ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
BD State News

জাতীয়

দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

দেশে যারা অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চায় তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে ময়মনসিংহের ত্রিশালে খাল পুনঃখননের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্যকালে এই আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আইনের শাসন নিশ্চিত করতে চাই। কিন্তু যেকোনো কাজ করতে গেলে কিছু নিয়ম-কানুন আছে। যেকোনো অন্যায়কারীর বিচার করতে হলে, তাকে শাস্তি দিতে হলে সরকারের কিছু নিয়ম-কানুন আছে।

তিনি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে কিছু সংখ্যক মানুষ একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, রাস্তা-ঘাট বন্ধ করে দিচ্ছে, যান চলাচল বন্ধ করে দিচ্ছে, এই কাজগুলো যারা করে প্রথমেই তারা আইনের শাসনকে বাধাগ্রস্ত করছে। আইনকে আইনের মতো চলতে দিতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকার যখন ক্ষমতায় ছিল সেই সময়েও দেশে কয়েকটি অন্যায় ঘটেছে, সেই সময় আমি নিজে ভুক্তভোগীদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। আমাদের দলের চিকিৎসকরা গিয়ে চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছিল, আইনজীবীরা আইনি সহায়তা দিয়েছিল। কিন্তু আজকে যারা হৈচৈ করছে, রাস্তা অবরোধ করছে, বড় বড় কথা বলছে সেদিন কিন্তু তাদের আমরা মাঠে দেখিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যারা একটি ঘোলাটে পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, তারা দেশের মানুষের কর্মসংস্থান নিয়ে কথা বলে না। কৃষকের খাল খনন কর্মসূচি-কৃষক কার্ড নিয়ে কথা বলে না। তারা যদি অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে তাহলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, কৃষক কার্ড বিতরণসহ সব ক্ষেত্রে জনগণ, বিশেষ করে গ্রামে বসবাসকারী মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তারেক রহমান বলেন, পত্র-পত্রিকা, সোশ্যাল মিডিয়ায় খোঁজ নিয়ে দেখেন- ৫ আগস্টে দেশের মানুষ যাদের এই দেশ থেকে বিতাড়িত করেছিল, এখন যারা অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের সঙ্গে এরা তলে তলে খাতির শুরু করেছে। যেভাবে ’৮৬-’৯৬ সালে আঁতাত করেছিল। দেশের জনগণ রাজপথে নেমে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। যে স্বৈরাচার মানুষের ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার, খেটে খাওয়া মানুষের সব ধরনের উন্নয়ন বন্ধ করে দিয়েছিল। সেই স্বৈরাচারকে ছাত্র-জনতা এক হয়ে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। এখন দেশের মানুষ তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন চায়।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হলে ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে সক্রিয় করে তুলতে হবে, কাজে ব্যবহার করতে হবে। দক্ষ শ্রমিকের হাত তৈরি করতে হবে। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত দিয়ে নতুন ব্রিজ-কালভার্ট, স্কুল-কলেজ-হাসপাতাল তৈরি করতে হবে। তাহলেই আমরা এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারব।

তিনি বলেন, বিএনপি সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চায়। আজকে সময় এসেছে একদিকে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের কাজগুলো সফল করা, অন্যদিকে যারা ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত করতে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তাদের ব্যাপারে সজাগ থাকার। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

BD State News

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬

featured Image

দেশে যারা অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চায় তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে ময়মনসিংহের ত্রিশালে খাল পুনঃখননের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্যকালে এই আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আইনের শাসন নিশ্চিত করতে চাই। কিন্তু যেকোনো কাজ করতে গেলে কিছু নিয়ম-কানুন আছে। যেকোনো অন্যায়কারীর বিচার করতে হলে, তাকে শাস্তি দিতে হলে সরকারের কিছু নিয়ম-কানুন আছে।

তিনি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে কিছু সংখ্যক মানুষ একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, রাস্তা-ঘাট বন্ধ করে দিচ্ছে, যান চলাচল বন্ধ করে দিচ্ছে, এই কাজগুলো যারা করে প্রথমেই তারা আইনের শাসনকে বাধাগ্রস্ত করছে। আইনকে আইনের মতো চলতে দিতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকার যখন ক্ষমতায় ছিল সেই সময়েও দেশে কয়েকটি অন্যায় ঘটেছে, সেই সময় আমি নিজে ভুক্তভোগীদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। আমাদের দলের চিকিৎসকরা গিয়ে চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছিল, আইনজীবীরা আইনি সহায়তা দিয়েছিল। কিন্তু আজকে যারা হৈচৈ করছে, রাস্তা অবরোধ করছে, বড় বড় কথা বলছে সেদিন কিন্তু তাদের আমরা মাঠে দেখিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যারা একটি ঘোলাটে পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, তারা দেশের মানুষের কর্মসংস্থান নিয়ে কথা বলে না। কৃষকের খাল খনন কর্মসূচি-কৃষক কার্ড নিয়ে কথা বলে না। তারা যদি অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে তাহলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, কৃষক কার্ড বিতরণসহ সব ক্ষেত্রে জনগণ, বিশেষ করে গ্রামে বসবাসকারী মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তারেক রহমান বলেন, পত্র-পত্রিকা, সোশ্যাল মিডিয়ায় খোঁজ নিয়ে দেখেন- ৫ আগস্টে দেশের মানুষ যাদের এই দেশ থেকে বিতাড়িত করেছিল, এখন যারা অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের সঙ্গে এরা তলে তলে খাতির শুরু করেছে। যেভাবে ’৮৬-’৯৬ সালে আঁতাত করেছিল। দেশের জনগণ রাজপথে নেমে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। যে স্বৈরাচার মানুষের ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার, খেটে খাওয়া মানুষের সব ধরনের উন্নয়ন বন্ধ করে দিয়েছিল। সেই স্বৈরাচারকে ছাত্র-জনতা এক হয়ে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। এখন দেশের মানুষ তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন চায়।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হলে ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে সক্রিয় করে তুলতে হবে, কাজে ব্যবহার করতে হবে। দক্ষ শ্রমিকের হাত তৈরি করতে হবে। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত দিয়ে নতুন ব্রিজ-কালভার্ট, স্কুল-কলেজ-হাসপাতাল তৈরি করতে হবে। তাহলেই আমরা এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারব।

তিনি বলেন, বিএনপি সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চায়। আজকে সময় এসেছে একদিকে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের কাজগুলো সফল করা, অন্যদিকে যারা ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত করতে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তাদের ব্যাপারে সজাগ থাকার। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে।


BD State News

সম্পাদক: আবদুর রাকিব

কপিরাইট © ২০২৬ BD State News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত