বাংলাদেশ ক্রীড়া উন্নয়নে জন্য প্রতিটি ফেডারেশনে জন্য বাৎসরিক অর্থ বরাদ্দ করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে সেই অর্থের বড় একটি সংখ্যা বাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশন বর্তমান এডহক কমিটি থেকে বেতনে নামে হচ্ছে লুটপাট। যা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বেতনে নামে কোনো অর্থ বরাদ্দ করে না। বাংলাদেশ রাগবি পূর্বে এক কমিটির তথ্য অনুযায়ী আমরা দেখেছি তারা মাসিক ১১০০০/- স্টাফ বেতন প্রদান করছে যা বাৎসরিক ১,৩২,০০০/- টাকা খরচ হতো কিন্তু বর্তমান এডহক কমিটির একটি বাৎসরিক অর্থ খরচে তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে তাদের স্টাফ বেতন বাবদ ব্যয় প্রায় ৮,০০,০০০/- টাকা যা মাসিক ৮০,০০০ টাকা মতো। তাদের বর্তমান কমিটির কোনো প্রকার এজিএম সিদ্ধান্ত ছাড়াই কি করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তার সঠিক উওর মিলে নি কোনো সদস্য কাছে। তাহলে এই সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ লুটপাটে বেতন নামে অর্থ করা নিচ্ছে বা কাদের দেয়া হচ্ছে কি করে দেয়া হচ্ছে জানেন না জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে কোনো ব্যাক্তিরাও। এইভাবে যদি বাৎসরিক বরাদ্দকৃত ৪০ লাখ টাকার ৮ লাখ টাকা বেতনে নামে লুটপাট হয়ে যায় তাহলে ফেডারেশনে খেলাধুলা উন্নয়ন বাজেটে বড় বাজেট ঘাটতিতে পরবে ফেডারেশনগুলো। রাগবি ফেডারেশন বেতনের লুটপাট অভিযোগগুলো যথাযথ বিচার বিশ্লেষণে অনুরোধ জানিয়ে রাগবি কয়েকজন সংগঠক তারা চায় রাগবি বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথ নিয়ম নীতি অনুযায়ী খরচ করে রাগবি উন্নয়নে বড় অবদান রাখবে এবং বেতন ভাতা সুবিধা প্রদান হলে তা এজিএম সিদ্ধান্ত অনুযায়ী করা হোক।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশ ক্রীড়া উন্নয়নে জন্য প্রতিটি ফেডারেশনে জন্য বাৎসরিক অর্থ বরাদ্দ করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে সেই অর্থের বড় একটি সংখ্যা বাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশন বর্তমান এডহক কমিটি থেকে বেতনে নামে হচ্ছে লুটপাট। যা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বেতনে নামে কোনো অর্থ বরাদ্দ করে না। বাংলাদেশ রাগবি পূর্বে এক কমিটির তথ্য অনুযায়ী আমরা দেখেছি তারা মাসিক ১১০০০/- স্টাফ বেতন প্রদান করছে যা বাৎসরিক ১,৩২,০০০/- টাকা খরচ হতো কিন্তু বর্তমান এডহক কমিটির একটি বাৎসরিক অর্থ খরচে তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে তাদের স্টাফ বেতন বাবদ ব্যয় প্রায় ৮,০০,০০০/- টাকা যা মাসিক ৮০,০০০ টাকা মতো। তাদের বর্তমান কমিটির কোনো প্রকার এজিএম সিদ্ধান্ত ছাড়াই কি করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তার সঠিক উওর মিলে নি কোনো সদস্য কাছে। তাহলে এই সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ লুটপাটে বেতন নামে অর্থ করা নিচ্ছে বা কাদের দেয়া হচ্ছে কি করে দেয়া হচ্ছে জানেন না জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে কোনো ব্যাক্তিরাও। এইভাবে যদি বাৎসরিক বরাদ্দকৃত ৪০ লাখ টাকার ৮ লাখ টাকা বেতনে নামে লুটপাট হয়ে যায় তাহলে ফেডারেশনে খেলাধুলা উন্নয়ন বাজেটে বড় বাজেট ঘাটতিতে পরবে ফেডারেশনগুলো। রাগবি ফেডারেশন বেতনের লুটপাট অভিযোগগুলো যথাযথ বিচার বিশ্লেষণে অনুরোধ জানিয়ে রাগবি কয়েকজন সংগঠক তারা চায় রাগবি বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথ নিয়ম নীতি অনুযায়ী খরচ করে রাগবি উন্নয়নে বড় অবদান রাখবে এবং বেতন ভাতা সুবিধা প্রদান হলে তা এজিএম সিদ্ধান্ত অনুযায়ী করা হোক।

আপনার মতামত লিখুন