শনিবার (১৬ মে) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মাধবপুর থানাধীন সুরমা চা বাগান এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-৯-এর সিপিসি-৩ (শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প)-এর একটি আভিযানিক দল। আটককৃতরা হলেন—সাজন মোদী (২৮), রিমন কালিন্দী (২১) এবং সুজন কালিন্দী (২৪)।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে শাহজাহানপুর ইউনিয়নের একটি চা বাগান এলাকায় কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী মাদক কেনাবেচার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের দল রাত সাড়ে ১০টার দিকে সুরমা চা বাগান গেট এলাকায় অভিযান চালায়।
র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে তিনজনকে আটক করা হয়। পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদে তারা মাদক রাখার বিষয়টি স্বীকার করে। তাদের কাছ থেকে দুটি লাল রঙের প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো অবস্থায় মোট ৫২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা পরস্পর যোগসাজশে হবিগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধ গাঁজা সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিল।
পরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাদের মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে র্যাব জানায়, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে মাদকের বিরুদ্ধে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
শনিবার (১৬ মে) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মাধবপুর থানাধীন সুরমা চা বাগান এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-৯-এর সিপিসি-৩ (শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প)-এর একটি আভিযানিক দল। আটককৃতরা হলেন—সাজন মোদী (২৮), রিমন কালিন্দী (২১) এবং সুজন কালিন্দী (২৪)।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে শাহজাহানপুর ইউনিয়নের একটি চা বাগান এলাকায় কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী মাদক কেনাবেচার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের দল রাত সাড়ে ১০টার দিকে সুরমা চা বাগান গেট এলাকায় অভিযান চালায়।
র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে তিনজনকে আটক করা হয়। পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদে তারা মাদক রাখার বিষয়টি স্বীকার করে। তাদের কাছ থেকে দুটি লাল রঙের প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো অবস্থায় মোট ৫২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা পরস্পর যোগসাজশে হবিগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধ গাঁজা সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিল।
পরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাদের মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে র্যাব জানায়, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে মাদকের বিরুদ্ধে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন