রবিবার (৩ মে) সকালে ঢাকার দোহার উপজেলার কৃষি ও জনজীবনের মানোন্নয়নে পালামগঞ্জ ও নয়ানগর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ দুটি খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। ঢাকা-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই খনন কাজের উদ্বোধন করেন।
উপজেলার যে দুটি খালের খনন কাজ শুরু হয়েছে, সেগুলো হলো, পালামগঞ্জ বৌ-বাজার বালুরঘাট হয়ে হাতুরপাড়া এবং নয়ানগর হয়ে ইমামনগর পর্যন্ত।
খাল উদ্বোধন কালে খন্দকার আবু আশফাক খালের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে আবেগঘন বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, ১৯৭৯ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সারা দেশে কৃষিতে বিপ্লব ঘটানোর জন্য যে খাল খনন প্রকল্প চালু করেছিলেন, এই খালটি তারই অংশ। আমরা দোহারবাসী গর্বিত যে তাঁর পায়ের ছোঁয়া এই খালে লেগেছে এবং তিনি নিজে এটি খনন করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, এই খালটি শুধু জলপথ নয়, এটি একটি ইতিহাস। স্বাধীনতার ঘোষক ও প্রথম রাষ্ট্রপতির উদ্বোধন করা এই খালটি পুনরায় খননের সুযোগ পেয়ে আমরা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। জনজীবনের জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষির প্রসারে এই খাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বক্তৃতায় তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতির উত্তরসূরি ও বর্তমান সরকার প্রধান তারেক রহমানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র আড়াই মাসের মাথায় কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পুনরায় খাল খনন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এজন্য দোহার ও ঢাকা-১ আসনের পক্ষ থেকে তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
বক্তা আরও উল্লেখ করেন যে, গত ১৭ বছরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় এলাকায় জলাবদ্ধতা ও চাষাবাদে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল, যা এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিরসন হবে।
খাল উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে এক আলোচনা সভায় মিলিত হন। হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম উন্নত করার নির্দেশনা দিয়ে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, হাসপাতালে কোনো দালাল চক্রের স্থান হবে না। রোগীদের ভোগান্তি সৃষ্টিকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
পৃথক এই কর্মসূচিসমূহে আরও উপস্থিত ছিলেন, মোঃ মাইদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, তাসফিক সিবগাত উল্লাহ্, সহকারী কমিশনার (ভূমি), ডাঃ মোঃ রবিউল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, আবুল হাসেম বেপারী, ঢাকা জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি, মাসুদ পারভেজ, জাতীয়তাবাদী দল, দোহার উপজেলার সাধারণ সম্পাদক। এছাড়াও স্থানীয় অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
রবিবার (৩ মে) সকালে ঢাকার দোহার উপজেলার কৃষি ও জনজীবনের মানোন্নয়নে পালামগঞ্জ ও নয়ানগর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ দুটি খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। ঢাকা-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই খনন কাজের উদ্বোধন করেন।
উপজেলার যে দুটি খালের খনন কাজ শুরু হয়েছে, সেগুলো হলো, পালামগঞ্জ বৌ-বাজার বালুরঘাট হয়ে হাতুরপাড়া এবং নয়ানগর হয়ে ইমামনগর পর্যন্ত।
খাল উদ্বোধন কালে খন্দকার আবু আশফাক খালের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে আবেগঘন বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, ১৯৭৯ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সারা দেশে কৃষিতে বিপ্লব ঘটানোর জন্য যে খাল খনন প্রকল্প চালু করেছিলেন, এই খালটি তারই অংশ। আমরা দোহারবাসী গর্বিত যে তাঁর পায়ের ছোঁয়া এই খালে লেগেছে এবং তিনি নিজে এটি খনন করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, এই খালটি শুধু জলপথ নয়, এটি একটি ইতিহাস। স্বাধীনতার ঘোষক ও প্রথম রাষ্ট্রপতির উদ্বোধন করা এই খালটি পুনরায় খননের সুযোগ পেয়ে আমরা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। জনজীবনের জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষির প্রসারে এই খাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বক্তৃতায় তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতির উত্তরসূরি ও বর্তমান সরকার প্রধান তারেক রহমানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র আড়াই মাসের মাথায় কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পুনরায় খাল খনন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এজন্য দোহার ও ঢাকা-১ আসনের পক্ষ থেকে তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
বক্তা আরও উল্লেখ করেন যে, গত ১৭ বছরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় এলাকায় জলাবদ্ধতা ও চাষাবাদে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল, যা এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিরসন হবে।
খাল উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে এক আলোচনা সভায় মিলিত হন। হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম উন্নত করার নির্দেশনা দিয়ে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, হাসপাতালে কোনো দালাল চক্রের স্থান হবে না। রোগীদের ভোগান্তি সৃষ্টিকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
পৃথক এই কর্মসূচিসমূহে আরও উপস্থিত ছিলেন, মোঃ মাইদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, তাসফিক সিবগাত উল্লাহ্, সহকারী কমিশনার (ভূমি), ডাঃ মোঃ রবিউল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, আবুল হাসেম বেপারী, ঢাকা জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি, মাসুদ পারভেজ, জাতীয়তাবাদী দল, দোহার উপজেলার সাধারণ সম্পাদক। এছাড়াও স্থানীয় অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন