পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে আপত্তিকর ছবি তৈরি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে রিমন ইসলাম (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার মুসলিম নগর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১১-এর সহায়তায় কলাপাড়া থানা-পুলিশের একটি দল এই অভিযান চালায়। গ্রেপ্তার রিমন ইসলামের বাড়ি পটুয়াখালীর কলাপাড়া এলাকায়।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কলাপাড়া পৌর শহরের রহমপুর এলাকার বাসিন্দা ও পেশায় ঠিকাদার নাসির উদ্দিন মোল্লা মিন্টু গত ৬ মে রিমনসহ দুজনের বিরুদ্ধে কলাপাড়া থানায় চাঁদাবাজির মামলা করেন। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন বলেন, কিছুদিন আগে ‘কলাপাড়ার সময়’ নামের একটি ফেসবুক পেজে তাঁর নামে কুরুচিপূর্ণ স্ট্যাটাস দেওয়া হয়। পরে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এক নারীর ছবির সঙ্গে তাঁর ছবি জুড়ে দিয়ে আপত্তিকর ছবি তৈরি করা হয়। সেই ছবি ওই ফেসবুক পেজে প্রচার করে রিমন ও তাঁর সহযোগীরা।
আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাঁর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। মান-সম্মানের ভয়ে তিনি বিকাশের মাধ্যমে ধাপে ধাপে তাঁদের প্রায় এক লাখ টাকা দেন। এরপরও আরও টাকা দাবি করায় তিনি থানায় মামলা করতে বাধ্য হন।
এদিকে সোমবার সন্ধ্যায় রিমনকে কলাপাড়া থানায় নিয়ে আসা হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজিত জনতা থানার সামনে জড়ো হয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পরে পুলিশ বিচারের আশ্বাস দিলে তাঁরা এলাকা ত্যাগ করেন।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিমন এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছবি তৈরি ও চাঁদা দাবির বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাঁকে আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে আপত্তিকর ছবি তৈরি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে রিমন ইসলাম (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার মুসলিম নগর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১১-এর সহায়তায় কলাপাড়া থানা-পুলিশের একটি দল এই অভিযান চালায়। গ্রেপ্তার রিমন ইসলামের বাড়ি পটুয়াখালীর কলাপাড়া এলাকায়।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কলাপাড়া পৌর শহরের রহমপুর এলাকার বাসিন্দা ও পেশায় ঠিকাদার নাসির উদ্দিন মোল্লা মিন্টু গত ৬ মে রিমনসহ দুজনের বিরুদ্ধে কলাপাড়া থানায় চাঁদাবাজির মামলা করেন। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন বলেন, কিছুদিন আগে ‘কলাপাড়ার সময়’ নামের একটি ফেসবুক পেজে তাঁর নামে কুরুচিপূর্ণ স্ট্যাটাস দেওয়া হয়। পরে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এক নারীর ছবির সঙ্গে তাঁর ছবি জুড়ে দিয়ে আপত্তিকর ছবি তৈরি করা হয়। সেই ছবি ওই ফেসবুক পেজে প্রচার করে রিমন ও তাঁর সহযোগীরা।
আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাঁর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। মান-সম্মানের ভয়ে তিনি বিকাশের মাধ্যমে ধাপে ধাপে তাঁদের প্রায় এক লাখ টাকা দেন। এরপরও আরও টাকা দাবি করায় তিনি থানায় মামলা করতে বাধ্য হন।
এদিকে সোমবার সন্ধ্যায় রিমনকে কলাপাড়া থানায় নিয়ে আসা হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজিত জনতা থানার সামনে জড়ো হয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পরে পুলিশ বিচারের আশ্বাস দিলে তাঁরা এলাকা ত্যাগ করেন।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিমন এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছবি তৈরি ও চাঁদা দাবির বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাঁকে আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন