ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

শিক্ষাঙ্গন

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবারের পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবারের পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ

চলতি বছর মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। যা গত বছরের পাসের হারের তুলনায় প্রায় দুই শতাংশ বেশি। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।

আজকের ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অপেক্ষার অবসান হলো।

এর আগে, গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটিই কমেছিল। যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম ছিল। ২০২৪ সালে মাধ্যমিকে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০২৩ সালে এসএসসিতে পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ছিল ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

করোনা মহামারির মধ্যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হওয়া ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

২০১০ সালে গড় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৯১ শতাংশের পর এই সময়ের মধ্যে কেবল ২০১৮ সালে পাসের হার ছিল সবচেয়ে কম ৭৭ দশমিক ৮ শতাংশ। তবে সেটিও ছিল এবারের চেয়ে অনেক বেশি। এর আগে ২০০৯ সালে পাসের হার ছিল ৬৭ দশমিক ৪১ শতাংশ।

টানা প্রায় ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকাকালে পরীক্ষার ফলাফল ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রকাশের অভিযোগ ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে। অন্তর্বর্তী সরকার সেই পথে হাঁটেনি।

সাধারণত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা ছিল।

জানা যায়, এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮, মাদ্রাসা বোর্ডে (দাখিল) ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও ফল প্রকাশ করা হবে। এ ছাড়া শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ফল দেখা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবারের পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চলতি বছর মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। যা গত বছরের পাসের হারের তুলনায় প্রায় দুই শতাংশ বেশি। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।

আজকের ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অপেক্ষার অবসান হলো।

এর আগে, গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটিই কমেছিল। যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম ছিল। ২০২৪ সালে মাধ্যমিকে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০২৩ সালে এসএসসিতে পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ছিল ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

করোনা মহামারির মধ্যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হওয়া ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

২০১০ সালে গড় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৯১ শতাংশের পর এই সময়ের মধ্যে কেবল ২০১৮ সালে পাসের হার ছিল সবচেয়ে কম ৭৭ দশমিক ৮ শতাংশ। তবে সেটিও ছিল এবারের চেয়ে অনেক বেশি। এর আগে ২০০৯ সালে পাসের হার ছিল ৬৭ দশমিক ৪১ শতাংশ।

টানা প্রায় ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকাকালে পরীক্ষার ফলাফল ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রকাশের অভিযোগ ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে। অন্তর্বর্তী সরকার সেই পথে হাঁটেনি।

সাধারণত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা ছিল।

জানা যায়, এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮, মাদ্রাসা বোর্ডে (দাখিল) ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও ফল প্রকাশ করা হবে। এ ছাড়া শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ফল দেখা হবে।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত