নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া কৃষকদের সুদিন
ফেরাতে পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার। ‘সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প’-এর
আওতায় সুফলভোগী দুস্থ ও প্রান্তিক খামারিদের মাঝে উন্নত জাতের গবাদিপশু এবং হাঁস-মুরগি
বিতরণ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৮ মে, ২০২৬) দুপুরে ঢাকার দোহার উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর
ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশে এই সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, বৃহত্তর ঢাকা,
মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলার চরাঞ্চলের অবহেলিত
মানুষের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন ও গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করতেই এই বৃহৎ উদ্যোগ নেওয়া
হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা-১ আসনের
সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক প্রান্তিক খামারিদের উদ্দেশ্যে বলেন, "সেচ, পানি
এবং সার এর সংকটের কারণে আজকের অনেক কৃষকই বাধ্য হয়ে কৃষি কাজ থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন।
এই সংকট দূর করে সরকার সব মৌলিক সুবিধা আপনাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। আমরা
চাই না আপনারা একটিমাত্র সরকারি পশুর আশায় এখানে প্রতিদিন বসে থাকুন। এই সহায়তাকে কাজে
লাগিয়ে আপনারা নিজেরা একেকটি বড়ো খামার গড়ে তুলুন, স্বাবলম্বী হোন। সরকার আপনাদের সব
ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।"
দুপুরে আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা যখন দুস্থ
পরিবারগুলোর হাতে উন্নত জাতের গবাদিপশু ও প্রাণিসম্পদ সামগ্রী তুলে দেন, তখন পুরো উপজেলা
অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। চরাঞ্চলের সুফলভোগী কৃষকদের চোখে-মুখে
দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট কাটানোর স্বস্তি ও আনন্দের ছাপ দেখা যায়। সরকারি এই উপহারকে
পুঁজি করে তারা এখন নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন বুনছেন।
দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাইদুল
ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন সমন্বিত
প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. আব্দুর রহিম। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয়
গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা এবং চরাঞ্চল থেকে আসা বিপুল
সংখ্যক সুফলভোগী খামারি উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া কৃষকদের সুদিন
ফেরাতে পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার। ‘সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প’-এর
আওতায় সুফলভোগী দুস্থ ও প্রান্তিক খামারিদের মাঝে উন্নত জাতের গবাদিপশু এবং হাঁস-মুরগি
বিতরণ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৮ মে, ২০২৬) দুপুরে ঢাকার দোহার উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর
ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশে এই সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, বৃহত্তর ঢাকা,
মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলার চরাঞ্চলের অবহেলিত
মানুষের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন ও গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করতেই এই বৃহৎ উদ্যোগ নেওয়া
হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা-১ আসনের
সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক প্রান্তিক খামারিদের উদ্দেশ্যে বলেন, "সেচ, পানি
এবং সার এর সংকটের কারণে আজকের অনেক কৃষকই বাধ্য হয়ে কৃষি কাজ থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন।
এই সংকট দূর করে সরকার সব মৌলিক সুবিধা আপনাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। আমরা
চাই না আপনারা একটিমাত্র সরকারি পশুর আশায় এখানে প্রতিদিন বসে থাকুন। এই সহায়তাকে কাজে
লাগিয়ে আপনারা নিজেরা একেকটি বড়ো খামার গড়ে তুলুন, স্বাবলম্বী হোন। সরকার আপনাদের সব
ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।"
দুপুরে আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা যখন দুস্থ
পরিবারগুলোর হাতে উন্নত জাতের গবাদিপশু ও প্রাণিসম্পদ সামগ্রী তুলে দেন, তখন পুরো উপজেলা
অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। চরাঞ্চলের সুফলভোগী কৃষকদের চোখে-মুখে
দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট কাটানোর স্বস্তি ও আনন্দের ছাপ দেখা যায়। সরকারি এই উপহারকে
পুঁজি করে তারা এখন নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন বুনছেন।
দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাইদুল
ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন সমন্বিত
প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. আব্দুর রহিম। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয়
গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা এবং চরাঞ্চল থেকে আসা বিপুল
সংখ্যক সুফলভোগী খামারি উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন