পটুয়াখালীর মহিপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য মিনারা বেগমের বিরুদ্ধে সরকারি ভাতা দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবাদ জানান তিনি।
লিখিত বক্তব্যে মিনারা বেগম দাবি করেন, তার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার হীন উদ্দেশ্যে লিপ্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, "একটি মহল সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। প্রকাশিত সংবাদের সাথে বাস্তবতার কোনো নূন্যতম মিল নেই।"
নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে তিনি সর্বদা সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন উল্লেখ করে মিনারা বেগম বলেন, তার উন্নয়নমূলক কাজ বাধাগ্রস্ত করতেই এই অপপ্রচার। চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, যেকোনো নিরপেক্ষ তদন্তে যদি তিনি দোষী প্রমাণিত হন, তবে কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত যেকোনো শাস্তি তিনি মাথা পেতে নেবেন।
মিথ্যা সংবাদে পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মিথ্যা দিয়ে কখনো সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। আইন ও জনগণের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। এলাকাবাসীকে কোনো প্রকার বিভ্রান্তিতে না পড়ে সত্যের পক্ষে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মিনারা বেগমের প্রতি সমর্থন জানান। উপস্থিত ছিলেন আইয়ুব আকন ফিরোজ এবং সেলিম মুন্সিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।
বক্তব্য প্রদানকালে সেলিম মুন্সি বলেন, মিনারা বেগমের মতো একজন জনপ্রিয় প্রতিনিধির বিরুদ্ধে যারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে, আমরা তাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
পটুয়াখালীর মহিপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য মিনারা বেগমের বিরুদ্ধে সরকারি ভাতা দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবাদ জানান তিনি।
লিখিত বক্তব্যে মিনারা বেগম দাবি করেন, তার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার হীন উদ্দেশ্যে লিপ্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, "একটি মহল সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। প্রকাশিত সংবাদের সাথে বাস্তবতার কোনো নূন্যতম মিল নেই।"
নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে তিনি সর্বদা সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন উল্লেখ করে মিনারা বেগম বলেন, তার উন্নয়নমূলক কাজ বাধাগ্রস্ত করতেই এই অপপ্রচার। চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, যেকোনো নিরপেক্ষ তদন্তে যদি তিনি দোষী প্রমাণিত হন, তবে কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত যেকোনো শাস্তি তিনি মাথা পেতে নেবেন।
মিথ্যা সংবাদে পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মিথ্যা দিয়ে কখনো সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। আইন ও জনগণের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। এলাকাবাসীকে কোনো প্রকার বিভ্রান্তিতে না পড়ে সত্যের পক্ষে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মিনারা বেগমের প্রতি সমর্থন জানান। উপস্থিত ছিলেন আইয়ুব আকন ফিরোজ এবং সেলিম মুন্সিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।
বক্তব্য প্রদানকালে সেলিম মুন্সি বলেন, মিনারা বেগমের মতো একজন জনপ্রিয় প্রতিনিধির বিরুদ্ধে যারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে, আমরা তাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন