চৈত্রের খরতাপে বৃষ্টির ছিটেফোঁটা স্বস্তি নিয়ে এলেও ঈদ উৎসবের মৌসুমে সেই বৃষ্টিই এখন ভাবনার কারণ। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঈদের দিন সকাল থেকেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রপাত, ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ঈদের জামাতে অংশ নিতে যারা বের হবেন, তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা জানান, শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ছয়টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত ঢাকায় চার মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ ২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে রংপুরে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই বৃষ্টি বর্ষাকালের মতো টানা হবে না; বরং থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে। আকাশ মেঘলা থাকবে। যেহেতু এখন প্রাক-বর্ষা বা ‘প্রি-মনসুন’ মৌসুম, তাই ঝড়ো হাওয়া, বজ্রপাত এবং শিলাবৃষ্টি এই সময়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য। মেঘমালার অবস্থান অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন স্থানে এই বৃষ্টিপাত হবে।
ঈদের দিন বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসবে, যা গরমে স্বস্তি দেবে। তবে ঈদগাহে নামাজ আদায় করতে যাওয়ার সময় বৃষ্টি বিপত্তির কারণ হতে পারে। আবহাওয়া অফিস বলছে, যারা ঈদের জামাতে অংশ নেবেন, তারা যেন বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিয়ে বের হন।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাঙামাটিতে ৩৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, ২২ মার্চ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে আসবে। সেই সঙ্গে ২৩ মার্চ থেকে আবহাওয়া স্বাভাবিক হতে শুরু করবে এবং এরপর থেকে তাপমাত্রা বাড়বে।
ঈদের পরদিন বৃষ্টির দাপট কিছুটা কম থাকবে। তবে আপাতত বজ্রপাত ও ঝড়ো হাওয়ার প্রভাব বেশি থাকায় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মার্চ ২০২৬
চৈত্রের খরতাপে বৃষ্টির ছিটেফোঁটা স্বস্তি নিয়ে এলেও ঈদ উৎসবের মৌসুমে সেই বৃষ্টিই এখন ভাবনার কারণ। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঈদের দিন সকাল থেকেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রপাত, ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ঈদের জামাতে অংশ নিতে যারা বের হবেন, তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা জানান, শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ছয়টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত ঢাকায় চার মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ ২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে রংপুরে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই বৃষ্টি বর্ষাকালের মতো টানা হবে না; বরং থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে। আকাশ মেঘলা থাকবে। যেহেতু এখন প্রাক-বর্ষা বা ‘প্রি-মনসুন’ মৌসুম, তাই ঝড়ো হাওয়া, বজ্রপাত এবং শিলাবৃষ্টি এই সময়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য। মেঘমালার অবস্থান অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন স্থানে এই বৃষ্টিপাত হবে।
ঈদের দিন বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসবে, যা গরমে স্বস্তি দেবে। তবে ঈদগাহে নামাজ আদায় করতে যাওয়ার সময় বৃষ্টি বিপত্তির কারণ হতে পারে। আবহাওয়া অফিস বলছে, যারা ঈদের জামাতে অংশ নেবেন, তারা যেন বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিয়ে বের হন।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাঙামাটিতে ৩৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, ২২ মার্চ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে আসবে। সেই সঙ্গে ২৩ মার্চ থেকে আবহাওয়া স্বাভাবিক হতে শুরু করবে এবং এরপর থেকে তাপমাত্রা বাড়বে।
ঈদের পরদিন বৃষ্টির দাপট কিছুটা কম থাকবে। তবে আপাতত বজ্রপাত ও ঝড়ো হাওয়ার প্রভাব বেশি থাকায় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আপনার মতামত লিখুন