নীলফামারীতে নতুন করে দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিশুদের মধ্যে হামের উপসর্গ। জ্বর, কাশি ও শরীরে লালচে র্যাশ নিয়ে ছয় শিশুকে নীলফামারী জেলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, আক্রান্ত শিশুদের আইসোলেশন বিভাগে রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে লক্ষণগুলো হামের সঙ্গে মিল থাকলেও নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
অভিভাবকরা জানায়, প্রথমে সাধারণ জ্বর বা ডায়রিয়া মনে হলেও পরে শরীরে র্যাশ দেখা দিলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসা শুরু করা হয়। বর্তমানে প্রতিটি শিশুর অবস্থার ওপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।
চিকিৎসক বলেন, এই সময়টায় মৌসুমি পরিবর্তনের কারণে ভাইরাসজনিত সংক্রমণ বাড়ে, ফলে শিশুদের মধ্যে এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে হাম অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর এম ও) ডা: দেবাশীষ সরকার বলেন, শিশুদের মধ্যে যে উপসর্গগুলো দেখা যাচ্ছে, তা হামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। এরই মধ্যে আক্রান্তদের আলাদা রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
নীলফামারীতে নতুন করে দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিশুদের মধ্যে হামের উপসর্গ। জ্বর, কাশি ও শরীরে লালচে র্যাশ নিয়ে ছয় শিশুকে নীলফামারী জেলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, আক্রান্ত শিশুদের আইসোলেশন বিভাগে রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে লক্ষণগুলো হামের সঙ্গে মিল থাকলেও নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
অভিভাবকরা জানায়, প্রথমে সাধারণ জ্বর বা ডায়রিয়া মনে হলেও পরে শরীরে র্যাশ দেখা দিলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসা শুরু করা হয়। বর্তমানে প্রতিটি শিশুর অবস্থার ওপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।
চিকিৎসক বলেন, এই সময়টায় মৌসুমি পরিবর্তনের কারণে ভাইরাসজনিত সংক্রমণ বাড়ে, ফলে শিশুদের মধ্যে এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে হাম অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর এম ও) ডা: দেবাশীষ সরকার বলেন, শিশুদের মধ্যে যে উপসর্গগুলো দেখা যাচ্ছে, তা হামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। এরই মধ্যে আক্রান্তদের আলাদা রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন