ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

পলিটেকনিক শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ড

পলিটেকনিক শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ড

ময়মনসিংহে রুমডো পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী মো. শাহীনুর আলম ইকবাল হত্যা মামলায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলার আরও দুই আসামিকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল চারটার দিকে ময়মনসিংহের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জাকির হোসেন এ রায় দেন।

মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা এবং সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুইজনকে ২৫ হাজার করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ময়মনসিংহ জেলা ও দায়রা জজ আদালত পরিদর্শক পীরজাদা মোস্তাছিনুর রহমান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন তারাকান্দা উপজেলার পলাশকান্দা টানপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. ইউনুছ আলী ওরফে ইন্নছ আলী (৬২), তার ভাই মোহাম্মদ আলী (৫২), মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলু (৫১) ও শামছুল হক (৪৪), মো. গোলাম হোসেনের ছেলে আসিফ রানা নাঈম (২৪), হাজী আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. আব্দুল হেলিম (৫১), মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. ফরিদ আহম্মেদ ওরফে বাবু (১৯)।

সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী মোছা. খালেদা আক্তার (৪৯) ও মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলুর স্ত্রী মোছা. রেহেনা খাতুন (৪৮)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৫ জুন ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের পালাশকান্দা গ্রামে একটি সেপটিক ট্যাংকের নিচ থেকে নিহত শাহীনুর আলম ইকবালের লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে ৩১ মে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে চা খাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন শাহীনুর আলম। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে শাহীনুরের লাশ উদ্ধারের পর তারাকান্দা থানায় মামলা করেন ভাই সেলিম মিয়া। পরবর্তীতে পুলিশ মামলার তদন্ত করে অভিযুক্তদের নামে চার্জশিট দেয়।

এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ শুনানি শেষে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই রায় ঘোষণা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


পলিটেকনিক শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ময়মনসিংহে রুমডো পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী মো. শাহীনুর আলম ইকবাল হত্যা মামলায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলার আরও দুই আসামিকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল চারটার দিকে ময়মনসিংহের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জাকির হোসেন এ রায় দেন।

মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা এবং সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুইজনকে ২৫ হাজার করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ময়মনসিংহ জেলা ও দায়রা জজ আদালত পরিদর্শক পীরজাদা মোস্তাছিনুর রহমান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন তারাকান্দা উপজেলার পলাশকান্দা টানপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. ইউনুছ আলী ওরফে ইন্নছ আলী (৬২), তার ভাই মোহাম্মদ আলী (৫২), মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলু (৫১) ও শামছুল হক (৪৪), মো. গোলাম হোসেনের ছেলে আসিফ রানা নাঈম (২৪), হাজী আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. আব্দুল হেলিম (৫১), মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. ফরিদ আহম্মেদ ওরফে বাবু (১৯)।

সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী মোছা. খালেদা আক্তার (৪৯) ও মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলুর স্ত্রী মোছা. রেহেনা খাতুন (৪৮)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৫ জুন ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের পালাশকান্দা গ্রামে একটি সেপটিক ট্যাংকের নিচ থেকে নিহত শাহীনুর আলম ইকবালের লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে ৩১ মে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে চা খাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন শাহীনুর আলম। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে শাহীনুরের লাশ উদ্ধারের পর তারাকান্দা থানায় মামলা করেন ভাই সেলিম মিয়া। পরবর্তীতে পুলিশ মামলার তদন্ত করে অভিযুক্তদের নামে চার্জশিট দেয়।

এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ শুনানি শেষে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই রায় ঘোষণা করেছেন।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত