ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

আন্তর্জাতিক

এনডিটিভির প্রতিবেদন

বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেবে বিজেপি সরকার

 বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেবে বিজেপি সরকার

পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সীমান্তনীতি নিয়ে বড় ধরনের পদক্ষেপের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সরকার গঠনের মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বেড়া নির্মাণে জমি বরাদ্দ দেবে বিজেপি।

বিজেপি নেতাদের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বেড়া দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করা হবে।

বিজেপি তার নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি বরাদ্দ করা হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজেপির প্রধান লক্ষ্য হলো সীমান্ত পার হয়ে অনুপ্রবেশ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা। রাজ্য সরকারের পূর্ণ সহযোগিতায় বিএসএফ এবং পুলিশ যৌথ অভিযান চালাতে সক্ষম হবে, যার ফলে সীমান্ত জেলাগুলিতে বর্তমানে যে জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটছে তা রোধ করা যাবে। এই লক্ষ্যে দলটি ‘শনাক্ত করো, নির্মূল করো এবং বিতাড়িত করো’ নীতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বিজেপি নেতাদের বরাতে এনডিটিভি আরও জানিয়েছে, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্য ‘জমি’ বরাদ্দ দেবে নবগঠিত বিজেপি সরকার। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ শূন্যে নামিয়ে আনতেই এমন পদক্ষেপ নেবে গোরুয়া শিবির।

বিজেপি নেতারা বলছেন, বিএসএফ ও পুলিশের যৌথ অভিযান জোরদারের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগও দেবে মোদি সরকার।

এক দশক ধরে পশ্চিমবঙ্গ জয় করতে মরিয়া ছিলো ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। গেরুয়া ঝড়ের তান্ডবে যখন তছনছ তৃণমূল; বাংলায় তখন পদ্মফুলের জয়জয়কার।

এর আগে, ২০২১ সালে, পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফর কার্যপরিধি ১৫ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার করার প্রস্তাব দিয়েছিলো মোদি সরকার। তবে, একে রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ দাবি করে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ক্ষমতাসীন তৃণমূল সরকার।

বিতর্কিত সিএএ আর এনআরসি আইন নিয়েও তৈরি হয় তুমুল বিরোধ। কেন্দ্র সরকার কার্যকরের নিয়ম জারি করলেও বাস্তবায়ন হতে দেননি বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যনার্জি। ফলে, বিজেপি’র তথাকথিত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া থমকে যায়।

এছাড়া খাগড়াগড় বিস্ফোরণ থেকে শুরু করে ভূপতিনগর বিস্ফোরণের মতো একাধিক ঘটনা তদন্ত নিয়েও বাড়ে টানাপোড়েন। এসব ঘটনা তদন্তে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতারও অভিযোগ আনে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলো।

‘২১ সালের বিধানসভা, ২৩'র পঞ্চায়েত ও ২৪’র লোকসভা নির্বাচনে স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলোতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়েও তুঙ্গে উঠে উভয়পক্ষের বিরোধ।

তবে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর দ্রুতই পরিস্থিতি বদলে যাবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেবে বিজেপি সরকার

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সীমান্তনীতি নিয়ে বড় ধরনের পদক্ষেপের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সরকার গঠনের মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বেড়া নির্মাণে জমি বরাদ্দ দেবে বিজেপি।

বিজেপি নেতাদের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বেড়া দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করা হবে।

বিজেপি তার নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি বরাদ্দ করা হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজেপির প্রধান লক্ষ্য হলো সীমান্ত পার হয়ে অনুপ্রবেশ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা। রাজ্য সরকারের পূর্ণ সহযোগিতায় বিএসএফ এবং পুলিশ যৌথ অভিযান চালাতে সক্ষম হবে, যার ফলে সীমান্ত জেলাগুলিতে বর্তমানে যে জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটছে তা রোধ করা যাবে। এই লক্ষ্যে দলটি ‘শনাক্ত করো, নির্মূল করো এবং বিতাড়িত করো’ নীতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বিজেপি নেতাদের বরাতে এনডিটিভি আরও জানিয়েছে, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্য ‘জমি’ বরাদ্দ দেবে নবগঠিত বিজেপি সরকার। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ শূন্যে নামিয়ে আনতেই এমন পদক্ষেপ নেবে গোরুয়া শিবির।

বিজেপি নেতারা বলছেন, বিএসএফ ও পুলিশের যৌথ অভিযান জোরদারের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগও দেবে মোদি সরকার।

এক দশক ধরে পশ্চিমবঙ্গ জয় করতে মরিয়া ছিলো ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। গেরুয়া ঝড়ের তান্ডবে যখন তছনছ তৃণমূল; বাংলায় তখন পদ্মফুলের জয়জয়কার।

এর আগে, ২০২১ সালে, পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফর কার্যপরিধি ১৫ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার করার প্রস্তাব দিয়েছিলো মোদি সরকার। তবে, একে রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ দাবি করে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ক্ষমতাসীন তৃণমূল সরকার।

বিতর্কিত সিএএ আর এনআরসি আইন নিয়েও তৈরি হয় তুমুল বিরোধ। কেন্দ্র সরকার কার্যকরের নিয়ম জারি করলেও বাস্তবায়ন হতে দেননি বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যনার্জি। ফলে, বিজেপি’র তথাকথিত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া থমকে যায়।

এছাড়া খাগড়াগড় বিস্ফোরণ থেকে শুরু করে ভূপতিনগর বিস্ফোরণের মতো একাধিক ঘটনা তদন্ত নিয়েও বাড়ে টানাপোড়েন। এসব ঘটনা তদন্তে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতারও অভিযোগ আনে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলো।

‘২১ সালের বিধানসভা, ২৩'র পঞ্চায়েত ও ২৪’র লোকসভা নির্বাচনে স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলোতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়েও তুঙ্গে উঠে উভয়পক্ষের বিরোধ।

তবে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর দ্রুতই পরিস্থিতি বদলে যাবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত