মানিকগঞ্জের শিবালয়ে জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ¦ আব্দুর রহিম খানের মালিকানাধীন মেসার্স রুমি ফিলিং স্টেশনের নামে আসা সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল উপজেলার টেপড়া বাজারে মেসার্স মামুন এন্টারপ্রাইজ নামীয় তেলের দোকানে নামানোর সময় একটি গোয়েন্দা সংস্থার নিকট হাতেনাতে সেই পেট্রোল ধরা পড়ে।
এ ঘটনা শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বুধবার দিবাগত রাতে অবহিত করলে বৃহস্পতিবার সকালে তিনি শিবালয় থানার ওসিকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন এবং পুলিশ সাড়ে ৪ হাজার লিটার প্রেট্রোল এবং তেল বহণকারী লরিটি জব্দ করেন।
ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার বাবুল হোসেন এবং তেল ব্যবসায়ী মামুন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলে দু’জনের বিরুদ্ধেই বিশেষ আইনে মামলা নেয়ার জন্য শিবালয় থানার ওসিকে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিষা রানী কর্মকার অভিযান চালিয়ে রুমী ফিলিং অ্যান্ড সিএনজি স্টেশনের ম্যানেজার এসএম বাবুল হোসেন (৫০) এবং ডিজেল ডিলার মামুন প্রধানকে (৪২) আটক করে শিবালয় থানায় সোপর্দ করেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) মানিকগঞ্জ জেলা কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতে পেরে অভিযান চালান। এ সময় পেট্রোল পরিবহনে ব্যবহৃত একটি লরি জব্দ করা হয় এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়।
এ ঘটনায় খবর পেয়ে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিষা রানী কর্মকার ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পান এবং ঘটনার সাথে জড়িত দোকানদার ও পাম্পের ম্যানেজারকে আটক করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণে নির্দেশ দেন পুলিশকে।
শিবালয় উপজেলা পরিষদের বিপরীতে টেপড়া এলাকায় অবস্থিত যমুনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের ডিলার মামুন এন্টারপ্রাইজে পেট্রোলবাহী লরি (ঢাকা মেট্রো-চ ৪১-০০৩৫) থেকে পেট্রোল খালাস করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এনএসআই সদস্যরা সেখানে গিয়ে হাতেনাতে পেট্রোল খালাসের প্রমাণ পান। এসময় গোয়েন্দা উপস্থিতি টের পেয়ে লরিটি দ্রুত সটকে পড়ে পুনরায় রুমি ফিলিং স্টেশনে ফিরে যায়। পরে সেখান থেকেই লরিটি আটক করা হয়।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জ ডিপো থেকে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার লিটার জ্বালানি নিয়ে লরিটি ওই দিন সন্ধ্যায় পাম্পে পৌঁছায়।এর মধ্যে ৯ হাজার লিটার ডিজেল পাম্পে খালাস করা হলেও বাকি সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল গোপনে অন্যত্র টেপড়া মামুনের দোকানে নেয়া হয়।
এব্যাপারে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানিষা রাণী কর্মকার বলেন, পাম্পের ম্যানেজার এবং দোকানদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করায় তাদের দু’জনকে আটক করে সাড়ে ৪হাজার লিটার পেট্রোল ও জ¦ালানি বহনকারী লরিটিকে জব্দসহ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে থানা পুলিশকে।
শিবালয় থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মানির হোসেন বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল ও জ্বালানি বহণকারি লরিটি জব্দ করা হয়েছে এবং পাম্পের ম্যানেজার ও দোকানদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
মানিকগঞ্জের শিবালয়ে জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ¦ আব্দুর রহিম খানের মালিকানাধীন মেসার্স রুমি ফিলিং স্টেশনের নামে আসা সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল উপজেলার টেপড়া বাজারে মেসার্স মামুন এন্টারপ্রাইজ নামীয় তেলের দোকানে নামানোর সময় একটি গোয়েন্দা সংস্থার নিকট হাতেনাতে সেই পেট্রোল ধরা পড়ে।
এ ঘটনা শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বুধবার দিবাগত রাতে অবহিত করলে বৃহস্পতিবার সকালে তিনি শিবালয় থানার ওসিকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন এবং পুলিশ সাড়ে ৪ হাজার লিটার প্রেট্রোল এবং তেল বহণকারী লরিটি জব্দ করেন।
ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার বাবুল হোসেন এবং তেল ব্যবসায়ী মামুন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলে দু’জনের বিরুদ্ধেই বিশেষ আইনে মামলা নেয়ার জন্য শিবালয় থানার ওসিকে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিষা রানী কর্মকার অভিযান চালিয়ে রুমী ফিলিং অ্যান্ড সিএনজি স্টেশনের ম্যানেজার এসএম বাবুল হোসেন (৫০) এবং ডিজেল ডিলার মামুন প্রধানকে (৪২) আটক করে শিবালয় থানায় সোপর্দ করেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) মানিকগঞ্জ জেলা কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতে পেরে অভিযান চালান। এ সময় পেট্রোল পরিবহনে ব্যবহৃত একটি লরি জব্দ করা হয় এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়।
এ ঘটনায় খবর পেয়ে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিষা রানী কর্মকার ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পান এবং ঘটনার সাথে জড়িত দোকানদার ও পাম্পের ম্যানেজারকে আটক করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণে নির্দেশ দেন পুলিশকে।
শিবালয় উপজেলা পরিষদের বিপরীতে টেপড়া এলাকায় অবস্থিত যমুনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের ডিলার মামুন এন্টারপ্রাইজে পেট্রোলবাহী লরি (ঢাকা মেট্রো-চ ৪১-০০৩৫) থেকে পেট্রোল খালাস করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এনএসআই সদস্যরা সেখানে গিয়ে হাতেনাতে পেট্রোল খালাসের প্রমাণ পান। এসময় গোয়েন্দা উপস্থিতি টের পেয়ে লরিটি দ্রুত সটকে পড়ে পুনরায় রুমি ফিলিং স্টেশনে ফিরে যায়। পরে সেখান থেকেই লরিটি আটক করা হয়।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জ ডিপো থেকে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার লিটার জ্বালানি নিয়ে লরিটি ওই দিন সন্ধ্যায় পাম্পে পৌঁছায়।এর মধ্যে ৯ হাজার লিটার ডিজেল পাম্পে খালাস করা হলেও বাকি সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল গোপনে অন্যত্র টেপড়া মামুনের দোকানে নেয়া হয়।
এব্যাপারে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানিষা রাণী কর্মকার বলেন, পাম্পের ম্যানেজার এবং দোকানদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করায় তাদের দু’জনকে আটক করে সাড়ে ৪হাজার লিটার পেট্রোল ও জ¦ালানি বহনকারী লরিটিকে জব্দসহ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে থানা পুলিশকে।
শিবালয় থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মানির হোসেন বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল ও জ্বালানি বহণকারি লরিটি জব্দ করা হয়েছে এবং পাম্পের ম্যানেজার ও দোকানদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন