ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

সুনামগঞ্জে বাসের ধাক্কায় বাবা-মেয়েসহ নিহত ৫

সুনামগঞ্জে বাসের ধাক্কায় বাবা-মেয়েসহ নিহত ৫

সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের ছাতক উপজেলার জালালপুর এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জনসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (৪ মে) দুপুরে জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ৫ জন হলেন- তাহিরপুর উপজেলার তিওর জালাল গ্রামের ইউসুফ আলী, তার দুই মেয়ে নিলুফা আক্তার (৩০) ও কেয়া মনি (১৭) এবং ভাতিজি জামাই একই উপজেলার বিন্নাকুলি গ্রামের মো. শাহাব উদ্দিন। তবে নিহত সিএনজিচালকের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

নিহতদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিওর জালাল গ্রামের বাসিন্দা ও বালীজুরি ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আলী নেওয়াজ।

প্রত্যক্ষদর্শী ও হাইওয়ে পুলিশ জানায়, সিলেট থেকে যাত্রী নিয়ে সুনামগঞ্জের দিকে আসছিল রিফাত পরিবহনের একটি বাস। এ সময় সুনামগঞ্জ থেকে সিলেটগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাতে ইউসুফ আলী, তার দুই মেয়ে ও ভাতিজি জামাই যাত্রা করছিলেন। পথে জালালপুর এলাকায় পৌঁছালে বাসটি হঠাৎ লেন পরিবর্তন করে অটোরিকশাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। বাসটিও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে উল্টে যায়। এদিকে দুর্ঘটনার পরপরই বাসচালক পালিয়ে যায়।

ঘটনাস্থলেই অটোরিকশাচালক ও ইউসুফ আলীর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় নিলুফা আক্তার, কেয়া আক্তার ও মো. শাহাব উদ্দিনকে উদ্ধার করে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুজন সরকার জানান, দুর্ঘটনায় সিএনজিচালকসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুইজনের মরদেহ সুনামগঞ্জে রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


সুনামগঞ্জে বাসের ধাক্কায় বাবা-মেয়েসহ নিহত ৫

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের ছাতক উপজেলার জালালপুর এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জনসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (৪ মে) দুপুরে জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ৫ জন হলেন- তাহিরপুর উপজেলার তিওর জালাল গ্রামের ইউসুফ আলী, তার দুই মেয়ে নিলুফা আক্তার (৩০) ও কেয়া মনি (১৭) এবং ভাতিজি জামাই একই উপজেলার বিন্নাকুলি গ্রামের মো. শাহাব উদ্দিন। তবে নিহত সিএনজিচালকের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

নিহতদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিওর জালাল গ্রামের বাসিন্দা ও বালীজুরি ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আলী নেওয়াজ।

প্রত্যক্ষদর্শী ও হাইওয়ে পুলিশ জানায়, সিলেট থেকে যাত্রী নিয়ে সুনামগঞ্জের দিকে আসছিল রিফাত পরিবহনের একটি বাস। এ সময় সুনামগঞ্জ থেকে সিলেটগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাতে ইউসুফ আলী, তার দুই মেয়ে ও ভাতিজি জামাই যাত্রা করছিলেন। পথে জালালপুর এলাকায় পৌঁছালে বাসটি হঠাৎ লেন পরিবর্তন করে অটোরিকশাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। বাসটিও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে উল্টে যায়। এদিকে দুর্ঘটনার পরপরই বাসচালক পালিয়ে যায়।

ঘটনাস্থলেই অটোরিকশাচালক ও ইউসুফ আলীর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় নিলুফা আক্তার, কেয়া আক্তার ও মো. শাহাব উদ্দিনকে উদ্ধার করে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুজন সরকার জানান, দুর্ঘটনায় সিএনজিচালকসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুইজনের মরদেহ সুনামগঞ্জে রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত