সোহেল

বিকাশে টাকাসারাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অভিযান চললেও সিলেটের সীমান্তবর্তী তামাবিল এলাকায় এখনো ভয়ংকরভাবে সক্রিয় রয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ী চক্র। অভিযোগ উঠেছে, গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল গ্রামের রোবেল মিয়ার ছেলে সোহেল আহমেদ (২৫) সীমান্ত এলাকায় ইয়াবা ব্যবসার অন্যতম নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকাশে টাকা পাঠালেই সহজেই ইয়াবা সরবরাহ করা হয়। বিষয়টি যাচাই করতে গিয়ে এই প্রতিবেদক নিজেই বিকাশে পেমেন্ট করে ইয়াবা সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছেন। এতে সীমান্ত এলাকায় মাদক কারবারের ভয়াবহতা নতুন করে সামনে এসেছে।

সংবাদ প্রকাশের আগে অভিযুক্ত সোহেল আহমেদের বক্তব্য নিতে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি দেন। একইসাথে সাংবাদিককে মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে ফাঁসানোরও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এলাকাবাসীর দাবি, মোশাররফ, শাহাবুদ্দিন, হারুন, আল আমিনসহ শতাধিক ডিলার এই চক্রের হয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে। প্রতিবেদকের কাছে এসব বিষয়ে একাধিক অডিও রেকর্ড ও তথ্যপ্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছে বলেও জানা গেছে।

এ ধরনের বক্তব্যে সীমান্তপথে সংঘবদ্ধ মাদক সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সচেতন মহল বলছেন, তামাবিল স্থলবন্দর ও সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনা না করলে যুবসমাজ ভয়াবহ বিপদের মুখে পড়বে।

স্থানীয়রা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


বিকাশ পেমেন্টে ইয়াবার হোম ডেলিভারি, ধংসের মুখে সীমান্ত জনপদ

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬

featured Image

বিকাশে টাকাসারাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অভিযান চললেও সিলেটের সীমান্তবর্তী তামাবিল এলাকায় এখনো ভয়ংকরভাবে সক্রিয় রয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ী চক্র। অভিযোগ উঠেছে, গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল গ্রামের রোবেল মিয়ার ছেলে সোহেল আহমেদ (২৫) সীমান্ত এলাকায় ইয়াবা ব্যবসার অন্যতম নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করছেন।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকাশে টাকা পাঠালেই সহজেই ইয়াবা সরবরাহ করা হয়। বিষয়টি যাচাই করতে গিয়ে এই প্রতিবেদক নিজেই বিকাশে পেমেন্ট করে ইয়াবা সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছেন। এতে সীমান্ত এলাকায় মাদক কারবারের ভয়াবহতা নতুন করে সামনে এসেছে।


সংবাদ প্রকাশের আগে অভিযুক্ত সোহেল আহমেদের বক্তব্য নিতে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি দেন। একইসাথে সাংবাদিককে মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে ফাঁসানোরও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এলাকাবাসীর দাবি, মোশাররফ, শাহাবুদ্দিন, হারুন, আল আমিনসহ শতাধিক ডিলার এই চক্রের হয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে। প্রতিবেদকের কাছে এসব বিষয়ে একাধিক অডিও রেকর্ড ও তথ্যপ্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছে বলেও জানা গেছে।

এ ধরনের বক্তব্যে সীমান্তপথে সংঘবদ্ধ মাদক সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সচেতন মহল বলছেন, তামাবিল স্থলবন্দর ও সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনা না করলে যুবসমাজ ভয়াবহ বিপদের মুখে পড়বে।

স্থানীয়রা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত