ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

আন্তর্জাতিক

নেপাল ও চীনে বন্যায় নিহত অন্তত ৫৫২, এখনও নিখোঁজ দেড় হাজারের বেশি মানুষ

নেপাল ও চীনে বন্যায় নিহত অন্তত ৫৫২, এখনও নিখোঁজ দেড় হাজারের বেশি মানুষ

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে গত বুধবারের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৫৪৭ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

এদিকে, চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তিব্বত সীমান্তে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। ফলে নেপাল ও চীন—দুই দেশ মিলিয়ে এই দুর্যোগে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫২ জনে।

প্রবল বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ার পাশাপাশি শত শত বিদেশিসহ ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এটিই নেপালের ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক ও প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক দুর্যোগ। মূলত একটি হিমবাহ ধসে পাহাড় থেকে বিপুল পরিমাণ বরফ, পাথর ও কাদা নিচের দিকে আছড়ে পড়ার কারণেই এই বিপর্যয় ঘটেছে।

এদিকে সীমান্ত পেরিয়ে নেপাল থেকে ভারতে প্রবাহিত নদীগুলো থেকে অন্তত সাতটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে আজ ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। মৃতদেহগুলোর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ভারতে উদ্ধার হওয়া এই সাতটি মরদেহ এখন পর্যন্ত মূল নিহতের সংখ্যার (৫৫২ জন) মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এদিকে এই বিপর্যয়ের মধ্যেই নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট একটি হ্রদে আজ নতুন করে পানি উপচে পড়তে শুরু করেছে। এ ঘটনায় ওই অঞ্চলে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা পাহাড়ে আশ্রয় নিচ্ছেন।

 

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


নেপাল ও চীনে বন্যায় নিহত অন্তত ৫৫২, এখনও নিখোঁজ দেড় হাজারের বেশি মানুষ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে গত বুধবারের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৫৪৭ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

এদিকে, চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তিব্বত সীমান্তে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। ফলে নেপাল ও চীন—দুই দেশ মিলিয়ে এই দুর্যোগে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫২ জনে।

প্রবল বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ার পাশাপাশি শত শত বিদেশিসহ ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এটিই নেপালের ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক ও প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক দুর্যোগ। মূলত একটি হিমবাহ ধসে পাহাড় থেকে বিপুল পরিমাণ বরফ, পাথর ও কাদা নিচের দিকে আছড়ে পড়ার কারণেই এই বিপর্যয় ঘটেছে।

এদিকে সীমান্ত পেরিয়ে নেপাল থেকে ভারতে প্রবাহিত নদীগুলো থেকে অন্তত সাতটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে আজ ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। মৃতদেহগুলোর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ভারতে উদ্ধার হওয়া এই সাতটি মরদেহ এখন পর্যন্ত মূল নিহতের সংখ্যার (৫৫২ জন) মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এদিকে এই বিপর্যয়ের মধ্যেই নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট একটি হ্রদে আজ নতুন করে পানি উপচে পড়তে শুরু করেছে। এ ঘটনায় ওই অঞ্চলে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা পাহাড়ে আশ্রয় নিচ্ছেন।

 


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত