ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে হাই কোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করা হবে কি না, বুধবার সেই সিদ্ধান্ত দেবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ আদেশের এই দিন ঠিক করে দেয়।এদিন বিষয়টির ওপর আবারও শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আপিল বিভাগ বুধবার (২৯ জুলাই) রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন।এর আগে, সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বহাল রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেয়া সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন চট্টগ্রাম-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমীন।
রায় ঘোষণার দিন নুরুল আমীনের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছিলেন, রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পেলে তারা আপিল করবেন।তবে ওইদিনই সরোয়ারকে বিজয়ী ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে ইসি সচিবালয় এবং সন্ধ্যায় তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন।
রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশের আগে গেজেট প্রকাশ ও শপথ আয়োজনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনকে উকিল নোটিস পাঠান শিশির মনির। তিনি বলেছিলেন, “হাই কোর্টের রায়ের কোনো কপি বের হয়নি, রায় লেখা হয়নি এবং সইও হয়নি। কোর্টের কোনো কাগজপত্র নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়নি। হঠাৎ করে শুনলাম নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করতে যাচ্ছে।”
আদালতে মুহাম্মদ নুরুল আমীনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। অন্যদিকে সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসানুল করিম ও এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। বুধবার (২৯ জুলাই) রায় ঘোষণার আদেশের মাধ্যমে সারোয়ার আলমগীর সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়া ও সংসদের অধিবেশনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে আইনি অবস্থান স্পষ্ট হবে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে হাই কোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করা হবে কি না, বুধবার সেই সিদ্ধান্ত দেবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ আদেশের এই দিন ঠিক করে দেয়।এদিন বিষয়টির ওপর আবারও শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আপিল বিভাগ বুধবার (২৯ জুলাই) রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন।এর আগে, সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বহাল রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেয়া সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন চট্টগ্রাম-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমীন।
রায় ঘোষণার দিন নুরুল আমীনের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছিলেন, রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পেলে তারা আপিল করবেন।তবে ওইদিনই সরোয়ারকে বিজয়ী ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে ইসি সচিবালয় এবং সন্ধ্যায় তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন।
রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশের আগে গেজেট প্রকাশ ও শপথ আয়োজনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনকে উকিল নোটিস পাঠান শিশির মনির। তিনি বলেছিলেন, “হাই কোর্টের রায়ের কোনো কপি বের হয়নি, রায় লেখা হয়নি এবং সইও হয়নি। কোর্টের কোনো কাগজপত্র নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়নি। হঠাৎ করে শুনলাম নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করতে যাচ্ছে।”
আদালতে মুহাম্মদ নুরুল আমীনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। অন্যদিকে সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসানুল করিম ও এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। বুধবার (২৯ জুলাই) রায় ঘোষণার আদেশের মাধ্যমে সারোয়ার আলমগীর সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়া ও সংসদের অধিবেশনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে আইনি অবস্থান স্পষ্ট হবে।

আপনার মতামত লিখুন