ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদে ২ কিশোরের বন্দুক হামলা, হামলাকারীসহ নিহত ৫

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদে ২ কিশোরের বন্দুক হামলা, হামলাকারীসহ নিহত ৫

যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান ডিয়েগো শহরের একটি ইসলামিক সেন্টারের মসজিদে বন্দুক হামলা চালিয়েছে ২ জন কিশোর। তাদের গুলিতে ওই ইসলামিক সেন্টারের একজন নিরাপত্তাকর্মীসহ ৩ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন।

হামলাকারী ২ কিশোরের মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, তারা নিজেরাই নিজেদের বন্দুক দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

মেক্সিকোর সীমান্ত ঘেঁষা শহর স্যান ডিয়েগোর ইসলামিক সেন্টারটি মূলত একটি ইসলামি স্কুল। যে মসজিদে হামলা হয়েছে, সেটি ওই ইসলামি স্কুলের অংশ এবং স্যান ডিয়েগোর সবচেয়ে বড় মসজিদ।

গতকাল সোমাবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে ঘটেছে এই হামলা। সে সময় স্কুলটিতে ক্লাস ও অন্যান্য নিয়মিত কার্যক্রম চলছিল। হামলায় স্কুলের কোনো শিশু হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

স্যান ডিয়েগোর শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা স্কট ওয়াল রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ঠিক কী কারণে এই হামলা ঘটল— সে সম্পর্কে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মুসলিমদের প্রতি ঘৃণাপূর্ণ মনোভাবই এ হামলার কারণ।

হামলার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তকাজ চালানোর জন্য মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে।

ইসলামিক সেন্টারের যে ৩ জন নিহত হয়েছেন, তারা সবাই মসজিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। মসজিদ থেকে খানিকটা দূরে একটি গাড়ি থেকে হামলাকারী ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের এক জনের বয়স ১৭, আরেক জনের ১৯। এক সংবাদ সম্মেলনে স্কট ওয়াল এ প্রসঙ্গে বলেন, “প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে আমাদের ধারণা, হামলার পর নিজেদের বন্দুকের গুলিতে আত্মহত্যা করেছে তারা।”

আর কয়েক দিন পরেই ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব ঈদুল আজহা। তার আগেই ঘটল এই হামলা।

স্যান ডিয়েগোর সেই মসজিদের ইমাম তাহা হাসান রয়টার্সকে বলেন, “আমরা এর আগে কখনও এ ধরনের ট্র্যাজেডির মধ্যে দিয়ে যাইনি। উপাসনালয়কে লক্ষ্যবস্তু করা খুবই ভয়ানক একটি ব্যাপার।”

সূত্র : রয়টার্স

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদে ২ কিশোরের বন্দুক হামলা, হামলাকারীসহ নিহত ৫

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান ডিয়েগো শহরের একটি ইসলামিক সেন্টারের মসজিদে বন্দুক হামলা চালিয়েছে ২ জন কিশোর। তাদের গুলিতে ওই ইসলামিক সেন্টারের একজন নিরাপত্তাকর্মীসহ ৩ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন।

হামলাকারী ২ কিশোরের মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, তারা নিজেরাই নিজেদের বন্দুক দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

মেক্সিকোর সীমান্ত ঘেঁষা শহর স্যান ডিয়েগোর ইসলামিক সেন্টারটি মূলত একটি ইসলামি স্কুল। যে মসজিদে হামলা হয়েছে, সেটি ওই ইসলামি স্কুলের অংশ এবং স্যান ডিয়েগোর সবচেয়ে বড় মসজিদ।

গতকাল সোমাবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে ঘটেছে এই হামলা। সে সময় স্কুলটিতে ক্লাস ও অন্যান্য নিয়মিত কার্যক্রম চলছিল। হামলায় স্কুলের কোনো শিশু হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

স্যান ডিয়েগোর শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা স্কট ওয়াল রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ঠিক কী কারণে এই হামলা ঘটল— সে সম্পর্কে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মুসলিমদের প্রতি ঘৃণাপূর্ণ মনোভাবই এ হামলার কারণ।

হামলার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তকাজ চালানোর জন্য মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে।

ইসলামিক সেন্টারের যে ৩ জন নিহত হয়েছেন, তারা সবাই মসজিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। মসজিদ থেকে খানিকটা দূরে একটি গাড়ি থেকে হামলাকারী ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের এক জনের বয়স ১৭, আরেক জনের ১৯। এক সংবাদ সম্মেলনে স্কট ওয়াল এ প্রসঙ্গে বলেন, “প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে আমাদের ধারণা, হামলার পর নিজেদের বন্দুকের গুলিতে আত্মহত্যা করেছে তারা।”

আর কয়েক দিন পরেই ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব ঈদুল আজহা। তার আগেই ঘটল এই হামলা।

স্যান ডিয়েগোর সেই মসজিদের ইমাম তাহা হাসান রয়টার্সকে বলেন, “আমরা এর আগে কখনও এ ধরনের ট্র্যাজেডির মধ্যে দিয়ে যাইনি। উপাসনালয়কে লক্ষ্যবস্তু করা খুবই ভয়ানক একটি ব্যাপার।”

সূত্র : রয়টার্স


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত