বাঘারপাড়া উপজেলায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন ও বিক্রির দায়ে দুই ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করে আসছিল, যা কৃষিজমি ও পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে দোহাকুলা ইউনিয়নের খলশী বড় পুকুর এলাকায় অবৈধ মাটি উত্তোলনের সত্যতা পাওয়া যায়। এ অপরাধে বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫ ধারায় বায়েজিদ হোসেন ও আবুল কাশেসকে দোষী সাব্যস্ত করে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভুপালী সরকার। তিনি বলেন, অবৈধভাবে মাটি কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে, প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহল এবং অবৈধ মাটি ব্যবসা বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
বাঘারপাড়া উপজেলায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন ও বিক্রির দায়ে দুই ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করে আসছিল, যা কৃষিজমি ও পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে দোহাকুলা ইউনিয়নের খলশী বড় পুকুর এলাকায় অবৈধ মাটি উত্তোলনের সত্যতা পাওয়া যায়। এ অপরাধে বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫ ধারায় বায়েজিদ হোসেন ও আবুল কাশেসকে দোষী সাব্যস্ত করে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভুপালী সরকার। তিনি বলেন, অবৈধভাবে মাটি কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে, প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহল এবং অবৈধ মাটি ব্যবসা বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন