রাঙামাটি শহরে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২ মে ২০২৬) পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব (পিপিএম)-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দীন-এর নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি দল শহরের শান্তিনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে মাদক কারবার ও সেবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে শুভ নাথ (৩৪), মোজাহিদুল ইসলাম (২২), শিশির ইসলাম (২১) ও ফরিদ মিয়া (৪৮) নামে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজনদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে তাদের আটক করা হয় এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
কোতয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলছে, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলে শহরে মাদকের বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
রাঙামাটি শহরে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২ মে ২০২৬) পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব (পিপিএম)-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দীন-এর নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি দল শহরের শান্তিনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে মাদক কারবার ও সেবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে শুভ নাথ (৩৪), মোজাহিদুল ইসলাম (২২), শিশির ইসলাম (২১) ও ফরিদ মিয়া (৪৮) নামে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজনদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে তাদের আটক করা হয় এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
কোতয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলছে, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলে শহরে মাদকের বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন