পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার খাজুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রবাদপ্রতিম প্রধান শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ সগীর আহম্মদ শাহাবুদ্দিন দীর্ঘ ৪০ বছরের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন শেষে অবসরে গেছেন। তাঁর এই বিদায়কে কেন্দ্র করে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে এক আবেগঘন পরিবেশ।
বুধবার (৬ মে) বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী এবং এলাকাবাসীর উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক বিশাল বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর আগে গত ৪ মে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরে পদার্পণ করেন।
আদর্শ মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে মোহাম্মদ সগীর আহম্মদ শাহাবুদ্দিন চার দশক ধরে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তাঁর হাত ধরে হাজারো শিক্ষার্থী আজ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিষ্ঠিত। এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদানকে স্থানীয়রা ‘অবিস্মরণীয়’ বলে অভিহিত করেছেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন শত শত প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানাতে এসে অনেকেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।
প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে স্যারের সততা ও নিষ্ঠার কথা স্মরণ করেন।
উপস্থিত সুধীজনরা বলেন, শাহাবুদ্দিন স্যার শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন এই অঞ্চলের শিক্ষার বাতিঘর এবং শিক্ষার্থীদের পরম অভিভাবক।
বিদায়ী বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সগীর আহম্মদ শাহাবুদ্দিন বলেন, "শিক্ষকতাই ছিল আমার ধ্যান-জ্ঞান। আজ বিদায় বেলায় এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেলাম, তা-ই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।"
তিনি শিক্ষার্থীদের আগামী দিনে দেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে তাঁর অবসরকালীন সময়ের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার খাজুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রবাদপ্রতিম প্রধান শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ সগীর আহম্মদ শাহাবুদ্দিন দীর্ঘ ৪০ বছরের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন শেষে অবসরে গেছেন। তাঁর এই বিদায়কে কেন্দ্র করে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে এক আবেগঘন পরিবেশ।
বুধবার (৬ মে) বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী এবং এলাকাবাসীর উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক বিশাল বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর আগে গত ৪ মে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরে পদার্পণ করেন।
আদর্শ মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে মোহাম্মদ সগীর আহম্মদ শাহাবুদ্দিন চার দশক ধরে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তাঁর হাত ধরে হাজারো শিক্ষার্থী আজ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিষ্ঠিত। এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদানকে স্থানীয়রা ‘অবিস্মরণীয়’ বলে অভিহিত করেছেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন শত শত প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানাতে এসে অনেকেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।
প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে স্যারের সততা ও নিষ্ঠার কথা স্মরণ করেন।
উপস্থিত সুধীজনরা বলেন, শাহাবুদ্দিন স্যার শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন এই অঞ্চলের শিক্ষার বাতিঘর এবং শিক্ষার্থীদের পরম অভিভাবক।
বিদায়ী বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সগীর আহম্মদ শাহাবুদ্দিন বলেন, "শিক্ষকতাই ছিল আমার ধ্যান-জ্ঞান। আজ বিদায় বেলায় এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেলাম, তা-ই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।"
তিনি শিক্ষার্থীদের আগামী দিনে দেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে তাঁর অবসরকালীন সময়ের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন