ফুটবলের ইতিহাসে কিছু খেলোয়াড় আছেন, যাদের উপস্থিতিই ম্যাচের চেহারা বদলে দিত। Ruud Gullit ছিলেন তেমনই এক মহাতারকা—শক্তি, গতি, দক্ষতা এবং নেতৃত্বের অনন্য সমন্বয়।
মাঠে তার দৌড় ছিল ঝড়ের মতো, পায়ে ছিল শিল্পীর ছোঁয়া। মাঝমাঠ, আক্রমণভাগ কিংবা উইং—যেখানেই খেলেছেন, সেখানেই রেখে গেছেন নিজের স্বাক্ষর। ড্রেডলক চুলে দাপটের সঙ্গে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়া গুলিত ছিলেন আশির দশকের ফুটবলের সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্রগুলোর একটি।
১৯৮৮ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশীপে নেদারল্যান্ডসকে প্রথম বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা জেতানোর পেছনে তার অবদান ছিল অসাধারণ
ফাইনালে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপক্ষে তার হেডে করা গোল আজও ডাচ ফুটবলের ইতিহাসে সোনালি স্মৃতি হয়ে আছে।
সেই সময়ের কিংবদন্তি ডাচ ত্রয়ী রুড গুলিট, মার্কো ভ্যান বাস্তেন ও ফ্রাংক রাইকার্ড মিলে ইউরোপীয় ফুটবলে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন। তাদের পায়ের জাদুতে কাঁপত প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ।
১৯৮৭ সালে গুলিত জিতেছিলেন ফুটবলের অন্যতম সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সম্মান ব্যালন ডি অর। সেই পুরস্কার তিনি উৎসর্গ করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলাকে। যা তাকে শুধু একজন ফুটবলার নয়, একজন মানবিক কণ্ঠস্বর হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করে।
রুড গুলিত ছিলেন এমন একজন ফুটবলার, যিনি শক্তিতে ছিলেন ডিফেন্ডারের মতো, পাসে ছিলেন প্লেমেকারের মতো, আর গোল করার ক্ষমতায় ছিলেন স্ট্রাইকারদের সমকক্ষ। তাই অনেকেই তাকে বলেন—"ফুটবলের সবচেয়ে পরিপূর্ণ অলরাউন্ডারদের একজন"।
আজও যখন ফুটবলপ্রেমীরা ড্রেডলক চুলের সেই দুর্দান্ত অধিনায়ককে স্মরণ করেন, তখন মনে পড়ে এক সাহসী যোদ্ধার কথা—যিনি শুধু ম্যাচ জেতেননি, জিতে নিয়েছিলেন কোটি মানুষের হৃদয়ও।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
ফুটবলের ইতিহাসে কিছু খেলোয়াড় আছেন, যাদের উপস্থিতিই ম্যাচের চেহারা বদলে দিত। Ruud Gullit ছিলেন তেমনই এক মহাতারকা—শক্তি, গতি, দক্ষতা এবং নেতৃত্বের অনন্য সমন্বয়।
মাঠে তার দৌড় ছিল ঝড়ের মতো, পায়ে ছিল শিল্পীর ছোঁয়া। মাঝমাঠ, আক্রমণভাগ কিংবা উইং—যেখানেই খেলেছেন, সেখানেই রেখে গেছেন নিজের স্বাক্ষর। ড্রেডলক চুলে দাপটের সঙ্গে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়া গুলিত ছিলেন আশির দশকের ফুটবলের সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্রগুলোর একটি।
১৯৮৮ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশীপে নেদারল্যান্ডসকে প্রথম বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা জেতানোর পেছনে তার অবদান ছিল অসাধারণ
ফাইনালে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপক্ষে তার হেডে করা গোল আজও ডাচ ফুটবলের ইতিহাসে সোনালি স্মৃতি হয়ে আছে।
সেই সময়ের কিংবদন্তি ডাচ ত্রয়ী রুড গুলিট, মার্কো ভ্যান বাস্তেন ও ফ্রাংক রাইকার্ড মিলে ইউরোপীয় ফুটবলে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন। তাদের পায়ের জাদুতে কাঁপত প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ।
১৯৮৭ সালে গুলিত জিতেছিলেন ফুটবলের অন্যতম সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সম্মান ব্যালন ডি অর। সেই পুরস্কার তিনি উৎসর্গ করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলাকে। যা তাকে শুধু একজন ফুটবলার নয়, একজন মানবিক কণ্ঠস্বর হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করে।
রুড গুলিত ছিলেন এমন একজন ফুটবলার, যিনি শক্তিতে ছিলেন ডিফেন্ডারের মতো, পাসে ছিলেন প্লেমেকারের মতো, আর গোল করার ক্ষমতায় ছিলেন স্ট্রাইকারদের সমকক্ষ। তাই অনেকেই তাকে বলেন—"ফুটবলের সবচেয়ে পরিপূর্ণ অলরাউন্ডারদের একজন"।
আজও যখন ফুটবলপ্রেমীরা ড্রেডলক চুলের সেই দুর্দান্ত অধিনায়ককে স্মরণ করেন, তখন মনে পড়ে এক সাহসী যোদ্ধার কথা—যিনি শুধু ম্যাচ জেতেননি, জিতে নিয়েছিলেন কোটি মানুষের হৃদয়ও।

আপনার মতামত লিখুন