ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

ছোট বোনকে বেঁধে রেখে বড় বোনকে দলবেঁধে ধর্ষণ, ৪ জন গ্রেপ্তার

ছোট বোনকে বেঁধে রেখে বড় বোনকে দলবেঁধে ধর্ষণ, ৪ জন গ্রেপ্তার

বাড়ির কাছে পাহাড়ে বেড়াতে গিয়েছিলেন আপন চাচাতো বোন দুই স্কুলছাত্রী। এক বোনকে আটকে রেখে তার সামনেই আরেকজনকে ৭ জন মিলে দলবেঁধে ধর্ষণ করে। আক্রান্ত ওই কিশোরীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেয়ে রাতভর অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর আজ বৃহস্পতিবার পুলিশ চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার তথ্য প্রকাশ করেছে।

গ্রেপ্তার ৪ জনের মধ্যে একজন ১৫ বছর বয়সী কিশোর। বাকি তিনজন হলো, মো. রাকিব (২০), মানিক ইসলাম (২০) ও আব্দুর রহিম (১৮)। এদের মধ্যে রাকিবের বাড়ি সাতকানিয়ার বাজালিয়া ইউনিয়নে। তিনজনের বাড়ি ছদাহা ইউনিয়নে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই চাচাতো বোনের একজনের বয়স ১৬ ও আরেকজনের ১৫ বছর। তাদের বাড়ি ছদাহা ইউনিয়নে। আক্রান্ত কিশোরী স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণির এবং অপরজন অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানালেন, গতকাল সকাল ১১টার দিকে দুই বোন বাজালিয়ার মাহালিয়া এলাকায় পাহাড়ে ঘুরতে যান। সেখান থেকে দুপুর ১টার দিকে কাছেই ছদাহা পাহাড়ে মাছ-মুরগির একটি খামারে ঘুরতে যান। ওই খামারের ৭ শ্রমিক মিলে দুজনকে আটকে ফেলে।

ছোট বোনকে আটকে রেখে তার সামনেই সাতজন মিলে পালাক্রমে বড় বোনকে ধর্ষণ করে। ছোট বোনের সঙ্গেও তারা অশালীন আচরণ করে। এরপরও তারা দুজনকে পাহাড়ে আটকে রাখে। বাড়ির লোকজন স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে সন্ধ্যার দিকে পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে দুই বোনকে উদ্ধার করা হয়।

দলবদ্ধ ধর্ষণে ওই কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়েন বলেও জানালেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ‘আমরা রাতেই তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। সেখান থেকে আজ সকালে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখন সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।’

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


ছোট বোনকে বেঁধে রেখে বড় বোনকে দলবেঁধে ধর্ষণ, ৪ জন গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image

বাড়ির কাছে পাহাড়ে বেড়াতে গিয়েছিলেন আপন চাচাতো বোন দুই স্কুলছাত্রী। এক বোনকে আটকে রেখে তার সামনেই আরেকজনকে ৭ জন মিলে দলবেঁধে ধর্ষণ করে। আক্রান্ত ওই কিশোরীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেয়ে রাতভর অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর আজ বৃহস্পতিবার পুলিশ চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার তথ্য প্রকাশ করেছে।

গ্রেপ্তার ৪ জনের মধ্যে একজন ১৫ বছর বয়সী কিশোর। বাকি তিনজন হলো, মো. রাকিব (২০), মানিক ইসলাম (২০) ও আব্দুর রহিম (১৮)। এদের মধ্যে রাকিবের বাড়ি সাতকানিয়ার বাজালিয়া ইউনিয়নে। তিনজনের বাড়ি ছদাহা ইউনিয়নে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই চাচাতো বোনের একজনের বয়স ১৬ ও আরেকজনের ১৫ বছর। তাদের বাড়ি ছদাহা ইউনিয়নে। আক্রান্ত কিশোরী স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণির এবং অপরজন অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানালেন, গতকাল সকাল ১১টার দিকে দুই বোন বাজালিয়ার মাহালিয়া এলাকায় পাহাড়ে ঘুরতে যান। সেখান থেকে দুপুর ১টার দিকে কাছেই ছদাহা পাহাড়ে মাছ-মুরগির একটি খামারে ঘুরতে যান। ওই খামারের ৭ শ্রমিক মিলে দুজনকে আটকে ফেলে।

ছোট বোনকে আটকে রেখে তার সামনেই সাতজন মিলে পালাক্রমে বড় বোনকে ধর্ষণ করে। ছোট বোনের সঙ্গেও তারা অশালীন আচরণ করে। এরপরও তারা দুজনকে পাহাড়ে আটকে রাখে। বাড়ির লোকজন স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে সন্ধ্যার দিকে পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে দুই বোনকে উদ্ধার করা হয়।

দলবদ্ধ ধর্ষণে ওই কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়েন বলেও জানালেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ‘আমরা রাতেই তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। সেখান থেকে আজ সকালে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখন সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।’


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত