ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

সারাদেশ

বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি মিছিলে হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স

বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি মিছিলে হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনের আগে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের একটি নির্বাচনি মিছিল ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

গত সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়া শহরের ২৫০ শয্যার মোহাম্মাদ আলী হাসপাতাল চত্বর থেকে ‘জাতীয়তাবাদী ডাক্তার, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারী’ ব্যানারে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি হাসপাতাল চত্বর থেকে বের হয়ে শেরপুর রোড হয়ে শহরের সাতমাথা ঘুরে আবার হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিএনপি প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশার পক্ষে স্লোগান দেওয়া হয়।

মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের কয়েকজন চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীর নাম প্রকাশ্যে এসেছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা কীভাবে প্রকাশ্যে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নার্স বলেন, ‘কিছু অতি উৎসাহী ব্যক্তি বদলি বা চাকরিচ্যুতির ভয় দেখিয়ে আমাদের মিছিলে যেতে বাধ্য করেছেন।’ তার এ অভিযোগ ঘটনাটিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে।

এ ঘটনার পর মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জারি করা এক চিঠিতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, ২০১৮ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্বাচনের সময় কোনো প্রার্থী বা দলের পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

চিঠিতে বগুড়ার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম স্বাক্ষর করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে বগুড়ার সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ আলম বলেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন না। যদি এরকম করে থাকে তদন্ত করে তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র: এশিয়া পোস্ট 

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি মিছিলে হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনের আগে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের একটি নির্বাচনি মিছিল ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

গত সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়া শহরের ২৫০ শয্যার মোহাম্মাদ আলী হাসপাতাল চত্বর থেকে ‘জাতীয়তাবাদী ডাক্তার, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারী’ ব্যানারে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি হাসপাতাল চত্বর থেকে বের হয়ে শেরপুর রোড হয়ে শহরের সাতমাথা ঘুরে আবার হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিএনপি প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশার পক্ষে স্লোগান দেওয়া হয়।

মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের কয়েকজন চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীর নাম প্রকাশ্যে এসেছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা কীভাবে প্রকাশ্যে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নার্স বলেন, ‘কিছু অতি উৎসাহী ব্যক্তি বদলি বা চাকরিচ্যুতির ভয় দেখিয়ে আমাদের মিছিলে যেতে বাধ্য করেছেন।’ তার এ অভিযোগ ঘটনাটিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে।

এ ঘটনার পর মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জারি করা এক চিঠিতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, ২০১৮ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্বাচনের সময় কোনো প্রার্থী বা দলের পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

চিঠিতে বগুড়ার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম স্বাক্ষর করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে বগুড়ার সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ আলম বলেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন না। যদি এরকম করে থাকে তদন্ত করে তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র: এশিয়া পোস্ট 


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত