নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণ জলাভূমি, খাল ও ড্রেন পরিষ্কার এবং পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার দুপুরে একটি এনজিও, ব্যাংক ও পৌরসভার যৌথ উদ্যগে শহরেের ১১ নং ওয়াডের কলিম মোড় সংলগ্ন পৌরসভার একটি মাস্টার ড্রেনে পরিস্কারের মাধ্যমে ওই কর্মসূচির উদ্বোধন হয়। নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।
এ সনয় এমপি হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম বলেন, পরিকল্পিতভাবে জলাধার ও খাল সংরক্ষণ না করলে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদের জন্যও অনুকরণীয় হতে পারে।
ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আদনান হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, নাগরিক সচেতনতা ছাড়া এ ধরনের উদ্যোগ দীর্ঘস্থায়ী হবে না। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠানে সৈয়দপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন আকতার, শহর জামায়াতে ইসলামীর আমীর শরফুদ্দিন খান, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শফিকুল ইসলাম, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলতাফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
আয়োজকরা জানান, এটি কেবল একটি পরিচ্ছন্নতা অভিযান নয়; বরং শহরের পরিবেশগত ভারসাম্য পুনরুদ্ধার এবং টেকসই নগর ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
সংগঠনের সদস্য খালিদ আযমের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরজুড়ে এক হাজার বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করা হয়। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ধাপে ধাপে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাল, ড্রেন ও জলাভূমি পরিষ্কার এবং পুনরুদ্ধারের কাজ চালানো হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সৈয়দপুর শহরের জলাবদ্ধতা সমস্যা কমে আসবে এবং একই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শহরের সবুজায়ন বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
পরিবেশবিদদের মতে, নগর উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বিকল্প নেই। তাই এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিত ও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে তা দেশের অন্যান্য শহরের জন্যও একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণ জলাভূমি, খাল ও ড্রেন পরিষ্কার এবং পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার দুপুরে একটি এনজিও, ব্যাংক ও পৌরসভার যৌথ উদ্যগে শহরেের ১১ নং ওয়াডের কলিম মোড় সংলগ্ন পৌরসভার একটি মাস্টার ড্রেনে পরিস্কারের মাধ্যমে ওই কর্মসূচির উদ্বোধন হয়। নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।
এ সনয় এমপি হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম বলেন, পরিকল্পিতভাবে জলাধার ও খাল সংরক্ষণ না করলে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদের জন্যও অনুকরণীয় হতে পারে।
ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আদনান হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, নাগরিক সচেতনতা ছাড়া এ ধরনের উদ্যোগ দীর্ঘস্থায়ী হবে না। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠানে সৈয়দপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন আকতার, শহর জামায়াতে ইসলামীর আমীর শরফুদ্দিন খান, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শফিকুল ইসলাম, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলতাফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
আয়োজকরা জানান, এটি কেবল একটি পরিচ্ছন্নতা অভিযান নয়; বরং শহরের পরিবেশগত ভারসাম্য পুনরুদ্ধার এবং টেকসই নগর ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
সংগঠনের সদস্য খালিদ আযমের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরজুড়ে এক হাজার বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করা হয়। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ধাপে ধাপে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাল, ড্রেন ও জলাভূমি পরিষ্কার এবং পুনরুদ্ধারের কাজ চালানো হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সৈয়দপুর শহরের জলাবদ্ধতা সমস্যা কমে আসবে এবং একই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শহরের সবুজায়ন বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
পরিবেশবিদদের মতে, নগর উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বিকল্প নেই। তাই এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিত ও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে তা দেশের অন্যান্য শহরের জন্যও একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন