পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি পরিবার ও একটি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মাঝে ঢেউটিন ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।
বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কাউসার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোকসেদুল আলম।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার নীলগঞ্জ ও চাকমাইয়া ইউনিয়নের ওপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। এতে বেশ কিছু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। এর মধ্যে নীলগঞ্জ ইউনিয়নে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া চারজন গৃহহীন পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রশাসন। বসতঘরের মালিক নির্মল বিশ্বাস, বিমল বিশ্বাস, মন্নান বয়াতী ও অপূর্ব হাওলাদারের প্রত্যেককে ২ বান্ডেল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ঝড়ে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত চাকমাইয়া ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া আল-মদিনা হাফিজী মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে ১ বান্ডেল ঢেউটিন এবং স্থানীয় মরিয়ম বেগমকে দুই প্যাকেট শুকনো খাবার প্রদান করা হয়। মোট ৯ বান্ডেল ঢেউটিন (প্রতি বান্ডেলে ৮ পিস) ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউসার হামিদ বলেন, হঠাৎ ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অসহায় হয়ে পড়েছিল। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সহযোগিতায় আমরা দ্রুত তাদের আশ্রয়ের জন্য ঢেউটিন ও খাদ্যের ব্যবস্থা করেছি। দুর্গত মানুষের সহায়তায় উপজেলা প্রশাসন সব সময় তৎপর রয়েছে।
সহায়তা পেয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারানো পরিবারগুলো দ্রুত ঢেউটিন পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি পরিবার ও একটি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মাঝে ঢেউটিন ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।
বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কাউসার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোকসেদুল আলম।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার নীলগঞ্জ ও চাকমাইয়া ইউনিয়নের ওপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। এতে বেশ কিছু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। এর মধ্যে নীলগঞ্জ ইউনিয়নে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া চারজন গৃহহীন পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রশাসন। বসতঘরের মালিক নির্মল বিশ্বাস, বিমল বিশ্বাস, মন্নান বয়াতী ও অপূর্ব হাওলাদারের প্রত্যেককে ২ বান্ডেল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ঝড়ে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত চাকমাইয়া ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া আল-মদিনা হাফিজী মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে ১ বান্ডেল ঢেউটিন এবং স্থানীয় মরিয়ম বেগমকে দুই প্যাকেট শুকনো খাবার প্রদান করা হয়। মোট ৯ বান্ডেল ঢেউটিন (প্রতি বান্ডেলে ৮ পিস) ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউসার হামিদ বলেন, হঠাৎ ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অসহায় হয়ে পড়েছিল। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সহযোগিতায় আমরা দ্রুত তাদের আশ্রয়ের জন্য ঢেউটিন ও খাদ্যের ব্যবস্থা করেছি। দুর্গত মানুষের সহায়তায় উপজেলা প্রশাসন সব সময় তৎপর রয়েছে।
সহায়তা পেয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারানো পরিবারগুলো দ্রুত ঢেউটিন পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন