নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কাশিরাম ইউনিয়নের পূর্ববেলপুকুর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ডাঙ্গাপাড়ায় মেয়ের বিয়ে নিয়ে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে শ্বশুরবাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে এ ঘটনায় নার্গিস বেগম বাদী হয়ে তার স্বামীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে সৈয়দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগে জানা যায়, একই এলাকার মোঃ গবিরের মেয়ে নার্গিস বেগমের সঙ্গে আবেদ আলীর ছেলে ওবায়দুলের বিয়ে হয় ২০০৮ সালে। দাম্পত্য জীবনে তাদের চার কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। সম্প্রতি তাদের দ্বিতীয় মেয়ে মোছাঃ রাদিয়া পাড়ার এক যুবককে ভালোবেসে বিয়ে করলে বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি বাবা ওবায়দুল। এ নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নানা সময় গালাগাল ও হুমকি দিতে থাকেন।
পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় নার্গিস বেগম তিন মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন। অভিযোগ রয়েছে, গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে ওবায়দুল তার বড় মেয়ে রিমুকে নানার বাড়ির পাশে পেয়ে মারধর করেন। এ সময় প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
পরে ক্ষিপ্ত হয়ে ওবায়দুল তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ শ্বশুরবাড়িতে হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি মারধরে নারী-পুরুষসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহত চারজনকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নার্গিস বেগম তার স্বামী ওবায়দুল (৩৫), নাঈম (২৫), হৃদয় (২০), জামিল (৩০), আবেদ আলী (৬৫), আলম (৪০) ও সমবারুসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম রেজা বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কাশিরাম ইউনিয়নের পূর্ববেলপুকুর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ডাঙ্গাপাড়ায় মেয়ের বিয়ে নিয়ে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে শ্বশুরবাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে এ ঘটনায় নার্গিস বেগম বাদী হয়ে তার স্বামীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে সৈয়দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগে জানা যায়, একই এলাকার মোঃ গবিরের মেয়ে নার্গিস বেগমের সঙ্গে আবেদ আলীর ছেলে ওবায়দুলের বিয়ে হয় ২০০৮ সালে। দাম্পত্য জীবনে তাদের চার কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। সম্প্রতি তাদের দ্বিতীয় মেয়ে মোছাঃ রাদিয়া পাড়ার এক যুবককে ভালোবেসে বিয়ে করলে বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি বাবা ওবায়দুল। এ নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নানা সময় গালাগাল ও হুমকি দিতে থাকেন।
পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় নার্গিস বেগম তিন মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন। অভিযোগ রয়েছে, গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে ওবায়দুল তার বড় মেয়ে রিমুকে নানার বাড়ির পাশে পেয়ে মারধর করেন। এ সময় প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
পরে ক্ষিপ্ত হয়ে ওবায়দুল তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ শ্বশুরবাড়িতে হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি মারধরে নারী-পুরুষসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহত চারজনকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নার্গিস বেগম তার স্বামী ওবায়দুল (৩৫), নাঈম (২৫), হৃদয় (২০), জামিল (৩০), আবেদ আলী (৬৫), আলম (৪০) ও সমবারুসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম রেজা বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন