ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

শিক্ষাঙ্গন

মন্ত্রিত্ব আমার চাকরি নয়, ইবাদত: শিক্ষামন্ত্রী

মন্ত্রিত্ব আমার চাকরি নয়, ইবাদত: শিক্ষামন্ত্রী

মন্ত্রী পদকে ‌‘চাকরি’ হিসেবে নয়, ‘ইবাদত’ হিসেবে দেখেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়কে নিজের কর্মস্থল নয়, ইবাদতখানা হিসেবে বিবেচনা করার কথাও বলেছেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে আমি এমন ভিত্তি তৈরি করতে চাই, যা ১৮০ বছরের সমতুল্য প্রভাব ফেলবে। আমার লক্ষ্য হলো ধীরস্থিরভাবে কাজ করে যাওয়া, যেন কোনো ভুল পদক্ষেপ না হয়। এটা (মন্ত্রিত্ব) আমার চাকরি নয়, ইবাদত; দেশের জন্য কাজ করা।

শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে ‘এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব)’-এর সদস্যদের সঙ্গে ইফতার-পরবর্তী মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাজের গতি নিয়ে ‘অসন্তোষ’ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি কর্মকর্তাদের বলেছি, গতানুগতিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ শেষ করতে হবে। এখানে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য নয়, বরং শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করতে এসেছেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বাধ্যবাধকতা নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত ১৫-১৭ বছরে রাজনৈতিক কারণে বঞ্চিত শিক্ষকদের সুযোগ দিতেই এ যৌক্তিক পুনর্নির্ধারণ। ২০২৭ সালের নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনকে নিজের অন্যতম প্রধান মিশন হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত বাতিল বা শিথিল করার বিষয়ে এহছানুল হক মিলন, সভায় আমরা এটা নিয়ে আলোচনা করেছি। ১৯৯১ সালের আইনে শিক্ষাগত ছিল না, পরেও ছিল না। সেগুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিইনি। এটা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে আমরা এটার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবো।

অনুষ্ঠানে ইরাব সভাপতি ফারুক হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান সালমান, সহ-সভাপতি শাহেদ মতিউর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক আসিফ হাসান কাজল, অর্থ সম্পাদক নাজিউর রহমান সোহেলসহ ইরাব সদস্য ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


মন্ত্রিত্ব আমার চাকরি নয়, ইবাদত: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬

featured Image

মন্ত্রী পদকে ‌‘চাকরি’ হিসেবে নয়, ‘ইবাদত’ হিসেবে দেখেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়কে নিজের কর্মস্থল নয়, ইবাদতখানা হিসেবে বিবেচনা করার কথাও বলেছেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে আমি এমন ভিত্তি তৈরি করতে চাই, যা ১৮০ বছরের সমতুল্য প্রভাব ফেলবে। আমার লক্ষ্য হলো ধীরস্থিরভাবে কাজ করে যাওয়া, যেন কোনো ভুল পদক্ষেপ না হয়। এটা (মন্ত্রিত্ব) আমার চাকরি নয়, ইবাদত; দেশের জন্য কাজ করা।

শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে ‘এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব)’-এর সদস্যদের সঙ্গে ইফতার-পরবর্তী মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাজের গতি নিয়ে ‘অসন্তোষ’ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি কর্মকর্তাদের বলেছি, গতানুগতিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ শেষ করতে হবে। এখানে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য নয়, বরং শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করতে এসেছেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বাধ্যবাধকতা নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত ১৫-১৭ বছরে রাজনৈতিক কারণে বঞ্চিত শিক্ষকদের সুযোগ দিতেই এ যৌক্তিক পুনর্নির্ধারণ। ২০২৭ সালের নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনকে নিজের অন্যতম প্রধান মিশন হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত বাতিল বা শিথিল করার বিষয়ে এহছানুল হক মিলন, সভায় আমরা এটা নিয়ে আলোচনা করেছি। ১৯৯১ সালের আইনে শিক্ষাগত ছিল না, পরেও ছিল না। সেগুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিইনি। এটা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে আমরা এটার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবো।

অনুষ্ঠানে ইরাব সভাপতি ফারুক হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান সালমান, সহ-সভাপতি শাহেদ মতিউর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক আসিফ হাসান কাজল, অর্থ সম্পাদক নাজিউর রহমান সোহেলসহ ইরাব সদস্য ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত