ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে নকল ওষুধ বিক্রির দায়ে ভিসা নিষেধাজ্ঞায় ১৩ ভারতীয়

যুক্তরাষ্ট্রে নকল ওষুধ বিক্রির দায়ে ভিসা নিষেধাজ্ঞায় ১৩ ভারতীয়

যুক্তরাষ্ট্র সরকার ভারতের একটি অনলাইন ফার্মেসির সঙ্গে যুক্ত ১৩ জন ব্যক্তির ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। অভিযুক্তরা ‘কেএস ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডার্স’ নামক ওই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফেন্টানাইল মিশ্রিত নকল প্রেসক্রিপশন ড্রাগ বা ওষুধ বিতরণের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এতে বলা হয়েছে, ওই ১৩ জন ব্যক্তি কেএস ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডার্স এবং এর মালিকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন, যারা ভারত থেকে তাদের এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কেএস ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডার্সের মতো অনুমোদিত নয় এমন অনলাইন ফার্মেসিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিকদের কাছে হাজার হাজার নকল ওষুধ বিক্রি করেছে। এসব ওষুধের মধ্যে অতি বিপজ্জনক রাসায়নিক ‘ফেন্টানাইল’ মিশ্রিত ছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি স্বরূপ।

ফেন্টানাইল পাচারের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ এই চক্রের আয়ের প্রধান উৎস ছিল। উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেন্টানাইলকে ‘গণবিধ্বংসী অস্ত্র’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা এই ইস্যুটির গুরুত্ব ও ভয়াবহতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, এই পদক্ষেপটি মূলত অবৈধ মাদক সিন্ডিকেটগুলো নির্মূল করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের দীর্ঘস্থায়ী ও যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন। যারা আমেরিকান নাগরিকদের বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে বা এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করছে, তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটন।

এর মাধ্যমে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়টি আরও জোরালো হলো। বিশেষ করে সীমান্ত পারের অপরাধ দমনে উভয় দেশের কঠোর অবস্থানের বিষয়টি এই ভিসা নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।

মার্কিন প্রশাসনের এই কঠোর সিদ্ধান্তটি আন্তর্জাতিক ড্রাগ নেটওয়ার্কগুলোর জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্টেট ডিপার্টমেন্ট স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, জননিরাপত্তা বিঘ্নিতকারী কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ অনলাইন ফার্মেসিগুলোর বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট অনলাইন ফার্মেসি বা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্রে নকল ওষুধ বিক্রির দায়ে ভিসা নিষেধাজ্ঞায় ১৩ ভারতীয়

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্র সরকার ভারতের একটি অনলাইন ফার্মেসির সঙ্গে যুক্ত ১৩ জন ব্যক্তির ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। অভিযুক্তরা ‘কেএস ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডার্স’ নামক ওই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফেন্টানাইল মিশ্রিত নকল প্রেসক্রিপশন ড্রাগ বা ওষুধ বিতরণের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এতে বলা হয়েছে, ওই ১৩ জন ব্যক্তি কেএস ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডার্স এবং এর মালিকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন, যারা ভারত থেকে তাদের এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কেএস ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডার্সের মতো অনুমোদিত নয় এমন অনলাইন ফার্মেসিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিকদের কাছে হাজার হাজার নকল ওষুধ বিক্রি করেছে। এসব ওষুধের মধ্যে অতি বিপজ্জনক রাসায়নিক ‘ফেন্টানাইল’ মিশ্রিত ছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি স্বরূপ।

ফেন্টানাইল পাচারের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ এই চক্রের আয়ের প্রধান উৎস ছিল। উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেন্টানাইলকে ‘গণবিধ্বংসী অস্ত্র’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা এই ইস্যুটির গুরুত্ব ও ভয়াবহতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, এই পদক্ষেপটি মূলত অবৈধ মাদক সিন্ডিকেটগুলো নির্মূল করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের দীর্ঘস্থায়ী ও যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন। যারা আমেরিকান নাগরিকদের বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে বা এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করছে, তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটন।

এর মাধ্যমে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়টি আরও জোরালো হলো। বিশেষ করে সীমান্ত পারের অপরাধ দমনে উভয় দেশের কঠোর অবস্থানের বিষয়টি এই ভিসা নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।

মার্কিন প্রশাসনের এই কঠোর সিদ্ধান্তটি আন্তর্জাতিক ড্রাগ নেটওয়ার্কগুলোর জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্টেট ডিপার্টমেন্ট স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, জননিরাপত্তা বিঘ্নিতকারী কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ অনলাইন ফার্মেসিগুলোর বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট অনলাইন ফার্মেসি বা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত