ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

৫ বছরে পৌনে ৩ কোটি কৃষক কার্ড দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

৫ বছরে পৌনে ৩ কোটি কৃষক কার্ড দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রাথমিকভাবে ২২ হাজার কৃষক পাচ্ছেন কৃষক কার্ড। আগামী ৫ বছরে পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে এ কার্ড দেওয়া হবে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষিনির্ভর এলাকায় কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত কলকারখানা গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে কৃষকরা আরও দাম পেতে পারেন। কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গতকাল বসেছি। বিভিন্ন দেশ এবং দেশীয় ব্যবসায়ীরা কোল্ডস্টরেজ তৈরিতে আগ্রহী। এ বিষয়ে সরকার উদ্যোগী।

তিনি বলেন, এখন দেশ পুনর্গঠনের সময়। এই সরকার জনগণের সরকার। লক্ষ্য দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন, দেশের উন্নয়ন। সবাই নিজের দেশকে ভালো দেখতে চায়। আমরা সেই লক্ষ্য অর্জন করতে চাই। এর জন্য জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এর আগে সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। টাঙ্গাইলে পৌঁছে সকাল ১০টায় মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করার কথা ছিল তার। কিন্তু পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় সরাসরি সমাবেশস্থল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে যান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন সোমবার জানান, বিজয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী তার ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো একে একে বাস্তবায়ন করছেন। এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কৃষকদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করা।

তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় এ কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে প্রায় ৩০ লাখ কৃষককে এ বিশেষ কার্ডের আওতায় আনা হবে।

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, কৃষক কার্ড বিতরণ তিন ধাপে বাস্তবায়িত হবে। এগুলো হলো প্রাক পাইলটিং (পরীক্ষামূলক), পাইলটিং ও দেশব্যাপী কার্যক্রম।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


৫ বছরে পৌনে ৩ কোটি কৃষক কার্ড দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রাথমিকভাবে ২২ হাজার কৃষক পাচ্ছেন কৃষক কার্ড। আগামী ৫ বছরে পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে এ কার্ড দেওয়া হবে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষিনির্ভর এলাকায় কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত কলকারখানা গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে কৃষকরা আরও দাম পেতে পারেন। কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গতকাল বসেছি। বিভিন্ন দেশ এবং দেশীয় ব্যবসায়ীরা কোল্ডস্টরেজ তৈরিতে আগ্রহী। এ বিষয়ে সরকার উদ্যোগী।

তিনি বলেন, এখন দেশ পুনর্গঠনের সময়। এই সরকার জনগণের সরকার। লক্ষ্য দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন, দেশের উন্নয়ন। সবাই নিজের দেশকে ভালো দেখতে চায়। আমরা সেই লক্ষ্য অর্জন করতে চাই। এর জন্য জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এর আগে সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। টাঙ্গাইলে পৌঁছে সকাল ১০টায় মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করার কথা ছিল তার। কিন্তু পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় সরাসরি সমাবেশস্থল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে যান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন সোমবার জানান, বিজয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী তার ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো একে একে বাস্তবায়ন করছেন। এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কৃষকদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করা।

তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় এ কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে প্রায় ৩০ লাখ কৃষককে এ বিশেষ কার্ডের আওতায় আনা হবে।

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, কৃষক কার্ড বিতরণ তিন ধাপে বাস্তবায়িত হবে। এগুলো হলো প্রাক পাইলটিং (পরীক্ষামূলক), পাইলটিং ও দেশব্যাপী কার্যক্রম।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত