দেড় শতাধিক বছরের ঐতিহ্য বহনকারী সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা—যেখানে একসময় সাইরেনের তীক্ষ্ণ ধ্বনি মানেই ছিল কর্মচাঞ্চল্যের সূচনা—আজ সেই সুরের ভেতর লুকিয়ে আছে গভীর হতাশা, ভাঙনের কান্না। সাইরেন এখনও বাজে, কিন্তু কর্মরতদের আবাসন ঘিরে চলছে এক নীরব দখলযুদ্ধ, যা ধীরে ধীরে গ্রাস করছে পুরো রেলনগরীর অস্তিত্ব।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। বিশেষ করে গত ৫ আগস্টের পর একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে রেলের জমি ও আবাসিক ভবন দখলে নেমে পড়ে। ধাপে ধাপে তালিকায় যুক্ত হতে থাকে গুরুত্বপূর্ণ বাংলোগুলো—এল-২৬, এল-২৪০, ই-৩১, এল-৩৫, এল-৩৭, এল-২৪, এল-২৩, এল-১২৩, টি-১১, টি-১৪, ৫৫৯, ৫৬০, এল-১৩, এল-১১৩সহ প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের বাসভবন।
অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ের প্রায় চার একর জমির ওপর নির্মিত ৯ নং দ্বিতল বাংলো দখলে নিতে জাল স্বাক্ষরের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।
যেখানে পাকশি ভূমি কর্মকর্তার নকল অনুমোদন ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, রেলের ধোপা মাঠ, ফিদালী ক্লাব এলাকা, বিশালাকার জলাশয়, ২২ টি পানির হাউস, শহরের বানিজ্যিক এলাকা যোগসাজশে লাইসেন্স নিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ। এছাড়া সৈয়দপুর রেলের ৭৯৯. ৯৮ একর জমির মধ্যে কোথাও দখল সম্পন্ন, কোথাও চলছে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লড়াই।
এ নিয়ে প্রতিদিন সংঘর্ষ বাঁধছে। এদেরকে মদদ জোগাচ্ছে এ জনপদের সকল দলমতের নেতৃবৃন্দ ও প্রভাবশালীরা।
স্থানীয় জানান,এই দখল একদিনে হয়নি, ধীরে ধীরে হয়েছে, চোখের সামনে থেকেও আমরা টের পাইনি। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে আরও উদ্বেগজনক চিত্র। কিছু ক্ষেত্রে ‘ব্যবহারের অনুমতি’ বা সীমিত লাইসেন্সের আড়ালে দখল বৈধতার ছদ্মবেশ পেয়েছে। অথচ এসব লাইসেন্স দেওয়ার আগে রেল ভুমি অফিস সরেজমিন তদন্ত করেনি। তারা অবৈধ সুবিধা নিয়ে রেলকারখানার স্থানও লাইসেন্স অনুমোদন করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে। ফলে বৈধতা ও অবৈধতার সীমারেখা আজ প্রায় বিলীন—একটি প্রশাসনিক শূন্যতার সুযোগে দখলদাররা শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। যাচাই-বাছাই ছাড়া অনুমোদন দেওয়ার ফলে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রেলের এক কর্মকর্তা বলেন,
“এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—কোনটা বৈধ, আর কোনটা অবৈধ—আমরাই নিশ্চিত নই।
সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে রেলওয়ের আইডাব্লিউ (I/W) বিভাগ, যাদের ওপর এসব সম্পত্তির ওপর নির্মিত বাসাবাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব। কিন্তু দখলমুক্ত করতে গেলে তাদের পড়তে হচ্ছে তীব্র প্রতিরোধের মুখে।
অভিযোগ রয়েছে, উচ্ছেদ অভিযানে গেলে কর্মকর্তাদের লাঞ্ছনা, হুমকি এমনকি শারীরিক আক্রমণের শিকার হতে হচ্ছে।
উর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (ওয়ার্কস) মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা চরম অসহায় অবস্থায় আছি। উচ্ছেদে গেলে দখলকারীরা আগ্রাসী হয়ে ওঠে। অনেক জায়গায় আমরা লাঞ্ছিত হয়েছি। তিনি আরও বলেন, “নিরাপত্তা বাহিনী সঙ্গে নিলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে না—বরং তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এখন আমরা কোথায় যাব?” রেল কর্মকর্তার এ প্রশ্ন যেন পুরো ব্যবস্থার অসহায়ত্বের এক প্রতিচ্ছবি।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকেও কার্যকর সহযোগিতা মিলছে না। ফলে বাধ্য হয়ে সংশ্লিষ্টরা দুর্নীতি দমন কমিশন-এ অভিযোগ দিচ্ছেন। গত তিনবছরে অবৈধদখলদারদের বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে দুদকে। কিন্তু তাতেও দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি নেই।
এরই মধ্যে সহিংসতার ঘটনাও ঘটছে। গত ১৭ এপ্রিল গোলাহাট এলাকায় রেলের ৯৯৩-এ কোয়ার্টারে বসবাসকারী পার্বতীপুর লোকোমোটিভ কারখানার পেইন্ট শপের মিস্ত্রি শহিদুল ইসলাম ও তার পরিবার দখলবাজদের দ্বারা বেধড়ক মারধর ও লুটপাটের শিকার হন। আহত শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমি বারবার ৯৯৯-এ কল দিয়েছি। পুলিশ আসছে বললেও আসেনি। প্রায় দেড় ঘণ্টা আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিতে গেলে আবারও হামলা করা হয়। এই ঘটনার পর রেল কর্মচারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র আতঙ্ক।
সৈয়দপুর রেলকারখানার ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ একরামুল হক বলেন, এই দখলবাজদের পেছনে প্রভাবশালী শক্তি রয়েছে। তারা আগেও এমন কর্মকাণ্ড চালিয়েছে।
অন্যদিকে রেলওয়ে এমপ্লয়েজ লীগ-এর সাধারণ সম্পাদক খায়রুল বাশার বলেন, এই দখল শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, এটি রেলের প্রশাসনিক কাঠামোকে ভেঙে দিচ্ছে। আবাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে কর্মপরিবেশ নষ্ট হয়, উৎপাদনশীলতা কমে যায়, আর এর প্রভাব পড়ে পুরো স্থানীয় অর্থনীতিতে। কারণ, সৈয়দপুর শহরের একটি বড় অংশের জীবন-জীবিকা এই রেলকেন্দ্রিক অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক শাহ সুফি নুর মোহাম্মদ বলেন, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। জবরদখলকারীদের অপতৎপরতায় আমরা ধীরে ধীরে এই রেলনগরীকে হারানোর আশঙ্কায় আছি। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন? রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি কি এভাবেই দখল হতে থাকবে? নাকি সময়মতো কার্যকর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা হবে শৃঙ্খলা?
রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল, রাজশাহীর মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদের কাছে এই প্রশ্নের জবাব এখনও স্পষ্ট নয়। আর ততক্ষণে, একসময়ের গর্বের রেলনগরী সৈয়দপুর দাঁড়িয়ে আছে এক অনিশ্চিত প্রহরে। সাইরেন বাজছে, কিন্তু সেই সুরে আর জাগে না আশার আলো; বরং প্রতিধ্বনিত হচ্ছে জবরদখলকারীদের লুন্ঠনের নির্মমতা। তবে
রেল কি তার হারানো নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাবে, নাকি ইতিহাসের অন্ধকারে হারিয়ে যাবে এই নগরীর গৌরবগাথা?

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
দেড় শতাধিক বছরের ঐতিহ্য বহনকারী সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা—যেখানে একসময় সাইরেনের তীক্ষ্ণ ধ্বনি মানেই ছিল কর্মচাঞ্চল্যের সূচনা—আজ সেই সুরের ভেতর লুকিয়ে আছে গভীর হতাশা, ভাঙনের কান্না। সাইরেন এখনও বাজে, কিন্তু কর্মরতদের আবাসন ঘিরে চলছে এক নীরব দখলযুদ্ধ, যা ধীরে ধীরে গ্রাস করছে পুরো রেলনগরীর অস্তিত্ব।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। বিশেষ করে গত ৫ আগস্টের পর একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে রেলের জমি ও আবাসিক ভবন দখলে নেমে পড়ে। ধাপে ধাপে তালিকায় যুক্ত হতে থাকে গুরুত্বপূর্ণ বাংলোগুলো—এল-২৬, এল-২৪০, ই-৩১, এল-৩৫, এল-৩৭, এল-২৪, এল-২৩, এল-১২৩, টি-১১, টি-১৪, ৫৫৯, ৫৬০, এল-১৩, এল-১১৩সহ প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের বাসভবন।
অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ের প্রায় চার একর জমির ওপর নির্মিত ৯ নং দ্বিতল বাংলো দখলে নিতে জাল স্বাক্ষরের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।
যেখানে পাকশি ভূমি কর্মকর্তার নকল অনুমোদন ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, রেলের ধোপা মাঠ, ফিদালী ক্লাব এলাকা, বিশালাকার জলাশয়, ২২ টি পানির হাউস, শহরের বানিজ্যিক এলাকা যোগসাজশে লাইসেন্স নিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ। এছাড়া সৈয়দপুর রেলের ৭৯৯. ৯৮ একর জমির মধ্যে কোথাও দখল সম্পন্ন, কোথাও চলছে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লড়াই।
এ নিয়ে প্রতিদিন সংঘর্ষ বাঁধছে। এদেরকে মদদ জোগাচ্ছে এ জনপদের সকল দলমতের নেতৃবৃন্দ ও প্রভাবশালীরা।
স্থানীয় জানান,এই দখল একদিনে হয়নি, ধীরে ধীরে হয়েছে, চোখের সামনে থেকেও আমরা টের পাইনি। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে আরও উদ্বেগজনক চিত্র। কিছু ক্ষেত্রে ‘ব্যবহারের অনুমতি’ বা সীমিত লাইসেন্সের আড়ালে দখল বৈধতার ছদ্মবেশ পেয়েছে। অথচ এসব লাইসেন্স দেওয়ার আগে রেল ভুমি অফিস সরেজমিন তদন্ত করেনি। তারা অবৈধ সুবিধা নিয়ে রেলকারখানার স্থানও লাইসেন্স অনুমোদন করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে। ফলে বৈধতা ও অবৈধতার সীমারেখা আজ প্রায় বিলীন—একটি প্রশাসনিক শূন্যতার সুযোগে দখলদাররা শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। যাচাই-বাছাই ছাড়া অনুমোদন দেওয়ার ফলে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রেলের এক কর্মকর্তা বলেন,
“এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—কোনটা বৈধ, আর কোনটা অবৈধ—আমরাই নিশ্চিত নই।
সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে রেলওয়ের আইডাব্লিউ (I/W) বিভাগ, যাদের ওপর এসব সম্পত্তির ওপর নির্মিত বাসাবাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব। কিন্তু দখলমুক্ত করতে গেলে তাদের পড়তে হচ্ছে তীব্র প্রতিরোধের মুখে।
অভিযোগ রয়েছে, উচ্ছেদ অভিযানে গেলে কর্মকর্তাদের লাঞ্ছনা, হুমকি এমনকি শারীরিক আক্রমণের শিকার হতে হচ্ছে।
উর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (ওয়ার্কস) মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা চরম অসহায় অবস্থায় আছি। উচ্ছেদে গেলে দখলকারীরা আগ্রাসী হয়ে ওঠে। অনেক জায়গায় আমরা লাঞ্ছিত হয়েছি। তিনি আরও বলেন, “নিরাপত্তা বাহিনী সঙ্গে নিলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে না—বরং তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এখন আমরা কোথায় যাব?” রেল কর্মকর্তার এ প্রশ্ন যেন পুরো ব্যবস্থার অসহায়ত্বের এক প্রতিচ্ছবি।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকেও কার্যকর সহযোগিতা মিলছে না। ফলে বাধ্য হয়ে সংশ্লিষ্টরা দুর্নীতি দমন কমিশন-এ অভিযোগ দিচ্ছেন। গত তিনবছরে অবৈধদখলদারদের বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে দুদকে। কিন্তু তাতেও দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি নেই।
এরই মধ্যে সহিংসতার ঘটনাও ঘটছে। গত ১৭ এপ্রিল গোলাহাট এলাকায় রেলের ৯৯৩-এ কোয়ার্টারে বসবাসকারী পার্বতীপুর লোকোমোটিভ কারখানার পেইন্ট শপের মিস্ত্রি শহিদুল ইসলাম ও তার পরিবার দখলবাজদের দ্বারা বেধড়ক মারধর ও লুটপাটের শিকার হন। আহত শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমি বারবার ৯৯৯-এ কল দিয়েছি। পুলিশ আসছে বললেও আসেনি। প্রায় দেড় ঘণ্টা আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিতে গেলে আবারও হামলা করা হয়। এই ঘটনার পর রেল কর্মচারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র আতঙ্ক।
সৈয়দপুর রেলকারখানার ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ একরামুল হক বলেন, এই দখলবাজদের পেছনে প্রভাবশালী শক্তি রয়েছে। তারা আগেও এমন কর্মকাণ্ড চালিয়েছে।
অন্যদিকে রেলওয়ে এমপ্লয়েজ লীগ-এর সাধারণ সম্পাদক খায়রুল বাশার বলেন, এই দখল শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, এটি রেলের প্রশাসনিক কাঠামোকে ভেঙে দিচ্ছে। আবাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে কর্মপরিবেশ নষ্ট হয়, উৎপাদনশীলতা কমে যায়, আর এর প্রভাব পড়ে পুরো স্থানীয় অর্থনীতিতে। কারণ, সৈয়দপুর শহরের একটি বড় অংশের জীবন-জীবিকা এই রেলকেন্দ্রিক অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক শাহ সুফি নুর মোহাম্মদ বলেন, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। জবরদখলকারীদের অপতৎপরতায় আমরা ধীরে ধীরে এই রেলনগরীকে হারানোর আশঙ্কায় আছি। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন? রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি কি এভাবেই দখল হতে থাকবে? নাকি সময়মতো কার্যকর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা হবে শৃঙ্খলা?
রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল, রাজশাহীর মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদের কাছে এই প্রশ্নের জবাব এখনও স্পষ্ট নয়। আর ততক্ষণে, একসময়ের গর্বের রেলনগরী সৈয়দপুর দাঁড়িয়ে আছে এক অনিশ্চিত প্রহরে। সাইরেন বাজছে, কিন্তু সেই সুরে আর জাগে না আশার আলো; বরং প্রতিধ্বনিত হচ্ছে জবরদখলকারীদের লুন্ঠনের নির্মমতা। তবে
রেল কি তার হারানো নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাবে, নাকি ইতিহাসের অন্ধকারে হারিয়ে যাবে এই নগরীর গৌরবগাথা?

আপনার মতামত লিখুন