ডোমারের ময়দানপাড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষে মজনু মিয়া (৫০) নিহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহত মজনু মিয়া হলেন মৃত তফির উদ্দিনের ছেলে। গ্রেপ্তাররা হলেন—মতিউর রহমান (২২), শাহিন ইসলাম (২০), শাহিন ইসলামের মা সাবিনা আক্তার মমিনা (৪৫) ও বেলাল হোসেনের স্ত্রী মেরিনা বেগম (৪২)।
ডোমার থানার ওসি হাবিবুল্লাহ জানান, দীর্ঘদিনের জমিজমা বিরোধের জেরে বুধবার সকালে আব্দুল মান্নান ও তার দুই ভাই মজনু মিয়া ও বাবুল হোসেন বিরোধপূর্ণ জমিতে একটি শুকনো গাছ কাটার সময় প্রতিপক্ষ বাধা দেয়। মুহূর্তেই সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত তিন সহোদরের মধ্যে মজনু হাসপাতালে পৌঁছাতেই মারা যান। অপর দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের স্ত্রী লিপি বেগম মামলা দায়ের করে সাবেক কাউন্সিলর বেলাল হোসেনকে প্রধান আসামি করেছেন। মামলার এজাহারের ভিত্তিতে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।
ময়দানপাড়ার এই ঘটনা জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ এবং স্থানীয় সহিংসতার ছবি সামনে এনেছে। সাধারণ মানুষ প্রশ্ন করছে, শান্তি ও ন্যায়ের আলো কবে ফিরে আসবে নীলফামারীর এই এলাকায়।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
ডোমারের ময়দানপাড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষে মজনু মিয়া (৫০) নিহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহত মজনু মিয়া হলেন মৃত তফির উদ্দিনের ছেলে। গ্রেপ্তাররা হলেন—মতিউর রহমান (২২), শাহিন ইসলাম (২০), শাহিন ইসলামের মা সাবিনা আক্তার মমিনা (৪৫) ও বেলাল হোসেনের স্ত্রী মেরিনা বেগম (৪২)।
ডোমার থানার ওসি হাবিবুল্লাহ জানান, দীর্ঘদিনের জমিজমা বিরোধের জেরে বুধবার সকালে আব্দুল মান্নান ও তার দুই ভাই মজনু মিয়া ও বাবুল হোসেন বিরোধপূর্ণ জমিতে একটি শুকনো গাছ কাটার সময় প্রতিপক্ষ বাধা দেয়। মুহূর্তেই সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত তিন সহোদরের মধ্যে মজনু হাসপাতালে পৌঁছাতেই মারা যান। অপর দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের স্ত্রী লিপি বেগম মামলা দায়ের করে সাবেক কাউন্সিলর বেলাল হোসেনকে প্রধান আসামি করেছেন। মামলার এজাহারের ভিত্তিতে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।
ময়দানপাড়ার এই ঘটনা জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ এবং স্থানীয় সহিংসতার ছবি সামনে এনেছে। সাধারণ মানুষ প্রশ্ন করছে, শান্তি ও ন্যায়ের আলো কবে ফিরে আসবে নীলফামারীর এই এলাকায়।

আপনার মতামত লিখুন