চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নে এক সপ্তাহের ব্যবধানে খণ্ডিত মরদেহ ও মাথার খুলি উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রায় এক কিলোমিটার দূরত্বের দুটি ভিন্ন টিলায় দেহাবশেষ পাওয়ায় ঘটনাটি ঘিরে রহস্য আরও গভীর হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে পাইন্দং ডলু আশ্রয়ণ প্রকল্পসংলগ্ন একটি টিলার খাদ থেকে মানুষের মাথার খুলি উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে গত শনিবার একই ইউনিয়নের নতুন আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার আরেকটি টিলা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে সেসময় দীর্ঘ অভিযান চালিয়েও বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের ধারণা, শুক্রবার উদ্ধার হওয়া খুলিটি আগের সেই মাথাবিহীন মরদেহের অংশ হতে পারে। নিশ্চিত হতে পুলিশ ডিএনএ পরীক্ষা ও ফরেনসিক বিশ্লেষণের ওপর জোর দিচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাইন্দং ডলু আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৬ নম্বর ঘরের বাসিন্দা শিরু আক্তার দুপুরে ছাগল খুঁজতে গিয়ে টিলার খাদে সাদা রঙের একটি বস্তু দেখতে পান। কাছে গিয়ে সেটি মানুষের মাথার খুলি বলে শনাক্ত করে আতঙ্কিত হয়ে পাশের দোকানদার আজমকে জানান।
শিরু আক্তার বলেন, “ছাগল খুঁজতে গিয়ে টিলার নিচে সাদা কিছু দেখতে পাই। কাছে গিয়ে বুঝতে পারি এটি মানুষের মাথার খুলি। ভয় পেয়ে দ্রুত সেখান থেকে চলে আসি।”
স্থানীয় দোকানদার আজম বলেন, “শিরু ভয় পেয়ে এসে আমাকে জানায়। পরে আমি সঙ্গে পুলিশকে খবর দিই।”
খবর পেয়ে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে খুলিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
ফটিকছড়ি থানার ওসি তদন্ত মো. রফিকুল ইসলাম জানান, উদ্ধার হওয়া খুলিটি কয়েকদিন আগে পাওয়া মাথাবিহীন মরদেহের অংশ হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নিশ্চিত হতে ফরেনসিক পরীক্ষা ও ডিএনএ বিশ্লেষণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে এবং বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নে এক সপ্তাহের ব্যবধানে খণ্ডিত মরদেহ ও মাথার খুলি উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রায় এক কিলোমিটার দূরত্বের দুটি ভিন্ন টিলায় দেহাবশেষ পাওয়ায় ঘটনাটি ঘিরে রহস্য আরও গভীর হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে পাইন্দং ডলু আশ্রয়ণ প্রকল্পসংলগ্ন একটি টিলার খাদ থেকে মানুষের মাথার খুলি উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে গত শনিবার একই ইউনিয়নের নতুন আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার আরেকটি টিলা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে সেসময় দীর্ঘ অভিযান চালিয়েও বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের ধারণা, শুক্রবার উদ্ধার হওয়া খুলিটি আগের সেই মাথাবিহীন মরদেহের অংশ হতে পারে। নিশ্চিত হতে পুলিশ ডিএনএ পরীক্ষা ও ফরেনসিক বিশ্লেষণের ওপর জোর দিচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাইন্দং ডলু আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৬ নম্বর ঘরের বাসিন্দা শিরু আক্তার দুপুরে ছাগল খুঁজতে গিয়ে টিলার খাদে সাদা রঙের একটি বস্তু দেখতে পান। কাছে গিয়ে সেটি মানুষের মাথার খুলি বলে শনাক্ত করে আতঙ্কিত হয়ে পাশের দোকানদার আজমকে জানান।
শিরু আক্তার বলেন, “ছাগল খুঁজতে গিয়ে টিলার নিচে সাদা কিছু দেখতে পাই। কাছে গিয়ে বুঝতে পারি এটি মানুষের মাথার খুলি। ভয় পেয়ে দ্রুত সেখান থেকে চলে আসি।”
স্থানীয় দোকানদার আজম বলেন, “শিরু ভয় পেয়ে এসে আমাকে জানায়। পরে আমি সঙ্গে পুলিশকে খবর দিই।”
খবর পেয়ে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে খুলিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
ফটিকছড়ি থানার ওসি তদন্ত মো. রফিকুল ইসলাম জানান, উদ্ধার হওয়া খুলিটি কয়েকদিন আগে পাওয়া মাথাবিহীন মরদেহের অংশ হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নিশ্চিত হতে ফরেনসিক পরীক্ষা ও ডিএনএ বিশ্লেষণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে এবং বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন