ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

নকলায় ১০ হাজার ৪৯৭ পরিবারের মাঝে টিসিবি পণ্য বিক্রি শুরু

নকলায় ১০ হাজার ৪৯৭ পরিবারের মাঝে টিসিবি পণ্য বিক্রি শুরু

শেরপুরের নকলা উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার দরিদ্র ও সল্প আয়ের ১০ হাজার ৪৯৭টি পরিবারের মাঝে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রম ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।

বিতরণের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে ন্যায্যমূল্যের পণ্য ক্রয়ের স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী ৯৪২টি পরিবারের মাঝে দিনব্যাপি টিসিবি’র পণ্য বিক্রি করা হয়।

এ সময় টিসিবির ডিলার মো. শহিদ মিয়া, উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল হামিদসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

টিসিবি ডিলার মো. শহিদ মিয়া জানান, বরাদ্দকৃত টিসিবি পণ্যের প্রতিটি প্যাকেটে ৫ কেজি চাল, যার বিক্রয় মূল্য ধরা হয়েছে ১৫০ টাকা; ২ লিটার সয়াবিন তেল, যার মূল্য ধরা হয়েছে ২০০ টাকা; ২ কেজি মসুর ডাল, যার মূল্য ধরা হয়েছে ১২০ টাকা ও ১ কেজি চিনির বিক্রয় মূল্য ধরা হয়েছে ৭০ টাকা। এ হিসেব মতে সুবিধাভোগী প্রতি পরিবারকে ৫৪০ টাকার বিনিময়ে টিসিবি পণ্যের একটি করে প্যাকেজ ক্রয় করতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য ক্রয় করতে পেরে দরিদ্র ও সল্প আয়ের পরিবারের লোকজন খুশি।’

১৫ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা) পণ্য চাহিদার তালিকা সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসে উপজেলার মোট ১০ হাজার ৪৯৭টি পরিবারকে ন্যায্যমূল্যে টিসিবি পণ্য ক্রয়ের সুবিধাভোগীর আওতায় আনা হয়েছে। এরমধ্যে, পৌরসভার ২,৭৭৭টি পরিবারের মাঝে ২২ ও ২৩ এপ্রিল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে বিক্রি করা হয়। ১নং গণপদ্দী ইউনিয়নের ৯৬৯টি পরিবারের মাঝে ২৬ এপ্রিল বারইকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ও ২নং নকলা ইউনিয়নের ৭৫০টি পরিবারের মাঝে ২৮ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে পণ্য বিক্রি করা হবে। ৩নং উরফা ইউনিয়নের ১,০০৬টি পরিবারের মাঝে ২৬ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে, ৪নং গৌড়দ্বার ইউনিয়নের ৬০৫টি পরিবারের মাঝে ২৮ গৌড়দ্বার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিক্রি করা হবে। ৫নং বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের ৯৪২টি পরিবারের মাঝে ২৩ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে, ৬নং পাঠাকাটা ইউনিয়নের ৭১৩টি পরিবারের মাঝে ২৩ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে, টালকী ইউনিয়নের ৯২৬টি পরিবারের মাঝে ২৬ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে, ৮নং  চরঅষ্টধর ইউনিয়নের ৯৪৭টি পরিবারের মাঝে ২৬ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে ও ৯নং চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের ৮৮২টি পরিবারের মাঝে ২৮ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে ন্যায্যমূল্যে টিসিবি পণ্য বিক্রি করার কথা রয়েছে। তবে এসব তারিখ চালের ডিও তৈরি করতে সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে দেওয়া হয়। অন্যান্য পণ্য প্রাপ্তি সাপেক্ষে সুবিধাজনক দিন তারিখে ডিলারগন পণ্য বিক্রি করেন বলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন শামীমসহ সংশ্লিষ্ট অনেকে জানান।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


নকলায় ১০ হাজার ৪৯৭ পরিবারের মাঝে টিসিবি পণ্য বিক্রি শুরু

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

শেরপুরের নকলা উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার দরিদ্র ও সল্প আয়ের ১০ হাজার ৪৯৭টি পরিবারের মাঝে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রম ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।

বিতরণের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে ন্যায্যমূল্যের পণ্য ক্রয়ের স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী ৯৪২টি পরিবারের মাঝে দিনব্যাপি টিসিবি’র পণ্য বিক্রি করা হয়।

এ সময় টিসিবির ডিলার মো. শহিদ মিয়া, উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল হামিদসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

টিসিবি ডিলার মো. শহিদ মিয়া জানান, বরাদ্দকৃত টিসিবি পণ্যের প্রতিটি প্যাকেটে ৫ কেজি চাল, যার বিক্রয় মূল্য ধরা হয়েছে ১৫০ টাকা; ২ লিটার সয়াবিন তেল, যার মূল্য ধরা হয়েছে ২০০ টাকা; ২ কেজি মসুর ডাল, যার মূল্য ধরা হয়েছে ১২০ টাকা ও ১ কেজি চিনির বিক্রয় মূল্য ধরা হয়েছে ৭০ টাকা। এ হিসেব মতে সুবিধাভোগী প্রতি পরিবারকে ৫৪০ টাকার বিনিময়ে টিসিবি পণ্যের একটি করে প্যাকেজ ক্রয় করতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য ক্রয় করতে পেরে দরিদ্র ও সল্প আয়ের পরিবারের লোকজন খুশি।’

১৫ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা) পণ্য চাহিদার তালিকা সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসে উপজেলার মোট ১০ হাজার ৪৯৭টি পরিবারকে ন্যায্যমূল্যে টিসিবি পণ্য ক্রয়ের সুবিধাভোগীর আওতায় আনা হয়েছে। এরমধ্যে, পৌরসভার ২,৭৭৭টি পরিবারের মাঝে ২২ ও ২৩ এপ্রিল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে বিক্রি করা হয়। ১নং গণপদ্দী ইউনিয়নের ৯৬৯টি পরিবারের মাঝে ২৬ এপ্রিল বারইকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ও ২নং নকলা ইউনিয়নের ৭৫০টি পরিবারের মাঝে ২৮ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে পণ্য বিক্রি করা হবে। ৩নং উরফা ইউনিয়নের ১,০০৬টি পরিবারের মাঝে ২৬ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে, ৪নং গৌড়দ্বার ইউনিয়নের ৬০৫টি পরিবারের মাঝে ২৮ গৌড়দ্বার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিক্রি করা হবে। ৫নং বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের ৯৪২টি পরিবারের মাঝে ২৩ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে, ৬নং পাঠাকাটা ইউনিয়নের ৭১৩টি পরিবারের মাঝে ২৩ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে, টালকী ইউনিয়নের ৯২৬টি পরিবারের মাঝে ২৬ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে, ৮নং  চরঅষ্টধর ইউনিয়নের ৯৪৭টি পরিবারের মাঝে ২৬ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে ও ৯নং চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের ৮৮২টি পরিবারের মাঝে ২৮ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে ন্যায্যমূল্যে টিসিবি পণ্য বিক্রি করার কথা রয়েছে। তবে এসব তারিখ চালের ডিও তৈরি করতে সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে দেওয়া হয়। অন্যান্য পণ্য প্রাপ্তি সাপেক্ষে সুবিধাজনক দিন তারিখে ডিলারগন পণ্য বিক্রি করেন বলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন শামীমসহ সংশ্লিষ্ট অনেকে জানান।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত