ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

নীলফামারীতে অবৈধ তেল মজুত: আটক-৭, জরিমানা

নীলফামারীতে অবৈধ তেল মজুত: আটক-৭, জরিমানা

নীলফামারীর ‎সৈয়দপুরে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় তেল মজুত ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ৭ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

‎শনিবার (১৮এপ্রিল) গভীর রাতে শহরের বাইপাস সড়কের ধলাগাছ মোড় সংলগ্ন মেসার্স রোকেয়া এলপিজি গ্যাস ফিলিং স্টেশনের পাশের একটি গোডাউনে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

‎‎অভিযানে ৩ হাজার ৯১৭ লিটার পেট্রল, ৩৩৮ লিটার ডিজেল এবং ২৫০ লিটার অকটেনসহ মোট ৪ হাজার ৫০৫ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়।

‎আটক ব্যক্তিরা হলেন— ফিলিং স্টেশন মালিক রফিকুল ইসলাম (৩০), সিরাজগঞ্জের শাহাজাদপুরের সাগর হোসেন (৩৫), জাহাঙ্গীর আলম (৩৪), আলমিদ শেখ (২৪), ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া এলাকার মেরাজ আলী (৪০), এবং সৈয়দপুরের সিরাজ মিয়া (২৫) ও মঈন উদ্দিন (৪৮)।

‎অভিযান শেষে রাত ২টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাব্বির হোসেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী রফিকুল ইসলামকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া অপর ছয়জনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে ৩ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

‎পরে জব্দ করা তেল ভোরে একটি ফিলিং স্টেশনে পরিমাপ শেষে সরকারি মূল্যে ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৪০৭ টাকায় বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়।

‎ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ১০টার দিকে পুলিশসহ উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালায়। অভিযানের সময় দেখা যায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে কাভার্ড ভ্যান, তেলের লরি, বড় ড্রাম এমনকি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করে গোপনে তেল মজুত করে আসছিল।

‎অভিযোগ রয়েছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এসব তেল অধিক দামে বিক্রি করা হচ্ছিল। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছিল, যখন ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছিল।

‎নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন বলেন, পরিকল্পিতভাবে অস্থায়ী গুদাম তৈরি করে তেল মজুত ও সরবরাহের একটি চক্র গড়ে তোলা হয়েছিল। এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

‎

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


নীলফামারীতে অবৈধ তেল মজুত: আটক-৭, জরিমানা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নীলফামারীর ‎সৈয়দপুরে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় তেল মজুত ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ৭ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

‎শনিবার (১৮এপ্রিল) গভীর রাতে শহরের বাইপাস সড়কের ধলাগাছ মোড় সংলগ্ন মেসার্স রোকেয়া এলপিজি গ্যাস ফিলিং স্টেশনের পাশের একটি গোডাউনে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

‎‎অভিযানে ৩ হাজার ৯১৭ লিটার পেট্রল, ৩৩৮ লিটার ডিজেল এবং ২৫০ লিটার অকটেনসহ মোট ৪ হাজার ৫০৫ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়।

‎আটক ব্যক্তিরা হলেন— ফিলিং স্টেশন মালিক রফিকুল ইসলাম (৩০), সিরাজগঞ্জের শাহাজাদপুরের সাগর হোসেন (৩৫), জাহাঙ্গীর আলম (৩৪), আলমিদ শেখ (২৪), ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া এলাকার মেরাজ আলী (৪০), এবং সৈয়দপুরের সিরাজ মিয়া (২৫) ও মঈন উদ্দিন (৪৮)।

‎অভিযান শেষে রাত ২টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাব্বির হোসেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী রফিকুল ইসলামকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া অপর ছয়জনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে ৩ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

‎পরে জব্দ করা তেল ভোরে একটি ফিলিং স্টেশনে পরিমাপ শেষে সরকারি মূল্যে ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৪০৭ টাকায় বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়।

‎ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ১০টার দিকে পুলিশসহ উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালায়। অভিযানের সময় দেখা যায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে কাভার্ড ভ্যান, তেলের লরি, বড় ড্রাম এমনকি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করে গোপনে তেল মজুত করে আসছিল।

‎অভিযোগ রয়েছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এসব তেল অধিক দামে বিক্রি করা হচ্ছিল। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছিল, যখন ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছিল।

‎নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন বলেন, পরিকল্পিতভাবে অস্থায়ী গুদাম তৈরি করে তেল মজুত ও সরবরাহের একটি চক্র গড়ে তোলা হয়েছিল। এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

‎


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত