ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

কুমিল্লার আধুনিক শিশু হাসপাতাল প্রস্তুত হলেও দায়িত্বের ঠেলাঠেলিতে অচল

কুমিল্লার আধুনিক শিশু হাসপাতাল প্রস্তুত হলেও দায়িত্বের ঠেলাঠেলিতে অচল
কুমিল্লায় আধুনিক শিশু হাসপাতাল প্রস্তুত দায়িত্বের ঠেলাঠেলিতে অচল

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বেলতলীতে নির্মিত ১০০ শয্যা বিশিষ্ট শিশু হাসপাতালটি পুরোপুরি প্রস্তুত থাকলেও দেড় বছরের বেশি সময় ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। হাসপাতাল ভবনটি চকচকে ও আধুনিক হলেও নেই চিকিৎসক, নার্স, আসবাবপত্র এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম জানান, ২০২০ সালে ৩৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তিন একর জমির উপর নির্মিত হয় তিনতলা হাসপাতাল ভবন, ছয়তলা ও তিনতলা দুটি কোয়ার্টার এবং দুইতলা গ্যারেজ। ২০২৪ সালে কাজ শেষ হলেও দায়িত্ব গ্রহণে বিলম্বের কারণে হাসপাতালটি চালু হয়নি।

প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা দেড় বছর আগেই হাসপাতালটি হস্তান্তর করতে চেয়েছি। কিন্তু পরিচালনার দায়িত্ব কে নেবে—কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নাকি কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়—এই ঠেলাঠেলিতে হাসপাতালটি ব্যবহার উপযোগী হয়নি।

কুমিল্লা সিভিল সার্জন আলী নূর মোহাম্মদ বশির আহমেদ জানান, হাসপাতালটির দায়িত্ব তাদের কার্যালয়কে দেয়া হয়েছে। জনবল নিয়োগ ও যন্ত্রপাতি বরাদ্দের জন্য মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা গেলে দ্রুত হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হবে।

স্থানীয়রা বলছেন, হামসহ শিশুদের সংক্রামক রোগের চিকিৎসায় বিশেষায়িত এই হাসপাতালটি চালু হলে কুমিল্লা ও আশেপাশের জেলার শিশু রোগীরা উন্নত চিকিৎসা পেত। বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শয্যা সংকটে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


কুমিল্লার আধুনিক শিশু হাসপাতাল প্রস্তুত হলেও দায়িত্বের ঠেলাঠেলিতে অচল

প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বেলতলীতে নির্মিত ১০০ শয্যা বিশিষ্ট শিশু হাসপাতালটি পুরোপুরি প্রস্তুত থাকলেও দেড় বছরের বেশি সময় ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। হাসপাতাল ভবনটি চকচকে ও আধুনিক হলেও নেই চিকিৎসক, নার্স, আসবাবপত্র এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি।


স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম জানান, ২০২০ সালে ৩৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তিন একর জমির উপর নির্মিত হয় তিনতলা হাসপাতাল ভবন, ছয়তলা ও তিনতলা দুটি কোয়ার্টার এবং দুইতলা গ্যারেজ। ২০২৪ সালে কাজ শেষ হলেও দায়িত্ব গ্রহণে বিলম্বের কারণে হাসপাতালটি চালু হয়নি।


প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা দেড় বছর আগেই হাসপাতালটি হস্তান্তর করতে চেয়েছি। কিন্তু পরিচালনার দায়িত্ব কে নেবে—কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নাকি কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়—এই ঠেলাঠেলিতে হাসপাতালটি ব্যবহার উপযোগী হয়নি।


কুমিল্লা সিভিল সার্জন আলী নূর মোহাম্মদ বশির আহমেদ জানান, হাসপাতালটির দায়িত্ব তাদের কার্যালয়কে দেয়া হয়েছে। জনবল নিয়োগ ও যন্ত্রপাতি বরাদ্দের জন্য মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা গেলে দ্রুত হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হবে।


স্থানীয়রা বলছেন, হামসহ শিশুদের সংক্রামক রোগের চিকিৎসায় বিশেষায়িত এই হাসপাতালটি চালু হলে কুমিল্লা ও আশেপাশের জেলার শিশু রোগীরা উন্নত চিকিৎসা পেত। বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শয্যা সংকটে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত