নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। একইসঙ্গে অপহৃত শিক্ষার্থীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়।
শনিবার (১৬ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১৩ রংপুরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী। গ্রেফতার ব্যক্তি সৈয়দপুর উপজেলার পশ্চিম বেলপুকুর ডাঙ্গাপাড়া এলাকার বাসিন্দা সুমন আলী (২০)।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরী সৈয়দপুর থানার শিপাইগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়-এর নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে অভিযুক্ত সুমন আলী তাকে প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও অপহরণের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্তকে সতর্ক করা হলেও তার আচরণে পরিবর্তন আসেনি। পরে গত ৭ মে পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন সহযোগীর সহায়তায় ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর স্বজনরা বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারেন, মেয়েটিকে অভিযুক্তের বাড়িতে রাখা হয়েছে। সেখানে গিয়ে তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের চলে যেতে বাধ্য করা হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।
এ ঘটনায় গত ১১ মে শিক্ষার্থীর বাবা এনামুল হক বাদী হয়ে সৈয়দপুর থানা-এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত আত্মগোপনে চলে যায়।
পরবর্তীতে র্যাব-১৩ ও র্যাব-১১-এর যৌথ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৪ মে রাতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার মদনপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় প্রধান অভিযুক্ত সুমন আলীকে আটক এবং অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থী ও গ্রেফতার ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। একইসঙ্গে অপহৃত শিক্ষার্থীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়।
শনিবার (১৬ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১৩ রংপুরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী। গ্রেফতার ব্যক্তি সৈয়দপুর উপজেলার পশ্চিম বেলপুকুর ডাঙ্গাপাড়া এলাকার বাসিন্দা সুমন আলী (২০)।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরী সৈয়দপুর থানার শিপাইগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়-এর নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে অভিযুক্ত সুমন আলী তাকে প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও অপহরণের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্তকে সতর্ক করা হলেও তার আচরণে পরিবর্তন আসেনি। পরে গত ৭ মে পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন সহযোগীর সহায়তায় ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর স্বজনরা বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারেন, মেয়েটিকে অভিযুক্তের বাড়িতে রাখা হয়েছে। সেখানে গিয়ে তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের চলে যেতে বাধ্য করা হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।
এ ঘটনায় গত ১১ মে শিক্ষার্থীর বাবা এনামুল হক বাদী হয়ে সৈয়দপুর থানা-এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত আত্মগোপনে চলে যায়।
পরবর্তীতে র্যাব-১৩ ও র্যাব-১১-এর যৌথ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৪ মে রাতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার মদনপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় প্রধান অভিযুক্ত সুমন আলীকে আটক এবং অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থী ও গ্রেফতার ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন