কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটেছে। এ ঘটনায় পাকুন্দিয়া থানার ওসিসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় ও শনিবার দুপুরে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে পাকুন্দিয়া পৌর সদরের টান লক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রামের মধ্যবর্তী মাঠে অনুষ্ঠিত একটি ফুটবল ম্যাচে দুই পক্ষের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে তর্কবিতর্ক হয়। পরে তা সহিংসতায় রূপ নেয়। দু’পক্ষের উত্তেজনা চলে রাত পর্যন্ত। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে সেদিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ওই ঘটনার জেরে শনিবার সকালে আবারও দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সর্বশেষ দুপুরের দিকে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায় এবং বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সঙ্গেও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পাকুন্দিয়া থানার ওসিসহ চার পুলিশ সদস্য এবং উভয়পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হন। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পাকুন্দিয়া থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার সময় আমিসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটেছে। এ ঘটনায় পাকুন্দিয়া থানার ওসিসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় ও শনিবার দুপুরে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে পাকুন্দিয়া পৌর সদরের টান লক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রামের মধ্যবর্তী মাঠে অনুষ্ঠিত একটি ফুটবল ম্যাচে দুই পক্ষের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে তর্কবিতর্ক হয়। পরে তা সহিংসতায় রূপ নেয়। দু’পক্ষের উত্তেজনা চলে রাত পর্যন্ত। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে সেদিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ওই ঘটনার জেরে শনিবার সকালে আবারও দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সর্বশেষ দুপুরের দিকে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায় এবং বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সঙ্গেও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পাকুন্দিয়া থানার ওসিসহ চার পুলিশ সদস্য এবং উভয়পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হন। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পাকুন্দিয়া থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার সময় আমিসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন