দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর মাঠজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সবুজ ফসল যেন কিছু বুঝে ওঠার আগেই আছড়ে পড়লো শিলার নির্মম আঘাতে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া আর শিলাবৃষ্টির তাণ্ডবে মুহূর্তেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় মাঠের পর মাঠ। মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকা ভুট্টা গাছগুলো দমকা ঝড়ো নাতাসে মাটিতে নুয়ে পড়ে, কোথাও বা সম্পূর্ণ ভেঙে যায়। পেঁয়াজের ক্ষেত হয় ক্ষতবিক্ষত। বোরো ধানের শীষে লাগে শিলার আঘাত, আর বাগানের অপরিপক্ক কাচা লিচু ঝরে পড়ে।
জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার অন্তত সাতটি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে এই ঝরো বাতাস বয়ে যায়। কৃষকেরা অসহায়ের মতো তাকিয়ে দেখেছেন তাদের মাসের পর মাসের পরিশ্রমের এমন পরিণতি। মাঠজুড়ে পড়ে থাকা ভাঙা গাছ আর ঝরে পড়া ফল যেন তাদের বুকের ভেতরের ভাঙনেরই প্রতিচ্ছবি।
কৃষক আবুল হোসেন বলেন, হঠাৎ ঝড় আর শিলা পড়লো, আমাদের ভুট্টা ও গাছ পড়ে গেছে, এখন কী করবো বুঝতে পারছি না। পুরো এলাকার কৃষকদের একই অবস্থা। সবার মধ্যে শুধু হাহাকার।
এই দুর্যোগ শুধু ফসলের ক্ষতি নয়; এটি গ্রামীণ জীবনের অর্থনৈতিক চক্রে এক বড় ধাক্কা। ঋণের বোঝা, সংসারের খরচ আর আগামীর চিন্তা—সব মিলিয়ে কৃষকেরা এখন গভীর অনিশ্চয়তায়।
কৃষি বিভাগ জানায়, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই প্রতিশ্রুতির দিকেই তাকিয়ে আছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা।
চৈত্র মাসের চিরচেনা তাপদাহের বদলে ঝড়ো হাওয়া ও শিলা বৃষ্টি ছিল বাংলার ষড়ঋতুময় প্রকৃতির এক এমন আবহাওয়া। ছিল একেবারেই অচেনা।
এতে ক্ষতি হলেও ধ্বংসস্তূপের মাঝেই নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি খুজছে এই মানুষগুলো।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর মাঠজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সবুজ ফসল যেন কিছু বুঝে ওঠার আগেই আছড়ে পড়লো শিলার নির্মম আঘাতে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া আর শিলাবৃষ্টির তাণ্ডবে মুহূর্তেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় মাঠের পর মাঠ। মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকা ভুট্টা গাছগুলো দমকা ঝড়ো নাতাসে মাটিতে নুয়ে পড়ে, কোথাও বা সম্পূর্ণ ভেঙে যায়। পেঁয়াজের ক্ষেত হয় ক্ষতবিক্ষত। বোরো ধানের শীষে লাগে শিলার আঘাত, আর বাগানের অপরিপক্ক কাচা লিচু ঝরে পড়ে।
জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার অন্তত সাতটি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে এই ঝরো বাতাস বয়ে যায়। কৃষকেরা অসহায়ের মতো তাকিয়ে দেখেছেন তাদের মাসের পর মাসের পরিশ্রমের এমন পরিণতি। মাঠজুড়ে পড়ে থাকা ভাঙা গাছ আর ঝরে পড়া ফল যেন তাদের বুকের ভেতরের ভাঙনেরই প্রতিচ্ছবি।
কৃষক আবুল হোসেন বলেন, হঠাৎ ঝড় আর শিলা পড়লো, আমাদের ভুট্টা ও গাছ পড়ে গেছে, এখন কী করবো বুঝতে পারছি না। পুরো এলাকার কৃষকদের একই অবস্থা। সবার মধ্যে শুধু হাহাকার।
এই দুর্যোগ শুধু ফসলের ক্ষতি নয়; এটি গ্রামীণ জীবনের অর্থনৈতিক চক্রে এক বড় ধাক্কা। ঋণের বোঝা, সংসারের খরচ আর আগামীর চিন্তা—সব মিলিয়ে কৃষকেরা এখন গভীর অনিশ্চয়তায়।
কৃষি বিভাগ জানায়, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই প্রতিশ্রুতির দিকেই তাকিয়ে আছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা।
চৈত্র মাসের চিরচেনা তাপদাহের বদলে ঝড়ো হাওয়া ও শিলা বৃষ্টি ছিল বাংলার ষড়ঋতুময় প্রকৃতির এক এমন আবহাওয়া। ছিল একেবারেই অচেনা।
এতে ক্ষতি হলেও ধ্বংসস্তূপের মাঝেই নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি খুজছে এই মানুষগুলো।

আপনার মতামত লিখুন